শারীরগত আধুনিক মানুষ

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন

প্যালিওঅ্যান্‌থ্রোপোলজিতে, শারীরগত আধুনিক মানুষ শব্দটি[১] হোমো সেপিয়েন্সের অন্তর্গত সমসাময়িক মানুষের ফেনোটাইপ বিস্তারযুক্ত অঙ্গসংস্থানের সঙ্গে প্রাচীন অবলুপ্ত মানুষের প্রকৃতিগত পার্থক্য নিরুপণ করতেই ব্যবহৃত হয়।

৩,১৫,০০০ বছর আগে হোমো সেপিয়েন্স তার প্রাচীন ও বলিষ্ঠ পূর্বসূরীদের (হোমো হেইডেলবার্গেনসিস, হোমো ইরেকটাসের শাখা) থেকে নবরূপ প্রাপ্ত হয়। এর কিছু সময় পর থেকেই আধুনিক মনুষ্যপ্রজাতি ছড়িয়ে পড়তে শুরু করে, দক্ষিণাঞ্চলীয় আফ্রিকাতে শিকারী-সংগ্রাহক জনগোষ্ঠীই সর্বপ্রথম বিভক্ত হয়ে ছড়িয়ে পড়ে; যদিও আধুনিক মানুষের নিজেদের মধ্যে এবং আধুনিক ও প্রাচীন মানুষের মধ্যে প্রচুর বিমিশ্রণ সংঘটিত হয়েছে।

ব্যবহারিক আধুনিকতা, যেমন ভাষাগত উন্নতি, অবয়ব শিল্পের বিকাশ এবং ধর্মের প্রাথমিক রূপের উন্নয়ন প্রভৃতি আজ থেকে ৪০,০০০ বছর আগে শুরু হয়; এটি ছিল আপার প্যালিওলিথিক যুগ (আফ্রিকায় যা পরবর্তী প্রস্তর যুগ নামে পরিচিত ছিল)।[২]

নামকরণ ও শ্রেণীবিন্যাস[সম্পাদনা]

ট্যাক্সোনমিক প্রজাতি হিসেবে সমসাময়িক মনুষ্য জনগোষ্ঠীর দ্বিপদী নাম হল হোমো সেপিয়েন্স। এই প্রজাতিটি এর একটি হোমো গণ থেকে প্রায় ২,০০,০০০ থেকে ৩,০০,০০০ বছর আগে উদ্ভুত হয়।[৩]

“শারীরগত আধুনিক মানুষ” শব্দটি বিভিন্ন পরিপ্রেক্ষিতে ব্যবহৃত হয়, “শারীরগত আধুনিক” হোমো সেপিয়েন্স –এর থেকে নিয়েন্ডার্থালসের মত প্রাচীন মানবকে পার্থক্য নিরূপণ করতে ব্যবহৃত হয়। ১৯৯০এর দশকের জনপ্রিয় প্রথা অনুযায়ী, নিয়েন্ডার্থালসদের হোমো সেপিয়েন্স নিয়েন্ডার্থালেন্সিস্‌ নামক হোমো সেপিয়েন্সের উপ-প্রজাতি হিসেবে চিহ্নিত করা হত, যেখানে শারীরগত আধুনিক মানুষ (অথবা ইউরোপীয় প্রাক্‌-আধুনিক মানুষ) বলতে ক্রো-ম্যাগনন বা হোমো সেপিয়েন্স সেপিয়েন্স বোঝাতো। এই প্রকার নামকরণ অনুযায়ী (যেখানে নিয়েন্ডার্থালসদের হোমো সেপিয়েন্স বলা হত), “শারীরগত আধুনিক হোমো সেপিয়েন্স” বলতে ইউরোপীয় প্রাক্‌-আধুনিক মানুষ (“ক্রো-ম্যাগনন”) বোঝানো হত।[৪] নিয়েন্ডার্থালস্‌দের আলাদা প্রজাতি (হোমো নিয়েন্ডার্থালেন্সিস্‌) হিসেবে নামকরণ করা খুব সাধারণ ব্যাপার হয়ে গেছে, যাতে ইউরোপীয় পরিপ্রেক্ষিতে “শারীরগত আধুনিক মানুষ” বলতে হোমো সেপিয়েন্স বোঝায় (কিন্তু এখনও পর্যন্ত কোনভাবেই এই প্রশ্নের মীমাংসা করা সম্ভব হয়নি)।[৫]

হোমো সেপিয়েন্সের এই সংকীর্ণ সংজ্ঞায়, ২০০৩ সালে আবিষ্কৃত, হোমো সেপিয়েন্স ইডাল্টুও, “শারীরগত আধুনিক”-এর একই ছত্রতলে পড়ে।[৬] আধুনিক মানবগোষ্ঠীর উত্তরসূরীদের একটি বৈধ প্রজাতি হিসেবে হোমো সেপিয়েন্স ইডাল্টুর স্বীকৃতি, সমসাময়িক মানুষের হোমো সেপিয়েন্স সেপিয়েন্স প্রজাতি নামটিকেই সমর্থন করে।

সুবিধার জন্য, “শারীরগত আধুনিক মানুষ”কে ‘প্রাক্‌’ কিংবা ‘বলশালী’ বনাম ‘হিমযুগ-পরবর্তী’ কিংবা ‘কৃশকায়’ উপশাখায় বিভক্ত করা হয়। “কৃশকায় শারীরগত আধুনিক মানুষের” আবির্ভাব ৫০,০০০ – ৩০,০০০ বছর আগে মানুষের আকারগত ক্ষুদ্রতর হওয়া এবং অধিকতর সরু অস্থির আবির্ভাবকেই সূচিত করে।[৭]

২ লক্ষ বছরের মধ্যে বসবাসরত “আধুনিক”/“প্রাচীন” তালিকার অন্তর্গত মানবপ্রজাতি[তথ্যসূত্র প্রয়োজন]

জনগোষ্ঠী বয়স শ্রেণীবিন্যাস
হোমো সেপিয়েন্স ৩,০০,০০০ বছর - বর্তমান modern
হোমো সেপিয়েন্স সেপিয়েন্স ১০,০০০ বছর - বর্তমান "হিমযুগ-পরবর্তী" আধুনিক
লাল হরিণ গুহা মানব ১০ হাজার বছর মিশ্র (?)
হোমো সেপিয়েন্স ইডাল্টু ২ লক্ষ - ১.৬ লক্ষ বছর "প্রাক্‌" আধুনিক
ডেনিসোভান্স্‌[৮] ১ লক্ষ - ৪০ হাজার বছর প্রাচীন
হোমো ফ্লোরেসিয়েন্সিস ১.৯ লক্ষ - ৫০ হাজার বছর প্রাচীন
হোমো নিয়েন্ডার্থালনেসিস ২.৫ লক্ষ - ৪০ হাজার বছর প্রাচীন
হোমো রোডেসিয়েন্সিস ৩ লক্ষ - ১.২৫ লক্ষ প্রাচীন
হোমো ইরেকটাস্‌ সোলোয়েন্সিস্‌ (সোলো মানব) –১.৪ লক্ষ(?)[৯] প্রাচীন
হোমো হেইডেলবার্গজেনেসিস[১০][১১] ৬ লক্ষ - ২ লক্ষ প্রাচীন

শারীরগত দিক[সম্পাদনা]

সাধারণ গঠন[সম্পাদনা]

সাধারণভাবে আধুনিক মানুষ তাদের পূর্বসুরী প্রাচীন মানবগোষ্ঠীর থেকে শারীরিকভাবে দূর্বল। মানবপ্রজাতি অত্যন্ত পরিবর্তনশীল; আধুনিক মানুষ বেশ শক্তসমর্থ লক্ষণবিশিষ্ট হতে পারে, এবং প্রাক্‌-আধুনিক মানুষ তার চেয়েও বেশি বলশালী হতে পারে। তবুও, আধুনিক মানুষ আর প্রাচীন মানুষের (নিয়েন্ডার্থালস্‌ এবং ডেনিসোভান্স্‌) মধ্যে বেশ কিছু শারীরগত পার্থক্য রয়েছে।

করোটিগত গঠন[সম্পাদনা]

হোমো সেপিয়েন্স (বাঁদিকে) এবং হোমো নিয়েন্ডার্থালসের (ডানদিকে) করোটির গঠনগত তুলনা (ক্লিভল্যান্ডের প্রাকৃতিক ইতিহাসের জাদুঘরে) তুলনাকৃত বৈশিষ্ট্যগুলি হল করোটির আকার, কপাল, ব্রো-রিজ, নাসিকার হাড়, অভিক্ষেপ, গালের হাড়ের কৌণিক অবস্থান, চিবুক এবং অক্সিপিটাল রেখান্যাস

করোটিতে ঘাড়ের কাছে অক্সিপিটাল বান কম পরিমাণে থাকে; অক্সিপিটাল বান হল ঘাড়ের পেশীর কাছে একটি অস্থি স্ফীতি যা নিয়েন্ডার্থালস্‌দের ক্ষেত্রে প্রকটভাবে দেখা যায়। আধুনিক মানুষের, এমনকি এর পূর্বসুরীদেরও, প্রাচীন মানুষের তুলনায় বৃহত্তর পুরোমস্তিষ্ক রয়েছে, যাতে মস্তিষ্ক চক্ষুর পিছনে না থেকে তার উর্ধ্বভাগেও অবস্থান করতে পারে। এর ফলে কপাল সাধারণত (যদিও সবসময়ে নয়) আয়তনে বৃহৎ হয়, এবং ব্রো রিজ সংকুচিত হয়। প্রাক্‌-আধুনিক মানুষ এবং কিছু বর্তমান মানবগোষ্ঠীরও বড় ব্রো রিজ রয়েছে, কিন্তু প্রাচীন মানুষের থেকে সেগুলি আলাদা, কারণ প্রাচীন মানবগোষ্ঠীর অক্ষিগোলকের ওপর একটি গর্ত বা খাঁজ তৈরি হয়েছে যা প্রতিটি চোখের ওপর সংযোগরেখার মধ্যে দিয়ে একটি খাঁজ তৈরি করেছে।[১২] এটি সংযোগরেখাটিকে একটি কেন্দ্রীয় অংশ ও দুটি প্রান্তীয় অংশে বিভক্ত করেছে। আধুনিক মানুষের ক্ষেত্রে, এর মধ্যে কেবল কেন্দ্রীয় অংশটিই রক্ষিত আছে (যদি আদৌ তা থাকে)। এটিই প্রাচীন মানব গোষ্ঠীর সঙ্গে এদের পার্থক্য, প্রাচীন মানুষের এই ব্রো রিজটি যথেষ্ট বড় এবং অবিভক্ত।[১৩]

আধুনিক মানুষের সাধারণত একটি খাড়া, এমনকি উল্লম্ব কপাল দেখা যায়, যেখানে তাদের পূর্বসুরীদের কপাল একেবারেই পশ্চাৎ নতিযুক্ত।[১৪] ডেসমণ্ড মরিসের মতে, উল্লম্ব কপাল মানুষের ক্ষেত্রে ভ্রূ-সঞ্চালন এবং কপালের ত্বক সংকোচনের মাধ্যমে মানুষের মধ্যে যোগাযোগস্থাপনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেয়।[১৫]

চোয়াল গঠন[সম্পাদনা]

প্রাচীন মানুষের সঙ্গে তুলনা করলে, শারীরগত আধুনিক মানুষ ক্ষুদ্রতর, ভিন্ন আকৃতির দাঁতের অধিকারী।[১৬][১৭] এর ফলে এদের নিম্নচোয়ালের অস্থি ক্ষুদ্রতর হয় যার ফলে অবশিষ্ট চোয়ালরেখা বেরিয়ে থাকে যা চিবুকটিকে স্পষ্ট করে তোলে। চোয়ালের কেন্দ্রীয় অংশ চিবুকটিকে একটি ত্রিকোণাকৃতি গঠন দান করে যার শীর্ষভাগকে মেন্টাল ট্রিগন বা চিবুক-ত্রিকোণ নামে পরিচিত, এটি প্রাচীন মানুষের ক্ষেত্রে দেখা যায় না।[১৮] বিশেষত বর্তমান জনগোষ্ঠীতে, আগুন ও যন্ত্রের ব্যবহারের ফলে চোয়ালের পেশীর সংখ্যা কমে গেছে এবং চোয়াল হয়ে পড়েছে রোগা ও কৃশকায়। প্রাচীন মানুষের তুলনায়, আধুনিক মানুষ ক্ষুদ্রাকার ও নিকৃষ্টতর মুখমণ্ডলের অধিকারী।

দেহ কঙ্কালের গঠন[সম্পাদনা]

পূর্বতম এবং সবথেকে শক্তিশালী আধুনিক মানুষের দেহ কঙ্কালও নিয়েন্ডার্থালস্‌দের তুলনায় কম মজবুত ছিল (ডেনিসোভানস্‌দের থেকে আমরা যেটুকু জানতে পারি), যেহেতু তাদের কঙ্কালে অত্যাবশ্যকীয় আধুনিক উপাদান বর্তমান ছিল। হাত ও পায়ের লম্বা অস্থির ক্ষেত্রে, দূরবর্তী অস্থিগুলি (রেডিয়াস/আলনা এবং টিবিয়া/ফিবুলা) নিকটবর্তী অস্থির চাইতে (হিউমেরাস এবং ফিমার) কিছুটা ছোট অথবা একই দৈর্ঘ্যের। নিয়েন্ডার্থালস্‌দের ক্ষেত্রে দূরবর্তী অস্থিগুলি ক্ষুদ্রতর, সাধারণত মনে করা হয় যে এগুলি শীতল আবহাওয়ার সাথে অভিযোজিত কারণেই এমন হয়েছে।[১৯] মেরু অঞ্চলে বসবাসকারী কিছু আধুনিক মানবগোষ্ঠীর মধ্যেও এই একই অভিযোজন দেখা যায়।[২০]

বিবর্তন[সম্পাদনা]

হোমিনান্‌দের করোটি

ছড়িয়ে পড়বার আনুমানিক সময়[সম্পাদনা]

অস্ট্রালোপিথেকানস্‌ হোমিনিনস্‌ থেকে হোমো প্রজাতির উদ্ভব ৩০ লক্ষ বছর আগে কোন এক সময় শুরু হয়েছিল। জীবাশ্ম হিসেব অনুসারে, ১৮ লক্ষ থেকে ১৩ লক্ষ বছর আগে হোমো ইরেকটাসের আবির্ভাবের সময় থেকে করোটির আয়তন দ্বিগুণ হয়ে ৮৫০ কিউবিক সেমি হয়ে যায়।[২১] মনে করা হয়, হোমো ইরেকটাস এবং হোমো এরগাস্টার প্রথম আগুন ও জটিল যন্ত্রের ব্যবহার শেখে। আধুনিক মানুষ হোমো হেইডেলবার্জেনেসিস, হোমো রোডেসিয়েন্‌সিস অথবা হোমো অ্যান্টেসেসর্সদের থেকে বিবর্তিত হয় এবং ১,০০,০০০ থেকে ৫০,০০০ বছর আগে হোমো ইরেকটাস, হোমো ডেনিসোভা, হোমো ফ্লোরেসিয়েন্সিস এবং হোমো নিয়েন্ডার্থালেন্সিসের স্থানীয় জনগোষ্ঠীর স্থান অধিকার করে।[২২][২৩]

প্রায় ৩ লক্ষ বছর আগে মরক্কো থেকে প্রাপ্ত জেবল ইরহোদের জীবাশ্ম হল শারীরগত আধুনিক মানুষের প্রাচীনতম জীবাশ্ম। অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ প্রাক্‌-আধুনিক মানুষের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল পূর্ব আফ্রিকায় প্রাপ্ত ওমো অবশেষ যা ১,৯৫,০০০ বছর আগেকার এবং এখানে মাথার করোটির পার্শ্বস্থ দুটি অংশ, বাহু, পা, পায়ের পাতা এবং পেলভিস অস্থি পাওয়া গেছিল।[২৪][২৫][২৬] ২০১৭ সালের একটি গবেষণায়, প্রস্তর যুগের খোই-সান মানুষের কঙ্কালের জিনোমের সাথে অন্যান্য আধুনিক আফ্রিকান জনগোষ্ঠীর তুলনা করে এটা বোঝা যায় যে পশ্চিম আফ্রিকান মান্ডিনকা জনগোষ্ঠী থেকে আনুমানিক ৩,৫৬,০০০ বছর আগে খোই-সান জনগোষ্ঠী ছড়িয়ে পড়তে শুরু করে; এর ফলে বোঝা গেল আধুনিক মানুষের উৎপত্তি আগে যা ভাবা হত তা তার চেয়ে প্রাচীন।[২৭] অন্যান্য জীবাশ্মগুলির মধ্যে রয়েছে ইথিওপিয়ার হার্টোয় ১,৬০,০০০ বছর আগেকার প্রস্তাবিত হোমো সেপিয়েন্স ইডাল্টুর জীবাশ্ম[২৮] এবং ইজরায়েলে ৯০,০০০ বছর আগেকার স্খুল হোমিনিডস্‌[২৯] পশ্চিম সাইবেরিয়ায় ৪৫,০০০ বছর আগেকার উস্ট-ইশিম মানুষের অবশেষই হল প্রাচীনতম যার থেকে সম্পূর্ণ জিনোম বের করা সম্ভব হয়েছে।[৩০]

Quaternary extinction eventQuaternary extinction eventHolocene extinctionHolocene extinctionYellowstone CalderaYellowstone CalderaToba catastrophe theoryHomo heidelbergensisHomo neanderthalensisHomo antecessorHomo sapiensHomo habilisHomo georgicusHomo ergasterHomo erectusHomo (genus)Homo (genus)
আনুমানিক সন-তারিখ, বিশদে জানবার জন্য অন্যান্য নিবন্ধ দেখুন
(২,০০,০০০ খ্রীঃপুঃ থেকে ২০১৩ খ্রীঃ পর্যন্ত (আংশিক) ব্যাখ্যামূলক প্রতীকচিহ্ন)

হোমো ইরেকটাস থেকে উদ্বর্তন[সম্পাদনা]

মধ্য প্যালিওলিথিক যুগের হোমো সেপিয়েন্সের জাতিজনির একটি মডেল। অনুভূমিক অক্ষটি ভৌগোলিক অবস্থান নির্দেশিত করে; এবং উল্লম্ব অক্ষটি সময়কে (হাজার বছর পূর্বেকার) নির্দেশ করে।[৩১] দেখা যাচ্ছে, হোমো হেইডেলবার্গজেনেসিস নিয়েন্ডার্থালস্‌, ডেনিসোভান্স্‌, এবং হোমো সেপিয়েন্সে মিশে যাচ্ছে। ১ লক্ষ বছর ব্যাপী হোমো সেপিয়েন্সের বিস্তারের ফলে নিয়েন্ডার্থালস্‌, ডেনিসোভান্স্‌ এবং অনির্দিষ্ট প্রাচীন আফ্রিকান হোমিনিন্স্‌ পুনরায় হোমো সেপিয়েন্সের বংশে অন্তর্ভুক্ত হচ্ছে। এর সাথে, আধুনিক আফ্রিকান জনগোষ্ঠীতে নানা বিমিশ্রণের ঘটনারও ইঙ্গিত রয়েছে।

প্রাচীন মানুষের বৈচিত্র্যপূর্ণ প্রকারভেদ (যাদের সকলেই হোমো ইরেকটাস থেকে প্রায় ১৮ লক্ষ বছর আগে আবির্ভুত হয়) থেকে হোমো সেপিয়েন্সের তুলনামূলক সমরূপ একক প্রজাতিতে উদ্বর্তন বিষয়ে ১৯৮০র দশকে উত্থাপিত দুটি ভিন্ন মডেল নিয়ে বিতর্ক সৃষ্টি হয় : “আধুনিক আফ্রিকান উৎস” নামক মডেলে দাবি করা হয়, আফ্রিকায় হোমো সেপিয়েন্সের আবির্ভাব হয় একটি নির্দিষ্ট উৎস থেকে যা বিস্তৃত হয় এবং অন্যান্য সকল মনুষ্য প্রজাতিকে অবলুপ্ত করে দেয়; অন্যদিকে, “বহুস্থানিক বিবর্তন” মডেলে দাবি করা হয়, প্রাচীন মানুষের মধ্যে স্থানিক বৈশিষ্ট্যগুলির অস্তিত্ব বজায় ছিল যা ধীরে ধীরে ক্লাইনাল পরিবর্তন পদ্ধতির মধ্যে দিয়ে জিন সঞ্চরণ, জিন প্রবাহ এবং প্লিস্টোসিন পর্বে নির্বাচনের মাধ্যমে আধুনিক মানব বৈচিত্র্যের দিকে উপনীত হয়।[৩২]

২০০০-এর শূন্য দশকে প্রত্ন-জিনবিদ্যা ও জন-জিনবিদ্যার মাধ্যমে সন-তারিখ প্রাপ্ত হওয়ায় আরো বিশদ ও পরিষ্কার ছবি পাওয়া গেছে যার ফলে উপরোল্লিখিত দুটি প্রতিযোগী তত্ত্বের একটি মধ্যবর্তী অবস্থানে আসা গেছে : সাম্প্রত আফ্রিকা-বহির্মুখী প্রসারই আধুনিক মানব উৎপত্তির মূলাংশ গঠন করেছে, তবে স্থানীয় প্রাচীন মানবের সাথে মিশ্রণের ঘটনাও এই মানবের উৎপত্তিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছে।[৩৩]

এখনও পর্যন্ত (২০১৭ সালের হিসেব অনুযায়ী[৩৪]) হোমো সেপিয়েন্সের অন্তত দুটি আফ্রিকা-বহির্মুখী পরিযাণ ঘটেছিল। এর প্রথমটি ঘটেছিল ১,৩০,০০০ এবং ১,১৫,০০০ বছর আগে কোন এক সময়ে এবং দ্বিতীয়টি ঘটেছিল ৭৭,০০০ বছর আগে যা তোবা মহা-অগ্ন্যুৎপাতের কারণে ঘটেছিল বলে মনে করা হয়; এই দলটি তথাকথিত দক্ষিণ পথ ধরে এশিয়ার দক্ষিণ সমুদ্রোপকূল বরাবর এগিয়ে চলে এবং ৬৫,০০০ বছর আগে অস্ট্রেলিয়া অধিকার করে;[৩৫] এর একটি পূর্বতন শাখা প্রায়-প্রাচ্য এবং ইউরোপে প্রায় ৫০,০০০ বছর আগে বসতিস্থাপন করে।

আফ্রিকার মধ্যে, এরও আগে একটি বহির্মুখী অভিগমন দেখা গিয়েছিল এবং তা ছিল ১,৫০,০০০ বছরেরও আগে দক্ষিণ আফ্রিকার শিকারী-সংগ্রাহক, মধ্য আফ্রিকার লতাগুল্ম-সংগ্রাহক, পশ্চিম এবং পূর্ব আফ্রিকার অধিবাসীদের মধ্যে; সম্ভবত এটি ৩,০০,০০০ আগে শুরু হয়ে থাকতে পারে।[৩৬] অতএব সবথেকে স্বতন্ত্র জিনগত বৈশিষ্ট্যের অধিকারী সমসাময়িক মানব জনগোষ্ঠী হল দক্ষিণ আফ্রিকার শিকারী-সংগ্রাহক।[৩৭]

শারীরগত আধুনিক মানুষের মধ্যে নিরন্তর মিশ্রণ প্রক্রিয়া চলবার কারণে আধুনিক জনগোষ্ঠীর মাতৃগত ও পিতৃগত দিক থেকে সবথেকে ঘনিষ্ঠ পূর্বসুরীর কাল আন্দাজ করা অত্যন্ত দুষ্কর হয়ে উঠেছে (মাইটোকণ্ড্রিয়াল ইভ এবং ওয়াই-ক্রোমোজোমাল আদম)। ২০১৩ সালে একটি প্রাচীন ওয়াই-ক্রোমোজোমাল বংশ আবিষ্কৃত হওয়ার সাথে সাথে ওয়াই ক্রোমোজোমাল আদমের বয়সকে ৩,০০,০০০ বছর আগে বলে হিসাব করা হয়।[৩৮] প্রাচীন মানুষ থেকে কোন ওয়াই-ক্রোমোজোমাল অথবা মাইটোকণ্ড্রিয়াল ডিএনএর অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি (যার ফলে সর্বাধুনিক পিতৃগত ও মাতৃগত বংশের কালসীমা ৫,০০,০০০ বছর আগে পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে)।[৩৯]

প্রাক-হোমো সেপিয়েন্স[সম্পাদনা]

পঞ্চম স্খুল (১,০০,০০০ খ্রীঃপুঃ) যাতে প্রাচীন এবং আধুনিক ধারার মিশ্রণ দেখা যাচ্ছে।

মধ্য প্যালিওলিথিক নামটি হোমো সেপিয়েন্সের প্রথম আবির্ভাবের সময় (প্রায় ৩,০০,০০০ বছর আগে) এবং পূর্ণ আচরণগত আধুনিকত্বের আবির্ভাবের সময়ের (প্রায় ৫০,০০০ বছর আগে) মধ্যবর্তী সময়কে নির্দেশ করতে ব্যবহৃত হয়।

অনেক প্রাক্‌-আধুনিক মানুষের মধ্যে (যেমন, ওমো, হার্টো, স্খুল এবং পেস্টেরা কু ওয়েস) প্রাচীন এবং আধুনিক ধারার মিশ্রণ লক্ষ্য করা যায়।[৪০][৪১] উদাহরণস্বরূপ বলা যায়, পঞ্চম স্খুলের স্পষ্ট ব্রো রিজ এবং একটি অভিক্ষিপ্ত মুখমণ্ডল রয়েছে। যদিও, এদের মাথার করোটি হল গোলাকার এবং নিয়েন্ডার্থালস্‌দের থেকে স্বতন্ত্র এবং আধুনিক মানুষের মাথার করোটির অনুরূপ। অধুনা জানা গেছে, যে উত্তর সাহারা এবং আফ্রিকার বাইরের অঞ্চলের আধুনিক মানুষের মধ্যে কিছু প্রাচীন মানবের মিশ্রণ ঘটেছে, যদিও পঞ্চম স্খুলের মত প্রাক্‌-আধুনিক মানুষের শক্তিশালী ধারার ফলেই এই মিশ্র বংশের উৎপত্তি নাকি তা প্রাচীন কোন ধারার অবশেষ, তা এখনও অমীমাংসিত।[৪২][৪৩]

শারীরগত আধুনিক মানুষের “কৃশকায়” অথবা দূর্বলভাবে গঠিত কঙ্কালের সাথে বর্দ্ধিত জনসংযোগ এবং “সম্পদ পরিবহন”সহ তার জীবনযাত্রার অন্যান্য দিকগুলিও জড়িয়ে রয়েছে।[৪৪] প্রমাণ পাওয়া গেছে যে মানব মস্তিষ্কের বিকাশের, বিশেষত পুরোমস্তিষ্কের বিকাশের, কারণ হল “মানবদেহে বিপাকীয় উপাদানের অত্যন্ত দ্রুত বিবর্তন...এর সাথে সাথে পেশী শক্তির চূড়ান্ত অবক্ষয়। মস্তিষ্কে এবং পেশীতে লক্ষ্যণীয়রকমের দ্রুত বিপাকীয় পরিবর্তন, এবং তার সাথে অনন্য মানব জ্ঞান দক্ষতা ও পেশীকার্যের হ্রাস, মানব বিবর্তন পদ্ধতিতে সমান্তরাল ভূমিকা রেখেছে বলে মনে করা হয়”।[৪৫] শনিনজেন বল্লম এবং এদের আনুষঙ্গিক অবশেষ থেকে বোঝা যায় যে এরা আজ থেকে ৩,০০,০০০ বছর আগেই জটিল প্রযুক্তিগত দক্ষতা অর্জন করেছিল এবং এটাই ছিল সক্রিয় (বড় রকমের) শিকারের প্রথম প্রত্যক্ষ প্রমাণ। হোমো হেইডেলবার্গজেনেসিসের পূর্ব-পরিকল্পনা করা, চিন্তা করা এবং সেই অনুযায়ী কাজ করার মত মেধাগত ও জ্ঞানগত দক্ষতা ছিল এবং তা ছিল একেবারেই আধুনিক মানুষের মত।[৪৬][৪৭]

পরবর্তী প্যালিওলিথিক[সম্পাদনা]

প্রাক্‌কালীন শারীরগত আধুনিক মানুষ আধুনিক অথবা বর্তমান মানুষের মতই আচরণ করত কিনা তা নিয়ে যথেষ্ট বিতর্কের অবকাশ আছে। আচরণগত আধুনিকতার মধ্যে লক্ষ্যণীয় বৈশিষ্ট্যগুলি হল সম্পূর্ণ সুগঠিত ভাষা (যার জন্য বিমূর্ত চিন্তার ক্ষমতা থাকা দরকার), শিল্পগত প্রকাশ, ধার্মিক আচরণের প্রাথমিক রূপ,[৪৮] বর্ধিত জনসংযোগ এবং প্রাথমিক বসতিস্থাপন এবং পাথর, হাড় অথবা হরিণের শিং থেকে যন্ত্রের উদ্ভব। ইউরেশিয়ায় আধুনিক মানুষের দ্রুত বিস্তার থেকে যে যুগ শুরু, তাকে পরবর্তী প্যালিওলিথিক যুগ বলে অভিহিত করা হয়; এই সময়ে প্যালিওলিথিক শিল্পের প্রথম আবির্ভাব ঘটে এবং তার ফলে গুহাচিত্রের বিকাশ ঘটে এবং প্রযুক্তিগত উন্নতি লক্ষ্য করা যায়, বল্লম-নিক্ষেপের মত কার্যকলাপ এই সময়ে লক্ষ্য করা যায়। পরবর্তী প্যালিওলিথিক ৫০,০০০ থেকে ৪০,০০০ বছর আগে শুরু হয়েছিল এবং এই সময় থেকেই নিয়েন্ডার্থালস্‌দের মত প্রাচীন মানুষের অবলুপ্তি ঘটতে থাকে।

“আচরণগত আধুনিকতা” শব্দটি কিছুটা বিতর্কিত। পরবর্তী প্যালিওলিথিক যুগের চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য হিসেবে এই শব্দটি ব্যবহৃত হয়, কিন্তু কিছু পণ্ডিত ২,০০,০০০ বছর আগে হোমো সেপিয়েন্স আবির্ভাবের সময়কাল থেকেই “আচরণগত আধুনিকতা” শব্দটি ব্যবহার করবার পক্ষপাতী,[৪৯] আবার কেউ কেউ ৫০,০০০ বছর আগে দ্রুত বিকাশের সময়ের বৈশিষ্ট্য হিসেবে এই শব্দটি ব্যবহার করেন।[৫০][৫১][৫২] বলা যায় যে আচরণগত আধুনিকতা একটা ধীর ক্রমান্বয়ী প্রক্রিয়া।[৫৩]

২০১৮ সালের জানুয়ারীতে জানানো হয়েছে যে ২০০২ সালে ইজরায়েলের মিসলিয়া গুহায় প্রাপ্ত ১,৮৫,০০০ বছর আগেকার আধুনিক মানব অবশেষই হল তাদের আফ্রিকা বহির্গমনের পূর্বতম নিদর্শন।[৫৪][৫৫][৫৬][৫৭]

ইওরোপে প্রাপ্ত সর্বপ্রাচীন হোমো সেপিয়েন্স (শারীরগত আধুনিক মানুষ) হল “ক্রো-ম্যাগনন” (ফ্রান্সে আবিষ্কৃত স্থানটির নামানুসারে) যারা ৪০,০০০ থেকে ৩৫,০০০ বছর আগে আবির্ভুত হয়। এদেরকে এদের পূর্বসুরী নিয়েন্ডার্থালস্‌দের বিপরীতে “ইওরোপীয় প্রাক্‌-আধুনিক মানুষ” নামেও অভিহিত করা হয়।[৫৮][৫৯]

আফ্রিকান প্রত্নতত্ত্ববিদ্যায় পরবর্তী ইউরেশিয় প্যালিওলিথিকের সমতুল যুগ পরবর্তী প্রস্তর যুগ হিসেবে পরিচিত যা প্রায় ৪০,০০০ বছর আগে সৃষ্টি হয়েছিল। ১৯শ শতকের শেষভাগে ইওরোপে আচরণগত আধুনিকতার সবথেকে স্বচ্ছ নিদর্শন পাওয়া যায়, যেমন ভেনাস মূর্তি এবং অরিগ্‌নাসিয়ান্‌ থেকে প্রাপ্ত অন্যান্য হস্তনির্মিত শিল্পকর্ম; আরো সাম্প্রতিক প্রত্নতাত্ত্বিক গবেষণায় জানা যাচ্ছে সান নামক তৎকালীন শিকারী-সংগ্রাহকদের বস্তু সংস্কৃতির আবশ্যিক উপাদানগুলি অন্ততপক্ষে ৪০,০০০ বছর আগেও উপস্থিত ছিল, এগুলি ছিল আজকের দিনে ব্যবহৃত খননকার্য চালানোর যন্ত্রের মত, যেমন উটপাখির ডিমের খোলা দিয়ে তৈরি পুঁতি, হাড় দিয়ে তৈরি তীরের ফলা যাতে নির্দিষ্ট প্রস্তুতকারকের চিহ্ন লাল গৈরিক রঙে খোদিত থাকত এবং ছিল বিষ প্রলেপক।[৬০] আরো একটি জ্ঞাতব্য তথ্য হল, যে “৭৫ হাজার বছর আগে মধ্য প্রস্তর যুগে দক্ষিণ আফ্রিকার ব্লম্বস গুহা থেকে উদ্ধারকৃত পাথরের হস্তনির্মিত বস্তুর গঠনগত বৈশিষ্ট্য সবথেকে ভাল বোঝা যায় প্রেশার ফ্লেকিং বা চাপের মাধ্যমে ফলক তোলার মধ্যে দিয়ে। এই পদ্ধতিটি উত্তপ্ত সিলক্রিটের ওপরে স্টিল বে’এর দ্বিমুখী চূড়া নির্মাণের সময় ব্যবহৃত হত।"[৬১] প্রেশার ফ্লেকিং এবং বস্তুকে উত্তপ্ত করার পদ্ধতিটি প্রাক্‌-ইতিহাসে আরো পরবর্তীযুগের বলে আগে ধারণা করা হত এবং উভয় পদ্ধতিই প্রাকৃতিক বস্তুর ব্যবহারের ক্ষেত্রে একটি আচরণগত আধুনিক দিককে সূচিত করে। আফ্রিকান সমুদ্রোপকূলবর্তী অঞ্চলগুলির পাশাপাশি গুহা অঞ্চলের গবেষণা থেকে বোঝা যাচ্ছে যে “সাংস্কৃতিক এবং বৌদ্ধিক চরিত্র আধুনিক মানুষের মধ্যে কখন দেখা গেল তা নিয়ে বিতর্কের” দিন হয়ত শেষ হয়ে আসছে, কারণ “বৃহৎ উৎপাদনের জন্য প্রয়োজনীয় উন্নত প্রযুক্তি” যার জন্য “অগাধ বিশ্বাস এবং ভাষার ব্যবহার দরকার হয়” তা পিনাকল পয়েন্টের ৫ – ৬ নং সাইটে পাওয়া গেছে। এটা প্রায় ৭১,০০০ বছর আগেকার নিদর্শন। গবেষকদের মতে তাঁদের গবেষণা থেকে দেখা যাচ্ছে যে মাইক্রোলিথিক (ক্ষুদ্রাকৃতি-প্রস্তর) প্রযুক্তি প্রথম দক্ষিণ আফ্রিকা থেকেই উৎপত্তি লাভ করেছিল এবং তা অত্যন্ত দীর্ঘ সময় ধরে বিবর্তিত হয় (প্রায় ১১,০০০ বছর), এবং তারপর তা উত্তপ্তকরণের জটিল প্রযুক্তির সঙ্গে মিশে যায় যা প্রায় ১,০০,০০০ বছর ধরে চলেছিল। আফ্রিকার উন্নত প্রযুক্তি ছিল আদি ও স্থায়ী; আফ্রিকার খননকৃত অঞ্চলের একটি ছোট নিদর্শনই হল যেকোন ধারণা করা ‘ফ্লিকারিং’ নকশার সবচেয়ে ভাল ব্যাখ্যা।”[৬২] এর ফলাফল থেকে বোঝা যায় যে উপ-সাহারান আফ্রিকার পরবর্তী প্রস্তর যুগের সংগ্রাহকের দল আজ থেকে অন্ততপক্ষে ৫০,০০০ বছর আগে আধুনিক জ্ঞান ও আচরণে উন্নীত হয়েছিল।[৬৩] মনে করা হয়, এই আচরণগত পরিবর্তন ১,৩৫,০০০ থেকে ৭৫,০০০ বছর আগের একটি জলবায়ুর পরিবর্তনের ফলে সৃষ্ট শুষ্ক ও শীতল পরিবেশের ফলশ্রুতি হিসেবে ঘটেছে।[৬৪] এর ফলে অন্তর্দেশীয় খরার কারণে মানবদলগুলি শামুক ও অন্যান্য সম্পদে আকীর্ণ সমুদ্রতীরবর্তী নিম্ন জলাভূমি অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়ে। হিমবাহের মধ্যে প্রচুর জল আটকে থাকায় সমুদ্রতল অত্যন্ত নীচু ছিল, এবং এই ধরনের জলাভূমি অঞ্চলগুলি ইউরেশিয়ার দক্ষিণ তট বরাবর বিস্তৃত ছিল। ভেলা ও নৌকার আবিষ্কারের ফলে বহির্দেশীয় দ্বীপসমূহ অন্বেষণ এবং সমুদ্রতট বরাবর ভ্রমণ সহজ হয়, এবং এরই ফলে নিউ গিনি ও পরবর্তীকালে অস্ট্রেলিয়ায় ছড়িয়ে পড়াও সম্ভব হয়।[৬৫]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. Nitecki, Matthew H. and Nitecki, Doris V. (1994). Origins of Anatomically Modern Humans. Springer.
  2. Klein, Richard (1995). "Anatomy, behavior, and modern human origins". Journal of World Prehistory. 9 (2): 167–198. doi:10.1007/bf02221838 (ইংরেজি ভাষায়)। 
  3. This is a matter of convention (rather than a factual dispute), and there is no universal consensus on terminology. Some scholars include humans of up to 600,000 years ago under the same species. See Handbook of Death and Dying, Volume 1. Clifton D. Bryant. 2003. p. 811. See also: Masters of the Planet: The Search for Our Human Origins. Ian Tattersall. Page 82 (cf. Unfortunately this consensus in principle hardly clarifies matters much in practice. For there is no agreement on what the 'qualities of a man' actually are," [...]).
  4. Major events in the history of life (ইংরেজি ভাষায়)। Boston: Jones and Bartlett Publishers। ১৯৯২। আইএসবিএন 9780867202687 
  5. It is important to note that this is a question of conventional terminology, not one of a factual disagreement. Pääbo (2014) frames this as a debate that is unresolvable in principle, "since there is no definition of species perfectly describing the case."
  6. Robert Sanders, 160,000-year-old fossilized skulls uncovered in Ethiopia are oldest anatomically modern humans, | 11 June 2003
  7. Hawks, J.; Wang, E. T.; Cochran, G. M.; Harpending, H. C.; Moyzis, R. K. (2007). "Recent acceleration of human adaptive evolution". Proceedings of the National Academy of Sciences. 104 (52): 20753. Bibcode:2007PNAS..10420753H. doi:10.1073/pnas.0707650104. PMC 2410101 Freely accessible. PMID 18087044. (ইংরেজি ভাষায়)। 
  8. Krause, Johannes; Fu, Qiaomei; Good, Jeffrey M.; Viola, Bence; Shunkov, Michael V.; Derevianko, Anatoli P. & Pääbo, Svante (২০১০)। "The complete mitochondrial DNA genome of an unknown hominin from southern Siberia"। Nature (ইংরেজি ভাষায়)। 464 (7290): 894–897। doi:10.1038/nature08976PMID 20336068বিবকোড:2010Natur.464..894K 
  9. Solo Man was previously thought to have survived in Indonesia until about 50 kya, but a 2011 study pushed back the date to before 140 kya. Indriati E, Swisher CC III, Lepre C, Quinn RL, Suriyanto RA, et al. 2011 The Age of the 20 Meter Solo River Terrace, Java, Indonesia and the Survival of Homo erectus in Asia. PLoS ONE 6(6): e21562. ডিওআই:10.1371/journal.pone.0021562
  10. Owen, Elizabeth; Daintith, Eve (১৪ মে ২০১৪)। The Facts on File Dictionary of Evolutionary Biology (ইংরেজি ভাষায়)। Infobase Publishing। পৃষ্ঠা 115–। আইএসবিএন 978-1-4381-0943-5 
  11. Dawkins, Richard; Wong, Yan (২০০৫)। The Ancestor's Tale: A Pilgrimage to the Dawn of Evolution (ইংরেজি ভাষায়)। Houghton Mifflin Harcourt। পৃষ্ঠা 63–। আইএসবিএন 0-618-61916-X 
  12. Bhupendra, P. "Forehead Anatomy". Medscape references. Retrieved 11 December 2013. (ইংরেজি ভাষায়)। 
  13. "How to ID a modern human?". News, 2012. Natural History Museum, London. Retrieved 11 December 2013. (ইংরেজি ভাষায়)। 
  14. Encarta, Human Evolution. Archived from the original on 31 October 2009. (ইংরেজি ভাষায়)। 
  15. Desmond Morris (2007). "The Brow". The Naked Woman: A Study of the Female Body. ISBN 0-312-33853-8. (ইংরেজি ভাষায়)। 
  16. Townsend G, Richards L, Hughes T (May 2003). "Molar intercuspal dimensions: genetic input to phenotypic variation". Journal of Dental Research. 82 (5): 350–5. doi:10.1177/154405910308200505. PMID 12709500. (ইংরেজি ভাষায়)। 
  17. Keith A (1913). "Problems relating to the Teeth of the Earlier Forms of Prehistoric Man". Proceedings of the Royal Society of Medicine. 6 (Odontol Sect): 103–124. PMC 2005996 Freely accessible. PMID 19977113. (ইংরেজি ভাষায়)। 
  18. Tattersall, Jeffrey H. Schwartz, Ian (2003). The human fossil record Craniodental Morphology of Genus Homo (Africa and Asia) (vol 2). Hoboken, NJ: Wiley-Liss. pp. 327–328. ISBN 0471319287. (ইংরেজি ভাষায়)। 
  19. Steegmann, A. Theodore; Cerny, Frank J.; Holliday, Trenton W. (2002). "Neandertal cold adaptation: Physiological and energetic factors". American Journal of Human Biology. 14 (5): 566–583. doi:10.1002/ajhb.10070. PMID 12203812. (ইংরেজি ভাষায়)। 
  20. Stock, J.T. (October 2006). "Hunter-gatherer postcranial robusticity relative to patterns of mobility, climatic adaptation, and selection for tissue economy". American Journal of Physical Anthropology. 131 (2): 194–204. doi:10.1002/ajpa.20398. PMID 16596600. (ইংরেজি ভাষায়)। 
  21. Swisher, Carl Celso; Curtis, Garniss H.; Lewin, Roger (2002). Java Man: How Two Geologists' Dramatic Discoveries Changed Our Understanding of the Evolutionary Path to Modern Humans. Abacus. ISBN 978-0-349-11473-6. (ইংরেজি ভাষায়)। 
  22. Stringer, C.B. (1994). "Evolution of Early Humans". In Steve Jones, Robert Martin, David Pilbeam. The Cambridge Encyclopedia of Human Evolution. Cambridge: Cambridge University Press. p. 242. ISBN 978-0-521-32370-3. Also ISBN 978-0-521-46786-5 (paperback) (ইংরেজি ভাষায়)। 
  23. McHenry, H.M (2009). "Human Evolution". In Michael Ruse & Joseph Travis. Evolution: the first four billion years. Cambridge, Massachusetts: The Belknap Press of Harvard University Press. p. 265. ISBN 978-0-674-03175-3. (ইংরেজি ভাষায়)। 
  24. "Fossil Reanalysis Pushes Back Origin of Homo sapiens". Scientific American. 17 February 2005. (ইংরেজি ভাষায়)। 
  25. McDougall, Ian; Brown, Francis H.; Fleagle, John G. (17 February 2005). "Stratigraphic placement and age of modern humans from Kibish, Ethiopia". Nature. 433 (7027): 733–736. Bibcode:2005Natur.433..733M. doi:10.1038/nature03258. PMID 15716951. (ইংরেজি ভাষায়)। 
  26. Pollard, Elizabeth; Rosenberg, Clifford; Tignor, Robert (4 December 2014). Worlds Together, Worlds Apart: A History of the World: From the Beginnings of Humankind to the Present. W. W. Norton. p. 14. ISBN 978-0-393-91848-9. (ইংরেজি ভাষায়)। 
  27. Schlebusch et al., "Southern African ancient genomes estimate modern human divergence to 350,000 to 260,000 years ago", Science Vol. 358, Issue 6363, (Nov 2017), pp. 652-655, DOI: 10.1126/science.aao6266. (ইংরেজি ভাষায়)। 
  28. White, Tim D.; Asfaw, B.; DeGusta, D.; Gilbert, H.; Richards, G. D.; Suwa, G.; Howell, F. C. (2003). "Pleistocene Homo sapiens from Middle Awash, Ethiopia". Nature. 423 (6491): 742–747. Bibcode:2003Natur.423..742W. doi:10.1038/nature01669. PMID 12802332. (ইংরেজি ভাষায়)। 
  29. Trinkaus, E. (1993). "Femoral neck-shaft angles of the Qafzeh-Skhul early modern humans, and activity levels among immature near eastern Middle Paleolithic hominids". Journal of Human Evolution. 25 (5): 393–416. doi:10.1006/jhev.1993.1058. (ইংরেজি ভাষায়)। 
  30. Wade, Lizzie (22 October 2014). "Oldest human genome reveals when our ancestors had sex with Neandertals". Nature News. Retrieved 27 October 2014. (ইংরেজি ভাষায়)। 
  31. based on Schlebusch et al., "Southern African ancient genomes estimate modern human divergence to 350,000 to 260,000 years ago" Science, 28 Sep 2017, DOI: 10.1126/science.aao6266, Fig. 3 (H. sapiens divergence times) and Stringer, C. (২০১২)। "What makes a modern human"। Nature485 (7396): 33–35। doi:10.1038/485033aPMID 22552077বিবকোড:2012Natur.485...33S  (archaic admixture).
  32. Wolpoff, M. H.; Spuhler, J. N.; Smith, F. H.; Radovcic, J.; Pope, G.; Frayer, D. W.; Eckhardt, R.; Clark, G. (1988). "Modern Human Origins". Science. 241 (4867): 772–4. Bibcode:1988Sci...241..772W. doi:10.1126/science.3136545. PMID 3136545. (ইংরেজি ভাষায়)। 
  33. Green RE, Krause J, Briggs AW, Maricic T, Stenzel U, Kircher M, Patterson N, Li H, Zhai W, Fritz MH, Hansen NF, Durand EY, Malaspinas A, Jensen JD, Marques-Bonet T, Alkan C, Prüfer K, Meyer M, Burbano HA, Good JM, Schultz R, Aximu-Petri A, Butthof A, Höber B, Höffner B, Siegemund M, Weihmann A, Nusbaum C, Lander ES, et al. (May 2010). "A draft sequence of the Neandertal genome". Science. 328 (5979): 710–22. Bibcode:2010Sci...328..710G. doi:10.1126/science.1188021. PMC 5100745 Freely accessible. PMID 20448178. Reich D, Patterson N, Kircher M, Delfin F, Nandineni MR, Pugach I, Ko AM, Ko Y, Jinam TA, Phipps ME, Saitou N, Wollstein A, Kayser M, Pääbo S, Stoneking M (2011). "Denisova admixture and the first modern human dispersals into southeast Asia and oceania". Am J Hum Genet. 89 (4): 516–28. doi:10.1016/j.ajhg.2011.09.005. PMC 3188841 Freely accessible. PMID 21944045. (ইংরেজি ভাষায়)। 
  34. Kuo, Lily (10 December 2017). "Early humans migrated out of Africa much earlier than we thought". Quartz. Retrieved 10 December 2017. (ইংরেজি ভাষায়)। 
  35. Chris Clarkson et al. (2017), Human occupation of northern Australia by 65,000 years ago, Nature. doi:10.1038/nature22968. St. Fleu, Nicholas (July 19, 2017). "Humans First Arrived in Australia 65,000 Years Ago, Study Suggests". New York Times. (ইংরেজি ভাষায়)। 
  36. Schlebusch et al., "Southern African ancient genomes estimate modern human divergence to 350,000 to 260,000 years ago", Science, 28 Sep 2017, DOI: 10.1126/science.aao6266 (ইংরেজি ভাষায়)। 
  37. Morris, A. G.; Heinze, A.; Chan, E. K. F.; Smith, A. B.; Hayes, V. M. (2014). "First Ancient Mitochondrial Human Genome from a Prepastoralist Southern African". Genome Biology and Evolution. 6 (10): 2647. doi:10.1093/gbe/evu202. PMC 4224329 Freely accessible. PMID 25212860. (ইংরেজি ভাষায়)। 
  38. Mendez, Fernando; Krahn, Thomas; Schrack, Bonnie; Krahn, Astrid-Maria; Veeramah, Krishna; Woerner, August; Fomine, Forka Leypey Mathew; Bradman, Neil; Thomas, Mark (7 March 2013), "An African American paternal lineage adds an extremely ancient root to the human Y chromosome phylogenetic tree" (PDF), American Journal of Human Genetics, 92 (3): 454–59, doi:10.1016/j.ajhg.2013.02.002, PMC 3591855 Freely accessible, PMID 23453668 (95% confidence interval 237–581 kya) (ইংরেজি ভাষায়)। 
  39. Krings M, Stone A, Schmitz RW, Krainitzki H, Stoneking M, Pääbo S (July 1997). "Neandertal DNA sequences and the origin of modern humans". Cell. 90 (1): 19–30. doi:10.1016/S0092-8674(00)80310-4. PMID 9230299. Hill, Deborah (16 March 2004) No Neandertals in the Gene Pool, Science. Serre, D; Langaney, A; Chech, M; Teschler-Nicola, M; Paunovic, M; Mennecier, P; Hofreiter, M; Possnert, G; Pääbo, S (2004). "No evidence of Neandertal mtDNA contribution to early modern humans". PLoS Biology. 2 (3): 313–7. doi:10.1371/journal.pbio.0020057. PMC 368159 Freely accessible. PMID 15024415. (ইংরেজি ভাষায়)। 
  40. Stephen., Oppenheimer, (২০০৩)। Out of Eden : the peopling of the world (ইংরেজি ভাষায়)। London: Constable। আইএসবিএন 1841196975 
  41. Trinkaus, E.; Moldovan, O.; Milota, Ș.; Bîlgăr, A.; Sarcina, L.; Athreya, S.; Bailey, S. E.; Rodrigo, R.; et al. (2003). "An early modern human from Peștera cu Oase, Romania". PNAS. 100 (20): 11231–11236. Bibcode:2003PNAS..10011231T. doi:10.1073/pnas.2035108100. PMC 208740 Freely accessible. PMID 14504393. (ইংরেজি ভাষায়)। 
  42. Reich, David; Green, Richard E.; Kircher, Martin; Krause, Johannes; Patterson, Nick; Durand, Eric Y.; Viola, Bence; Briggs, Adrian W.; et al. (2010). "Genetic history of an archaic hominin group from Denisova Cave in Siberia". Nature. 468 (7327): 1053–1060. Bibcode:2010Natur.468.1053R. doi:10.1038/nature09710. PMC 4306417 Freely accessible. PMID 21179161. (ইংরেজি ভাষায়)। 
  43. Trinkaus, Erik (October 2005). "Early modern humans". Annual Review of Anthropology. 34 (1): 207–30. doi:10.1146/annurev.anthro.34.030905.154913. (ইংরেজি ভাষায়)। 
  44. Meldrum, Jeff; Hilton, Charles E. (31 March 2004). From Biped to Strider: The Emergence of Modern Human Walking, Running, and Resource Transport. Springer Science & Business Media. ISBN 978-0-306-48000-3. Vonk, Jennifer; Shackelford, Todd K. (13 February 2012). The Oxford Handbook of Comparative Evolutionary Psychology. Oxford University Press, USA. pp. 429–. ISBN 978-0-19-973818-2. (ইংরেজি ভাষায়)। 
  45. Bozek, Katarzyna; Wei, Yuning; Yan, Zheng; Liu, Xiling; Xiong, Jieyi; Sugimoto, Masahiro; Tomita, Masaru; Pääbo, Svante; Pieszek, Raik; Sherwood, Chet C.; Hof, Patrick R.; Ely, John J.; Steinhauser, Dirk; Willmitzer, Lothar; Bangsbo, Jens; Hansson, Ola; Call, Josep; Giavalisco, Patrick; Khaitovich, Philipp (2014). "Exceptional Evolutionary Divergence of Human Muscle and Brain Metabolomes Parallels Human Cognitive and Physical Uniqueness". PLoS Biology. 12 (5): e1001871. doi:10.1371/journal.pbio.1001871. PMC 4035273 Freely accessible. PMID 24866127. (ইংরেজি ভাষায়)। 
  46. Thieme H. (2007). "Der große Wurf von Schöningen: Das neue Bild zur Kultur des frühen Menschen", pp. 224–228 in Thieme H. (ed.) Die Schöninger Speere – Mensch und Jagd vor 400 000 Jahren. Konrad Theiss Verlag, Stuttgart ISBN 3-89646-040-4 (ইংরেজি ভাষায়)। 
  47. Haidle M.N. (2006) "Menschenaffen? Affenmenschen? Mensch! Kognition und Sprache im Altpaläolithikum", pp. 69–97 in Conard N.J. (ed.) Woher kommt der Mensch. Attempto Verlag. Tübingen ISBN 3-89308-381-2 (ইংরেজি ভাষায়)। 
  48. Feierman, Jay R. (2009). The Biology of Religious Behavior: The Evolutionary Origins of Faith and Religion. ABC-CLIO. p. 220. ISBN 978-0-313-36430-3. (ইংরেজি ভাষায়)। 
  49. Soressi M. (2005) Late Mousterian lithic technology. Its implications for the pace of the emergence of behavioural modernity and the relationship between behavioural modernity and biological modernity, pp. 389–417 in L. Backwell et F. d’Errico (eds.) From Tools to Symbols, Johanesburg: University of Witswatersand Press. ISBN 1868144178. (ইংরেজি ভাষায়)। 
  50. Companion encyclopedia of archaeology (1999). Routledge. ISBN 0415213304. Vol. 2. p. 763 (cf., ... "effectively limited to organic samples" [ed. organic compounds ] "or biogenic carbonates that date to less than 50 ka (50,000 years ago)."). See also: Later Stone Age and Upper Paleolithic. (ইংরেজি ভাষায়)। 
  51. Mellars, Paul (2006). "Why did modern human populations disperse from Africa ca. 60,000 years ago?". Proceedings of the National Academy of Sciences. 103 (25): 9381–6. Bibcode:2006PNAS..103.9381M. doi:10.1073/pnas.0510792103. PMC 1480416 Freely accessible. PMID 16772383. (ইংরেজি ভাষায়)। 
  52. Shea, John (2011). "Homo sapiens Is As Homo sapiens Was". Current Anthropology. 52 (1): 1–35. doi:10.1086/658067. (ইংরেজি ভাষায়)। 
  53. McBrearty, Sally; Brooks, Allison (2000). "The revolution that wasn't: a new interpretation of the origin of modern human behavior". Journal of Human Evolution. 39 (5): 453–563. doi:10.1006/jhev.2000.0435. PMID 11102266. Henshilwood, Christopher; Marean, Curtis (2003). "The Origin of Modern Human Behavior: Critique of the Models and Their Test Implications". Current Anthropology. 44 (5): 627–651. doi:10.1086/377665. Marean, Curtis; et al. (2007). "Early human use of marine resources and pigment in South Africa during the Middle Pleistocene". Nature. 449 (7164): 905–908. Bibcode:2007Natur.449..905M. doi:10.1038/nature06204. PMID 17943129. Powell, Adam; et al. (2009). "Late Pleistocene Demography and the Appearance of Modern Human Behavior". Science. 324 (5932): 1298–1301. Bibcode:2009Sci...324.1298P. doi:10.1126/science.1170165. PMID 19498164. Premo, Luke; Kuhn, Steve (2010). "Modeling Effects of Local Extinctions on Culture Change and Diversity in the Paleolithic". PLoS ONE. 5 (12): e15582. Bibcode:2010PLoSO...515582P. doi:10.1371/journal.pone.0015582. PMC 3003693 Freely accessible. PMID 21179418. (ইংরেজি ভাষায়)। 
  54. "Scientists discover oldest known modern human fossil outside of Africa: Analysis of fossil suggests Homo sapiens left Africa at least 50,000 years earlier than previously thought". ScienceDaily. Retrieved 2018-01-28. (ইংরেজি ভাষায়)। 
  55. Ghosh, Pallab (2018). "Modern humans left Africa much earlier". BBC News. Retrieved 2018-01-28. (ইংরেজি ভাষায়)। 
  56. "Jawbone fossil found in Israeli cave resets clock for modern human evolution". Retrieved 2018-01-28. (ইংরেজি ভাষায়)। 
  57. Devlin, Hannah (2018-01-25). "Oldest known human fossil outside Africa discovered in Israel". the Guardian. Retrieved 2018-01-28. (ইংরেজি ভাষায়)। 
  58. Brace, C. Loring (1996). Haeussler, Alice M.; Bailey, Shara E., eds. "Cro-Magnon and Qafzeh — vive la Difference" (PDF). Dental anthropology newsletter: a publication of the Dental Anthropology Association. Tempe, AZ: Laboratory of Dental Anthropology, Department of Anthropology, Arizona State University. 10 (3): 2–9. ISSN 1096-9411. OCLC 34148636. Archived from the original (PDF) on 22 June 2010. Retrieved 31 March 2010. (ইংরেজি ভাষায়)। 
  59. Fagan, B.M. (1996). The Oxford Companion to Archaeology. Oxford, UK: Oxford University Press. p. 864. ISBN 978-0-19-507618-9. (ইংরেজি ভাষায়)। 
  60. d'Errico, F.; Backwell, L.; Villa, P.; Degano, I.; Lucejko, J. J.; Bamford, M. K.; Higham, T. F. G.; Colombini, M. P.; Beaumont, P. B. (2012). "Early evidence of San material culture represented by organic artifacts from Border Cave, South Africa". Proceedings of the National Academy of Sciences. 109 (33): 13214. Bibcode:2012PNAS..10913214D. doi:10.1073/pnas.1204213109. (ইংরেজি ভাষায়)। 
  61. Mourre, V.; Villa, P.; Henshilwood, C. S. (2010). "Early Use of Pressure Flaking on Lithic Artifacts at Blombos Cave, South Africa". Science. 330 (6004): 659. Bibcode:2010Sci...330..659M. doi:10.1126/science.1195550. PMID 21030655. (ইংরেজি ভাষায়)। 
  62. Brown, Kyle S.; Marean, Curtis W.; Jacobs, Zenobia; Schoville, Benjamin J.; Oestmo, Simen; Fisher, Erich C.; Bernatchez, Jocelyn; Karkanas, Panagiotis; Matthews, Thalassa (2012). "An early and enduring advanced technology originating 71,000 years ago in South Africa". Nature. 491 (7425): 590. Bibcode:2012Natur.491..590B. doi:10.1038/nature11660. PMID 23135405. (ইংরেজি ভাষায়)। 
  63. Long, Jeffrey C.; Li, Jie; Healy, Meghan E. (2009). "Human DNA sequences: More variation and less race". American Journal of Physical Anthropology. 139 (1): 23–34. doi:10.1002/ajpa.21011. PMID 19226648. (ইংরেজি ভাষায়)। 
  64. Scholz, C. A.; Johnson, T. C.; Cohen, A. S.; King, J. W.; Peck, J. A.; Overpeck, J. T.; Talbot, M. R.; Brown, E. T.; Kalindekafe, L.; Amoako, P. Y. O.; Lyons, R. P.; Shanahan, T. M.; Castaneda, I. S.; Heil, C. W.; Forman, S. L.; McHargue, L. R.; Beuning, K. R.; Gomez, J.; Pierson, J. (2007). "East African megadroughts between 135 and 75 thousand years ago and bearing on early-modern human origins". Proceedings of the National Academy of Sciences. 104 (42): 16416. Bibcode:2007PNAS..10416416S. doi:10.1073/pnas.0703874104. PMC 1964544 Freely accessible. PMID 17785420. (ইংরেজি ভাষায়)। 
  65. 1969-, Wells, Spencer, (২০০২)। The journey of man : a genetic odyssey (ইংরেজি ভাষায়)। Princeton, N.J.: Princeton University Press। আইএসবিএন 9780691115320 
  • M. Anne Katzenberg, Shelley R. Saunders (eds.), Biological Anthropology of the Human Skeleton (2008)
  • Fred H. Smith, James C. Ahern, The Origins of Modern Humans: Biology Reconsidered (2013)।

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]

সাধারণ তথ্য[সম্পাদনা]

প্রাকৃতিক ইতিহাসের জাদুঘর[সম্পাদনা]