শায়খ আবদুর রহমান
| এই নিবন্ধটি অসম্পূর্ণ। আপনি চাইলে এটিকে সম্প্রসারিত করে উইকিপিডিয়াকে সাহায্য করতে পারেন। |
শায়খ আবদুর রহমান | |
|---|---|
| মৃত্যু | ৩০ মার্চ ২০০৭ |
| মৃত্যুর কারণ | ফাঁসি |
| জাতীয়তা | বাংলাদেশি |
| অন্যান্য নাম | আবদুর রহমান শেখ |
| পেশা | জাগ্রত মুসলিম জনতা বাংলাদেশর প্রশাসনিক প্রধান |
শায়খ আবদুর রহমান, (মৃত্যু: মার্চ ৩০, ২০০৭) নিষিদ্ধ জামাত-উল-মুজাহিদীন বাংলাদেশ বা জেএমবির সর্বোচ্চ নেতা।[১]
পটভূমি
[সম্পাদনা]শায়খ আবদুর রহমান সৌদি আরবে ইসলামী ফিকহ ও আইন বিষয়ে শিক্ষিত ছিলেন। তিনি ধর্মনিরপেক্ষতার পৃষ্ঠপোষকতা এবং ইসলামী মূল্যবোধ ও নীতির অবমাননার জন্য জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশের তীব্র সমালোচনা ও অন্যান্য অনেকের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছিলেন। তাছাড়া তিনি জামাত-উল-মুজাহিদীন বাংলাদেশ (জেএমবি) গঠন করেন, তিনি শুধুমাত্র কুরআন ও সুন্নাহ সম্পর্কে তার ধারণার উপর ভিত্তি করে একটি ইসলামী রাষ্ট্র গঠনের উদ্যোগ নিয়েছিলেন। তবে বিরোধীদের হত্যা এবং নির্যাতন সহ উগ্র মৌলবাদী কার্যকলাপের অভিযোগে এই দলটি সারাদেশে কুখ্যাতি অর্জন করে।[২]
২০০৫ সালের ১৭ আগস্ট দেশের ৬৩টি জেলায় (মুন্সীগঞ্জ বাদে) এক সাথে বোমা হামলা চালিয়েছিল জেএমবি। গত শতকের শেষ দশকে গঠিত এই দলটি রাজশাহীর বাগমারায় উগ্র বামপন্থীদের দমন করেছিলো কিন্তু তাদের উপর কিছু নৃশংস হত্যাকাণ্ডের অভিযোগ উঠে এসেছিলো। বাংলাদেশ সরকার জেএমবি-সহ চারটি দল নিষিদ্ধ করে।
শায়খ আব্দুর রহমানকে আটক করা প্রসঙ্গে যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মির্জা আজম এমপি অভিযোগ করে বলেন যে এ সবই সরকারের সাজানো নাটক। উল্লেখ্য, শায়খ আব্দুর রহমান ও মির্জা আজমের মধ্যে বৈবাহিক সূত্রে আত্মীয়তার সম্পর্ক ছিল।[৩]
জঙ্গি কার্যকলাপ
[সম্পাদনা]- ১৭ আগস্ট ২০০৫ তারিখে, এই গোষ্ঠীটি বাংলাদেশে ৫০০ টিরও বেশি বোমা হামলার দায় স্বীকার করে। বাংলাদেশ সরকার সংগঠনটিকে নিষিদ্ধ করে এবং আবদুর রহমানকে ধরার জন্য পুরস্কার ঘোষণা করে।[২]
- ২০০৫ সালের শেষের দিকে, আবদুর রহমানকে বাংলাদেশে প্রথম আত্মঘাতী বোমা হামলা সহ আরও বেশ কয়েকটি বোমা হামলার মূল পরিকল্পনাকারী হিসেবে দোষারোপ করা হয়।[৪]
- আবদুর রহমান এবং বাংলা ভাই মাদ্রাসা এবং দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে, বেশিরভাগ ঘন বন এবং পাহাড়ি অঞ্চলে, সাংগঠনিক ঘাঁটি এবং জঙ্গি প্রশিক্ষণ শিবির স্থাপন করেছিলেন। তারা মসজিদ এবং মাদ্রাসা নির্মাণের জন্য বিদেশী দেশ থেকে বিপুল অর্থের সাহায্যে তাদের পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করেছিলেন।[৫]
গ্রেফতার
[সম্পাদনা]২০০৬ সালের ২রা মার্চ, আবদুর রহমানকে সিলেটের শাপলাবাগ থেকে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন গ্রেপ্তার করে।[৬]
মৃত্যু
[সম্পাদনা]ঝালকাঠির দুই বিচারককে হত্যা দায়ে আবদুর রহমান, সিদ্দিকুল ইসলাম বাংলা ভাই, আতাউর রহমান সানি, আবদুল আউয়াল, খালেদ সাইফুল্লাহ ও সালাহউদ্দিনকে ফাঁসির আদেশ দেয়া হয়। ২০০৭ সালের ৩০ মার্চ ফাঁসি কার্যকর করা হয়।[৭]
কীর্তি
[সম্পাদনা]ইসলামিক স্টেটের অফিসিয়াল ম্যাগাজিন 'দাবিক' "বাংলায় জিহাদের পুনরুজ্জীবন" শীর্ষক একটি নিবন্ধ প্রকাশ করেছে। নিবন্ধে ম্যাগাজিনটি শায়খ আবদুর রহমানকে বাংলাদেশে জিহাদের প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে চিহ্নিত করেছে এবং তার অনুসারীদের জিহাদের মাধ্যমে তার উত্তরাধিকার বজায় রাখার আহ্বান জানিয়েছে।
তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- ↑ "আবদুর রহমান থেকে তামিম চৌধুরী, বাংলাদেশে একটা অধ্যায় শেষ হল"। আনন্দবাজার। সংগ্রহের তারিখ ১ মে ২০২০।
{{ওয়েব উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: ইউআরএল-অবস্থা (লিঙ্ক) - 1 2 "শীর্ষ বাংলাদেশী জঙ্গি আটক"।
- ↑ "Mirza Azam terms arrest of Shaekh Rahman as drama"। bdnews24। 01 March, 2006।
{{সংবাদ উদ্ধৃতি}}:|তারিখ=এর মান পরীক্ষা করুন (সাহায্য) - ↑ "বাংলাদেশে ক্রমবর্ধমান চরমপন্থা"।
- ↑ "শীতনিদ্রার সময় নেই"।
- ↑ "গ্রেফতার"।
- ↑ "শায়খ আব্দুর রহমানসহ এ পর্যন্ত ৭ জেএমবি জঙ্গির ফাঁসি কার্যকর"। বাংলা ট্রিবিউন। সংগ্রহের তারিখ ১ মে ২০২০।
{{ওয়েব উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: ইউআরএল-অবস্থা (লিঙ্ক)[স্থায়ীভাবে অকার্যকর সংযোগ]