রেমন্ড চ্যান্ডলার

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
রেমন্ড চ্যান্ডলার
রেমন্ড চ্যান্ডলার প্রোমো ছবি.jpg
জন্মরেমন্ড থর্নটন চ্যান্ডলার
(১৮৮৮-০৭-২৩)২৩ জুলাই ১৮৮৮
শিকাগো, ইলিনয়, যুক্তরাষ্ট্র
মৃত্যুমার্চ ২৬, ১৯৫৯(1959-03-26) (বয়স ৭০)
লা জোল্লা, ক্যালিফোর্নিয়া, যুক্তরাষ্ট্র
সমাধিস্থলমাউন্ট হোপ সিমেট্রি (সান ডিয়েগো, ক্যালিফোর্নিয়া)
পেশাঔপন্যাসিক
জাতীয়তামার্কিন (1888–1907, 1956–1959)
ব্রিটিশ (1907–1956)
সময়কাল১৯৩৩–৫৯
ধরনঅপরাধ কাহিনী, সাসপেন্স, হার্ডবয়েলড

রেমন্ড থর্নটন চ্যান্ডলার (১৮৮৮ – ১৯৫৯) ছিলেন একজন ব্রিটিশ-মার্কিন ঔপন্যাসিক এবং টিত্রনাট্যকার। ১৯৩২ সালে ৪৪ বছর বয়সে তেল কোম্পানিতে নির্বাহির চাকরি হারিয়ে তিনি গোয়েন্দা কাহিনী লিখতে শুরু করেন। তার প্রথম ছোটগল্প "ব্ল্যাকমেলারস ডোন্ট শুট" প্রকাশিত হয় ১৯৩৩ সালে জনপ্রিয় পাল্প ম্যাগাজিন ব্ল্যাক মাস্ক-এ। আর প্রথম উপন্যাস দ্য বিগ স্লিপ প্রকাশিত হয় ১৯৩৯ সালে। ছোটগল্পগুলোর পাশাপাশি রেমন্ড তার জীবনকালে সাতটি উপন্যাস প্রকাশ করেন (অষ্টমটি রচনাকালে তার মৃত্যু হয়, টরে রবার্ট বি পার্কার তা সম্পূর্ণ করেন)। প্লেব্যাক ছাড়া অন্য সবগুলো উপন্যাস চলচ্চিত্রায়িত হয়েছে, কোনো কোনোটা একাধিকবার। মৃত্যুর আগের বছর তাকে মিস্ট্রি রাইটার্স অফ আমেরিকার সভাপতি করা হয়। ১৯৫৯ সালের ২৬শে মার্চ তিনি ক্যালিফোর্নিয়ার লা জোলাতে মৃত্যুবরণ করেন।[১]

আমেরিকার জনপ্রিয় ধারার সাহিত্যে চ্যান্ডলারের স্টাইল তীব্র প্রভাব ফেলে। ড্যাশিয়েল হ্যামেট, জেমস এম. কাইন এবং ব্ল্যাক মাস্কের অন্য লেখকদের সাথে তাকেও গোয়েন্দা কাহিনীর হার্ডবয়েলড ধারার একজন প্রবর্তক মনে করা হয়। তার উপন্যাগুলোর নায়ক ফিলিপ মার্লোকে, হ্যামেটের স্যাম স্পেডের মতো, কেউ কেউ "প্রাইভেট ডিটেকটিভ"-এর সমার্থক ভেবে থাকে। চলচ্চিত্রে হামফ্রে বোগার্ট দুটো চরিত্রেই অভিনয় করেছেন, তবে অনেকেই তাকে মার্লো হিসেবেই উপযুক্ত মনে করেন।

চ্যান্ডলারের কয়েকটি উপন্যাসকে গুরুত্বপূর্ণ সাহিত্যসৃষ্টি বলে গণ্য করা হয় এবং তার মধ্যে তিনটাকে বলা হয় মাস্টারপিস: ফেয়ারওয়েল, মাই লাভলি (১৯৪০), দ্য লিটল সিস্টার (১৯৪৯) এবং দ্য লং গুডবাই (১৯৫৩)। শেষোক্তটি সম্পর্কে মার্কিন অপরাধ গল্পের এক সংকলনে বলা হয় "তর্কসাপেক্ষ হলেও ২০ বছর আগে প্রকাশিত হ্যামেটের দ্য গ্লাস কি-র পর প্রথম সিরিয়াস এবং মূলধারার উল্লেখযোগ্য উপন্যাস যেটাতে রহস্যের উপাদানগুলো রয়ে গেছে।"[২]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. Chandler, Raymond (1950). Trouble Is My Business. Vintage Books, 1988, "About the Author".
  2. Pronzini, p. 169,