যোগমায়া
অবয়ব
| যোগমায়া | |
|---|---|
বিভ্রমের দেবী[১] | |
দেবী নারায়ণীর মন্দির, লোনাওয়ালা | |
| অন্যান্য নাম | মহামায়া, দুর্গা, বিন্ধ্যবাসিনী, নারায়ণী, ভদ্রকালী, অম্বিকা, একানাংশা, শারদা |
| অন্তর্ভুক্তি | শাক্তধর্ম, বৈষ্ণব সম্প্রদায় |
| আবাস | বৈকুণ্ঠ, বিন্ধ্য পর্বতমালা |
| গ্রন্থসমূহ | ভাগবত পুরাণ |
| উৎসব | বৈকুণ্ঠ একাদশী |
| ব্যক্তিগত তথ্য | |
| জন্ম | |
| মাতাপিতা | নন্দ (পিতা), যশোদা (মাতা) |
| রাজবংশ | যদুবংশ |
যোগমায়া (সংস্কৃত: योगमाया) হিন্দুধর্মের এক দেবী। বিন্ধ্যবাসিনী, মহামায়া এবং একানংশা নামেও একে পূজা করা হয়।
বৈষ্ণব আচারানুষ্ঠানে তাঁকে নারায়ণী উপাধি দেওয়া হয়,[২][৩] এবং বিষ্ণুর মায়া শক্তির মূর্তি হিসেবে উপাসনা করা হয়।[৪] ভাগবত পুরাণে দেবতাকে দেবী দুর্গার কল্যাণকর দিক হিসাবে বিবেচনা করা হয়েছে। শাক্তরা তাকে মহাশক্তির রূপ বলে মনে করেন। হিন্দু ধর্মগ্রন্থে উল্লেখ্য তিনি নন্দ ও যশোদার কন্যা হিসাবে যাদব পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন।[৫]
তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- ↑ The Goddess in India: The Five Faces of the Eternal Feminine। Simon and Schuster। সেপ্টেম্বর ২০০০। আইএসবিএন ৯৭৮১৫৯৪৭৭৫৩৭৬।
- ↑ Sinha, Purnendu Narayana (১৯০১)। A Study of the Bhagavata Purana: Or, Esoteric Hinduism (ইংরেজি ভাষায়)। Freeman & Company, Limited। পৃ. ২৪৭।
- ↑ Parthasarathy, V. R.; Parthasarathy, Indu (২০০৯)। Devi: Goddesses in Indian Art and Literature (ইংরেজি ভাষায়)। Bharatiya Kala Prakashan। পৃ. ১৩৩। আইএসবিএন ৯৭৮-৮১-৮০৯০-২০৩-১।
- ↑ Beck, Guy L. (১ ফেব্রুয়ারি ২০১২)। Alternative Krishnas: Regional and Vernacular Variations on a Hindu Deity (ইংরেজি ভাষায়)। State University of New York Press। পৃ. ১৭০। আইএসবিএন ৯৭৮-০-৭৯১৪-৮৩৪১-১।
- ↑ Knapp, Stephen (২০১২)। Hindu Gods & Goddesses (ইংরেজি ভাষায়)। Jaico Publishing House। পৃ. ৩২। আইএসবিএন ৯৭৮-৮১-৮৪৯৫-৩৬৬-৪।