মোহাম্মদ ইলিয়াস

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
মোহাম্মদ ইলিয়াস
ভাষাসৈনিক ইলিয়াস IMG.jpg
মোহাম্মদ ইলিয়াস
সিলেট-১৫ (বিলুপ্ত) আসনের সংসদ সদস্য
কাজের মেয়াদ
১৯৭৯ – ১৯৮২
পূর্বসূরীআলতাফুর রহমান চৌধুরী
মৌলভীবাজার-৪ আসনের সংসদ সদস্য
কাজের মেয়াদ
১৯৮৬ – ১৯৮৮
পূর্বসূরীআসন শুরু
উত্তরসূরীআহাদ মিয়া
ব্যক্তিগত বিবরণ
জন্ম১ অক্টোবর ১৯২৯
কুশালপুর গ্রাম, কমলগঞ্জ, মৌলভীবাজার, আসাম, ব্রিটিশ ভারত
(বর্তমান বাংলাদেশ)
মৃত্যু২১ নভেম্বর ১৯৮৭
শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, ঢাকা
নাগরিকত্বব্রিটিশ ভারত (১৯৪৭ সাল পর্যন্ত)
পাকিস্তান (১৯৭১ সালের পূর্বে)
বাংলাদেশ
রাজনৈতিক দলবাংলাদেশ আওয়ামী লীগ
সন্তান৬ মেয়ে ১ ছেলে
প্রাক্তন শিক্ষার্থীমৌলভীবাজার সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়, ঢাকা কলেজ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়

মোহাম্মদ ইলিয়াস (১ অক্টোবর ১৯২৯-২১ নভেম্বর ১৯৮৭) বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের রাজনীতিবিদ, ভাষা সৈনিক, স্বাধীনতার সংগঠক, পূর্ব পাকিস্থানের এমএলএ ও সাবেক সাংসদ[১][২][৩]

জন্ম ও প্রাথমিক জীবন[সম্পাদনা]

মোহাম্মদ ইলিয়াস ১ অক্টোবর ১৯২৯ সালের মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জের কুশালপুর গ্রামে জন্ম গ্রহণ করেন। তার পিতা মৌলভী মোহাম্মদ তাহির ও মাতা মোছাঃ জুবায়দা খাতুন। তিনি মৌলভীবাজার সরকারী উচ্চ বিদ্যালয় থেকে প্রবেশিকা পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন। এর পর ঢাকা কলেজ থেকে তিনি আইএসসি পাশ করেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমএসি পাশ করেন।

রাজনৈতিক ও কর্মজীবন[সম্পাদনা]

ইলিয়াস ১৯৪৮ সালে রাজনীতিতে যোগদান করেন। তিনি রাষ্ট্র ভাষা আন্দোলনের সক্রিয় সদস্য ও পূর্ব পাকিস্তান ছাত্র ইউনিয়নের প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক ছিলেন। ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান সক্রিয় অংশগ্রহণ ছিল তার। তিনি ১৯৬৭ সালে শ্রীমঙ্গলে স্থায়ী বসবাস শুরু করেন। ১৯৬৯ সালে তিনি পূর্ব পাকিস্থানের এমএলএ নির্বাচিত হন। ১৯৬৯ সালের শেষ দিকে আওয়ামীলীগে যোগ দিয়ে কেন্দ্রীয় সদস্য হিসেবে আমৃত্যু দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৭০ ও ১৯৭৯ সালের নির্বাচনে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন তিনি।

মৃত্যু[সম্পাদনা]

মোহাম্মদ ইলিয়াস ২১ নভেম্বর ১৯৮৭ সালে ৪৮ বছর বয়সে শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেন।

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]