মেহতাব (অভিনেত্রী)

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
মেহতাব
মেহতাব (অভিনেত্রী).jpg
জন্ম
নাজমা খান

(১৯১৮-০৪-২৮)২৮ এপ্রিল ১৯১৮
মৃত্যু১০ এপ্রিল ১৯৯৭(1997-04-10) (বয়স ৭৮)
সমাধিবড় কবরস্থান, মেরিন লাইনস, মুম্বই
পেশাঅভিনেত্রী
কর্মজীবন১৯২৮–৬৯
দাম্পত্য সঙ্গীআশরাফ খান (তালাকপ্রাপ্ত)
শোহরাব মোদী (১৯৪৬-৮৪)
সন্তান

মেহতাব (১৯১৮ – ১৯৯৭) হিন্দি এবং উর্দু চলচ্চিত্রের একজন ভারতীয় অভিনেত্রী যিনি ১৯২৮ থেকে ১৯৬৯ সাল পর্যন্ত কাজ করেছিলেন।[১] তিনি গুজরাতের শচীন অঞ্চলের এক মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেছিলেন। জন্মের সময় তাঁর নাম রাখা হয়েছিল নাজমা। তাঁর বাবা, নবাব সিদি ইব্রাহিম মোহাম্মদ ইয়াকুত খান তৃতীয়, গুজরাট রাজ্যের সুরতের নিকটবর্তী শচীনের নবাব ছিলেন।[২] ১৯২০-এর দশকের শেষদিকে, তিনি সেকেন্ড ওয়াইফ (১৯২৮), ইন্দিরা বি. এ. (১৯২৯) এবং জয়ন্ত (১৯২৯)-এর মতো বেশ কয়েকটি চলচ্চিত্রের ছোট চরিত্রে অভিনয় করেছেন। অতঃপর ১৯৩২ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত বীর কুনাল নামক একটি হিন্দি চলচ্চিত্রে আশরাফ খানের বিপরীতে কেন্দ্রীয় চরিত্রে তিনি অভিনয় করেছিলেন। প্রায় এক দশক ধরে মূলত অ্যাকশন ভিত্তিক চরিত্রে অভিনয় করার পরে, তিনি কিদার শর্মা পরিচালিত চিত্রলেখা (১৯৪১) নামক চলচ্চিত্রে তাঁর স্নানের দৃশ্যের কারণে দর্শকের নজর কাড়ার পাশাপাশি খ্যাতি অর্জন করেছিলেন।[৩]

তিনি তাঁর প্রারম্ভিক সহশিল্পী আশরাফ খানের সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছিলেন; যাঁর সাথে তাঁর একটি পুত্র সন্তান ছিল। পরে তাঁদের বিবাহ বিচ্ছেদ ঘটে এবং তিনি ১৯৪৬ সালে শোহরাব মোদীকে বিয়ে করেন। মোদী তাঁকে ঐতিহাসিক নাটক ঝাঁসি কি রানী (১৯৫৩)-তে কাজ করার সুযোগ করে দিয়েছিলেন, যেটি মনোরম দৃশ্য এবং দৃষ্টিনন্দন সেট থাকা সত্ত্বেও জনপ্রিয়তা অর্জন করতে পারেনি।[৪] তিনি ১৯৫৩ সালের পরে মোদীর সময় বড়া বলবান (১৯৬৯)-এ একজন শিল্পীর চরিত্রে অভিনয় করার পর চলচ্চিত্র জগত থেকে বিদায় নেন। তিনি ১৯৯৭ সালের ১০ই এপ্রিল তারিখে মুম্বইয়ে মারা যান।[৫]

পেশা[সম্পাদনা]

মেহতাব ১৯৩০ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত কমল-এ-শমশীর নামক চলচ্চিত্রে ডব্লিউ. এম. খানের সাথে অভিনয় করেছিলেন, এই চলচ্চিত্রটি তাঁর মা এক্সেলসিয়র ফিল্ম কোম্পানির অধীনে প্রযোজনা করেছিলেন।[২] তাঁর অন্যান্য চলচ্চিত্রগুলোর মধ্যে হামারা হিন্দুস্তান (১৯৩০) অন্যতম, যেটি একটি নির্বাক চলচ্চিত্র। এই চলচ্চিত্রে তাঁর সাথে রুবি মায়ার্স, জল মার্চেন্ট এবং মাজহার খান অভিনয় করেছেন।[৬] তিনি বেশ কয়েকজন পরিচালকের অধীনে শারদা ফিল্ম কোম্পানির প্রযোজনায় বেশ কয়েকটি অ্যাকশন চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন। অবশেষে ১৯৩২ সালে, তিনি ভারতীয় আর্ট প্রোডাকশনের ব্যানারে বীর কুনাল নামক চলচ্চিত্রে প্রধান নারী চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন; এই চলচ্চিত্রে তিনি আশরাফ খানের বিপরীতে (যাঁর সাথে তিনি বিবাহ করার পর বিচ্ছিন্ন হয়েছিলেন) অভিনয় করেছিলেন।

পুরস্কার[সম্পাদনা]

১৯৪৪ সালে, পরখ নামক হিন্দি চলচ্চিত্রে তাঁর অভিনয়ের জন্য তিনি ৮ম বার্ষিক বিএফজেএ পুরস্কার অনুষ্ঠানে "সেরা অভিনেত্রী" বিভাগে পুরস্কার লাভ করেছিলেন।[৭]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "Yesteryear actress Mehtab remembers her husband Sohrab Modi"cineplot.com। Cineplot.com। সংগ্রহের তারিখ ২৫ ডিসেম্বর ২০১৪ 
  2. "Mehtab-biography"cinegems.in। Cinegems.in। ২৫ ডিসেম্বর ২০১৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২৫ ডিসেম্বর ২০১৪ 
  3. Kidar Sharma (২০০২)। The one and lonely Kidar Sharma, (an anecdotal autobiography)। Bluejay Books। পৃষ্ঠা 178। আইএসবিএন 978-81-87075-96-7। সংগ্রহের তারিখ ২৫ ডিসেম্বর ২০১৪ 
  4. B D Garga (১ ডিসেম্বর ২০০৫)। Art Of Cinema। Penguin Books Limited। পৃষ্ঠা 57–। আইএসবিএন 978-81-8475-431-5। সংগ্রহের তারিখ ১৮ ডিসেম্বর ২০১৪ 
  5. "People-Mehtab"muvyz.com। Muvyz, Inc। সংগ্রহের তারিখ ২৫ ডিসেম্বর ২০১৪ 
  6. "Hamara Hindustan"। Chiloka.com। সংগ্রহের তারিখ ২৫ ডিসেম্বর ২০১৪ 
  7. "BFJA Award winners 1945"bfjaaward.com। Bengal Film Journalists' Association। |আর্কাইভের-ইউআরএল= এর |আর্কাইভের-তারিখ= প্রয়োজন (সাহায্য) তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২৭ ডিসেম্বর ২০১৪  অজানা প্যারামিটার |আর্কাইভের-তারখ= উপেক্ষা করা হয়েছে (সাহায্য)

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]