মেকনেস
| মেকনেস مكناس | |||||||||||
|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|
| শহর | |||||||||||
উপরের দিক থেকে ঘড়ির কাঁটার দিকে: প্লেস এল-হেদিম ও বাব মানসুর, সাহরিজ এস-সওয়ানি, মাউলায় ইসমাইলের সমাধি, বু ইনানিয়া মাদ্রাসা, বাব এল-খেমিস | |||||||||||
| মরক্কোতে অবস্থান | |||||||||||
| স্থানাঙ্ক: ৩৩°৫৩′৪২″ উত্তর ৫°৩৩′১৭″ পশ্চিম / ৩৩.৮৯৫০০° উত্তর ৫.৫৫৪৭২° পশ্চিম | |||||||||||
| দেশ | |||||||||||
| অঞ্চল | ফেস-মেকনেস | ||||||||||
| প্রিফেকচার | মেকনেস | ||||||||||
| সরকার | |||||||||||
| • মেয়র | আব্দেল্লাহ বুয়ানু[১] | ||||||||||
| • প্রিফেক্ট | আব্দেলঘানি সেববার[২] | ||||||||||
| আয়তন | |||||||||||
| • মোট | ৩৭০ বর্গকিমি (১৪০ বর্গমাইল) | ||||||||||
| উচ্চতা | ৫৪৬ মিটার (১,৭৯২ ফুট) | ||||||||||
| জনসংখ্যা (সেপ্টেম্বর ২০১৪)[৩] | |||||||||||
| • মোট | ৬,৩২,০৭৯ | ||||||||||
| • ক্রম | মরক্কোতে ৬ষ্ঠ[৩] | ||||||||||
| • পৌরসভা | ৫,২০,৪২৮[৪][৫] | ||||||||||
| সময় অঞ্চল | সিইটি (ইউটিসি+১) | ||||||||||
| • গ্রীষ্মকালীন (দিসস) | পশ্চিম (ইউটিসি+০১:০০) (ইউটিসি) | ||||||||||
| পোস্টাল কোড | ৫০০০০ | ||||||||||
| ওয়েবসাইট | www | ||||||||||
| |||||||||||
মেকনেস (ফরাসি: Meknès; আরবি: مكناس, প্রতিবর্ণীকৃত: maknās, আ-ধ্ব-ব: [maknaːs]; আমাজিগ: ⴰⵎⴽⵏⴰⵙ, প্রতিবর্ণীকৃত: amknas) মরক্কোর চারটি সাম্রাজ্যিক শহরের একটি। মরক্কোর উত্তর-মধ্যভাগে মেকনেস প্রদেশে অবস্থিত শহরটি জনসংখ্যার বিচারে দেশটির ষষ্ঠ বৃহত্তম শহর। শহরটি ভৌগোলিকভাবে মধ্য অ্যাটলাস পর্বতমালার উত্তরে একটি উর্বর সমভূমিতে ফেস শহরের কাছে অবস্থিত। আলমোভারিদ রাজারা খ্রিস্টীয় ১১শ শতকে একটি সামরিক বসতি হিসেবে এটিকে প্রতিষ্ঠা করেন। সুলতান ইসমাইল ইবনে শরীফের শাসনামলে (১৬৭২-১৭২৭) এটি মরক্কোর রাজধানীতে পরিণত হয় (১৬৭৫ থেকে ১৭২৮ সাল পর্যন্ত)। ইসমাইল ছিলেন আলাউইত রাজবংশের প্রতিষ্ঠাতার সন্তান। ইসমাইল মেকনেসে এক বিশাল সম্রাটের প্রাসাদ ভবন-সমবায় ও শহরটিতে ব্যাপক তিন স্তরের দুর্গপ্রাচীর ও বিশাল প্রবেশদ্বার (সবচেয়ে বড়টির নাম বাব মানসুর) নির্মাণ করান।[৬] মেকনেসকে তাই "মরক্কোর ভের্সাই" নামেও ডাকা হয়।
২০১৪ খ্রিস্টাব্দের জনগণনা অনুযায়ী শহরের জনসংখ্যা ছিল ৬ লক্ষ ৩২ হাজার।[৩] এর আয়তন প্রায় ৫৫০ বর্গকিলোমিটার। এটি মেকনেস প্রেফেকত্যুরের (জেলা) কেন্দ্র ও ফেস-মেকনেস অঞ্চলের একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক কেন্দ্র। এখান থেকে রেলপথে আটলান্টিক উপকূলের সাথে এবং সড়কপথে সন্নিকটস্থ পার্বত্য অবকাশযাপন কেন্দ্রগুলির সংযুক্তি আছে। এখানে ফল, সবজি ও পাম তেল প্রক্রিয়াজাতকরণ, ধাতুকর্ম, চোলাইকরণ, গালিচা, পশমের বস্ত্র ও সিমেন্টের কারখানা আছে। আশেপাশের অঞ্চলে ফল, খাদ্যশস্য ও শাকসবজি উৎপাদিত হয়।
১৯৯৬ সালে মেকনেসের পুরাতন শহরটিকে (মেদিনা) একটি বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থানের মর্যাদা দেওয়া হয়। এখানে সযত্নে সংরক্ষিত মধ্যযুগীয় স্থাপত্য ও প্রাণবন্ত সুক বাজার ও ঐতিহাসিক সব সৌধ রয়েছে। শহরের উত্তরে প্রাচীন রোমান ভোলুবিলিস শহরের ধ্বংসাবশেষ (যেটিকে ১৯৯৭ সালে ইউনেস্কো বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থানের মর্যাদা দেওয়া হয়) এবং পবিত্র মুলে-ইদ্রিস শহর (৭৮৮ খ্রিস্টাব্দে প্রতিষ্ঠিত) অবস্থিত। দার জামাই জাদুঘরটিকে একটি প্রাক্তন প্রাসাদে স্থাপন করা হয়েছে, যেখানে মরক্কোর শিল্পকলা ও কারুশিল্প যেমন মৃৎশিল্প, বস্ত্রশিল্প ও ঐতিহ্যবাহী বাদ্যযন্ত্রগুলি প্রদর্শন করা হয়। মুলে ইসমাইলের সমাধিটি মরক্কোর স্থাপত্যশৈলীর এক অনন্য নিদর্শন।
তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- ↑ "Mayor roles and responsibilities", Meknes Web Site, web: Meknes Web Site ওয়েব্যাক মেশিনে আর্কাইভকৃত ১ অক্টোবর ২০১৭ তারিখে
- ↑ "Prefect Biography", Meknes Web Site, web: Meknes Web Site ওয়েব্যাক মেশিনে আর্কাইভকৃত ৭ মার্চ ২০১৭ তারিখে
- 1 2 3 "Note de présentation des premiers résultats du Recensement Général de la Population et de l'Habitat 2014" (ফরাসি ভাষায়)। High Commission for Planning। ২০ মার্চ ২০১৫। পৃ. ৮। সংগ্রহের তারিখ ৯ অক্টোবর ২০১৭।
- ↑ "التعريف بالمدينة" (আরবি ভাষায়)। Meknes City Council। ১১ অক্টোবর ২০১৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৫ অক্টোবর ২০১৭।
- ↑ উদ্ধৃতি ত্রুটি:
<ref>ট্যাগ বৈধ নয়;census2014নামের সূত্রটির জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি - ↑ "Historic City of Meknes"। UNESCO World Heritage Centre (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ৪ আগস্ট ২০২০।