মাহি বি চৌধুরী

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
মাহি বদরুদ্দোজা চৌধুরী
Mahi B. Chowdhury (1) (cropped).jpg
২০১৮ সালে মাহি
মুন্সীগঞ্জ-১ আসনের
সংসদ সদস্য
কাজের মেয়াদ
২০০২ – ২৮ অক্টোবর ২০০৬
পূর্বসূরীএকিউএম বদরুদ্দোজা চৌধুরী
উত্তরসূরীসুকুমার রঞ্জন ঘোষ
দায়িত্বাধীন
অধিকৃত কার্যালয়
৩০ ডিসেম্বর ২০১৮
পূর্বসূরীসুকুমার রঞ্জন ঘোষ
ব্যক্তিগত বিবরণ
জন্ম৩ মার্চ ১৯৭০
রাজনৈতিক দলবিকল্পধারা বাংলাদেশ
অন্যান্য
রাজনৈতিক দল
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল
দাম্পত্য সঙ্গীআশফা চৌধুরী লোপা[১]
সম্পর্ককফিল উদ্দিন চৌধুরী (পিতামহ)
পিতামাতাএকিউএম বদরুদ্দোজা চৌধুরী
হাসিনা ওয়ার্দা চৌধুরী
শিক্ষারাষ্ট্রবিজ্ঞান
প্রাক্তন শিক্ষার্থীসান্টা ক্লারা বিশ্ববিদ্যালয়

মাহি বদরুদ্দোজা চৌধুরী (জন্ম: ৩ মার্চ ১৯৭০) যিনি মাহি বি চৌধুরী নামে অধিক পরিচিত। একজন বাংলাদেশী রাজনীতিবিদ ও সংসদ সদস্য। তিনি বর্তমানে বিকল্পধারা বাংলাদেশ দলের যুগ্ম মহাসচিব। তিনি বাংলাদেশের সাবেক রাষ্ট্রপতি একিউএম বদরুদ্দোজা চৌধুরীর সন্তান।

প্রাথমিক জীবন[সম্পাদনা]

মাহি বি চৌধুরী ৩ মার্চ ১৯৭০ সালে মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগরে বীরতারা ইউনিয়নের মজিদপুর দয়হাটা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। যুক্তরাস্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার সান্তা ক্লারা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রাষ্ট্রবিজ্ঞানে স্নাতক সম্পন্ন করেন।

তার পিতা বাংলাদেশের ১৪তম রাষ্ট্রপতি একিউএম বদরুদ্দোজা চৌধুরী ও মাতা হাসিনা ওয়ার্দা চৌধুরী। পিতামহ কফিল উদ্দিন চৌধুরী পূর্ব পাকিস্তানের যুক্তফ্রন্ট সরকারের মন্ত্রী এবং পাকিস্তানের প্রাদেশিক ও জাতীয় পরিষদের সদস্য ছিলেন।[২][৩][৪]

কর্মজীবন[সম্পাদনা]

মাহি ১৯৯২ সালের আগস্ট মাসে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) তে যোগদান করেন। ২০০২ সালে একিউএম বদরুদ্দোজা চৌধুরী রাষ্ট্রপতি হওয়ায় মুন্সীগঞ্জ-১ আসন খালি হয়ে যায়, পরবর্তিতে উপ-নির্বাচনে অংশ নিয়ে মাহি বি চৌধুরী প্রথম বারের মত সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।[৫]

২০০২ সালের ২১ জুন, সম্ভাব্য অভিশংসনের সম্মুখীন হওয়ায় মাহির বাবা রাষ্ট্রপতির পদ থেকে পদত্যাগ করেন। পরবর্তীকালে ২০০৪ সালের ১০ মার্চ বিএনপি থেকে তিনি পদত্যাগ করেন। পরবর্তীতে মাহি ২০০৪ সালের ১০ মার্চ বিএনপি থেকে পদত্যাগ করেন। তারপর তিনি বিকল্পধারা বাংলাদেশে যোগ দেন – একটি রাজনৈতিক দল যা তার বাবা প্রতিষ্ঠা করেন। তার পদত্যাগের ফলে মুন্সীগঞ্জ-১ সংসদীয় আসনটি খালি হয়ে যায় ও ৬ জুন ২০০৪ তারিখে পুনর্নিবাচন অনুষ্ঠিত হয়। চৌধুরী একই আসনের নির্বাচনে বিডিবি দলের সদস্য হিসাবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন এবং বিএনপি প্রার্থী মমিন আলীকে পরাজিত করে নির্বাচনে জয়ী হন।[৫]

মাহি ২০১৮ সালের সাধারণ নির্বাচনে পুনরায় বিকল্প ধারা থেকে মুন্সীগঞ্জ-১ আসন হতে মোয়াজ্জেম হোসেনকে পরাজিত করে সাংসদ নির্বাচিত হন।[৬]

২০১৮ সালের নির্বাচনে তার বাবা বি চৌধুরীর নেতৃত্বে বি.এন.পি, জাসদ(রব), নাগরিক ঐক্য, কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ, ও গণফোরামকে সাথে নিয়ে যুক্তফ্রন্ট গঠন করেন। পরবর্তীতে মাহি তরুণ প্রজন্মের নিকট প্ল্যান বি উপস্থাপন করেন। যুক্তফ্রন্টের মধ্যে এসময় ভুল বুঝাবুঝির সৃষ্টি হয়। মাহি জামায়াতের সাথে একত্রে নির্বাচনে যেতে নারাজ হলে আভ্যন্তরিক সমস্যায় বিকল্পধারাকে ঐক্য থেকে বাদ দেয়া হয়। মুক্তিযুদ্ধের চেতনা নিয়ে প্রশ্ন উঠায় বিকল্পধারা বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের সাথে জোটবদ্ধভাবে নির্বাচন করে এবং বিকল্পধারা ২০১৮ সালের নির্বাচনে ৩টি আসন লাভ করে।

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. সরকার, চিররঞ্জন (২৮ আগস্ট ২০১৮)। "তাহাদের কথা ২: নৈতিকতা বনাম ডা. বদরুদ্দোজা চৌধুরী | মতামত"opinion.bdnews24.com। সংগ্রহের তারিখ ১৭ অক্টোবর ২০১৮ 
  2. "চৌধুরী, কফিলউদ্দীন"bn.banglapedia.org। Banglapedia। ২৩ নভেম্বর ২০১৪। সংগ্রহের তারিখ ৩ জানুয়ারি ২০২২ 
  3. "বীরতারা ইউনিয়নের বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব"বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন। ২৭ জানুয়ারি ২০২০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৩ জানুয়ারি ২০২২ 
  4. Zaman, Habibuz। Seventy Years in a Shaky Subcontinent (ইংরেজি ভাষায়)। Janus Publishing Company Lim। পৃষ্ঠা 282। আইএসবিএন 9781857564051। সংগ্রহের তারিখ ৩ জানুয়ারি ২০২২ 
  5. "৮ম জাতীয় সংসদে নির্বাচিত মাননীয় সংসদ-সদস্যদের নামের তালিকা" (PDF)জাতীয় সংসদবাংলাদেশ সরকার। ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৮ তারিখে মূল (PDF) থেকে আর্কাইভ করা। 
  6. "১১তম সংসদের সদস্যবৃন্দ"জাতীয় সংসদ। ২১ ফেব্রুয়ারি ২০১৯। ২০১৯-১০-১৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১৪ অক্টোবর ২০১৯