মার্লিন জুক

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
মার্লিন জুক
Marlene Zuk, Palmerston North City Library.JPG
২০১৪ সালে পালমারস্টন নর্থ সিটি লাইব্রেরি তে মার্লিন জুক
জন্ম (1956-05-20) ২০ মে ১৯৫৬ (বয়স ৬৩)
Philadelphia, Pennsylvania, U.S.[১]
নাগরিকত্বUnited States
কর্মক্ষেত্রEvolutionary biology, behavioral ecology
প্রতিষ্ঠানUniversity of California, Riverside
University of Minnesota
প্রাক্তন ছাত্রUniversity of California, Santa Barbara
University of Michigan
সন্দর্ভসমূহSexual selection, mate choice and gregarine parasite levels in the field crickets Gryllus veletis and G. pennsylvanicus (1986)
স্ত্রী/স্বামীজন রোটেনবেরী

মার্লিন জুক (১৯৫৬ সালের ২০ মে জন্মগ্রহণ করেন) হচ্ছেন একজন আমেরিকান বিবর্তনীয় জীববিজ্ঞানী এবং বাস্তুসংস্থানবিদ। তিনি ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়া রিভারসাইড (UCR) এর অধ্যাপিকা হিসেবে কর্মরত ছিলেন পরবর্তীতে তিনি ২০১২ সালে মিনেনটোসা বিশ্ববিদ্যালয়ে ট্রান্সফার হন। তার গবেষণার উল্লেখযোগ্য বিষয় লিঙ্গ নির্ধারণ এবং পরজীবি নিয়ে ছিল।[২]

জীবনীপঞ্জী[সম্পাদনা]

জুক জন্মগ্রহণ করেছেন পেনিসিলভেনিয়ার ফিলাডেলফিয়ায়[১] এবং তিনি লস এঞ্জেলসের কাছাকাছি থাকেন।[৩] তিনি কিশোর বয়সেই পতঙ্গের দিকে আকৃষ্ট হোন। ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সান্তা বারবারাতে, জুক ইংরেজি পড়তে শুরু করেন, কিন্তু পরে তিনি সিদ্ধান্ত নেন, তিনি জীববিজ্ঞান পড়বেন।[৪] ব্যাচেলর ডিগ্রি অর্জনের পর, তিনি তিনবছর ধরে শিক্ষকতা করেন এবং লেখালেখি করেন।[৫]

১৯৮২ সালে, তিনি এবং ডব্লিউ ডি হ্যামিল্টন যৌন নির্বাচন এর উপর "ভালো জিন" এর প্রভাব আছে, এই ধরনের তত্ত্ব প্রস্তাব করেন।[৬] ১৯৮৬ সালে জুক মিচিগান ইউনিভার্সিটিতে অধ্যয়ন শুরু করেন, এবং পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন।[৫][৭] নিউ মেক্সিকোর ইউনিভার্সিটিতে পোস্টডক্টরাল রিসার্চ তিনি সম্পন্ন করেন.[৫] তিনি ১৯৮৯ সালে UCR ফ্যাকাল্টিতে যোগদান করেন।[৩] ২০১২ সালের এপ্রিলে, জুক এবং তার স্বামী জন রোটেনবেরী Minnesota College এর জীববিজ্ঞান বিভাগে স্থানান্তরিত হোন [৪]

বিটুএফএইচ পেপার

কাজ[সম্পাদনা]

জুকের গবেষণার মুল আকর্ষণ ছিল পতঙ্গের জগৎ, সঙ্গী নির্বাচন এবং যৌন আচরণের(বিশেষ করে পরজীবির) বিবর্তন নিয়ে।[১] জুকের লেখালেখি এবং বর্ক্তৃতায় বারবার উঠে আসে নারীবাদ এবং বিজ্ঞানে নারীর অবদানের কথা।[৪] জুক paleolithic diet এর একজন বড় সমালোচক।[৮]

তার প্রকাশনাগুলো নিম্নরুপ:[২]

  • Sexual Selections: what we can and can't learn about sex from animals, (2002) (যার অর্থ, যৌন নির্বাচন: আমরা যৌনতা বিষয়ে প্রাণী থেকে কী শিখতে পারি আর কী শিখতে পারি না) ক্যালিফোর্নিয়া ইউনিভার্সিটি প্রেস থেকে প্রকাশিত।
  • Riddled with Life: Friendly Worms, Ladybug Sex, and the Parasites That Make Us Who We Are, (2007). Harcourt, Inc., New York.
  • "Can bugs improve your sex life?" (August 1, 2011). Wall Street Journal.
  • Sex on Six Legs: Lessons on Life, Love and Language from the Insect World (2011). Houghton Mifflin Harcourt, New York.
  • "Bring on the aerial ant sex" (2012). Los Angeles Times, April 29.
  • "Anthropomorphism: A Peculiar Institution" (2012). The Scientist 26: 66-67.
  • Paleofantasy: What Evolution Really Tells Us about Sex, Diet, and How We Live (2013). W. W. Norton & Company, New York.

আরো দেখুন[সম্পাদনা]

নিম্নমানের নকশাভিত্তিক যুক্তি

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. Henderson, Andrea Kovacs, সম্পাদক (২০১০)। "Zuk, Marlene"। American Men & Women of Science। 7 T–Z (28th সংস্করণ)। Detroit, Michigan: Gale। পৃষ্ঠা 1078। আইএসবিএন 978-1-4144-4558-8 
  2. "Professor Marlene Zuk"College of Biological Sciences। University of Michigan। ১২ আগস্ট ২০১২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ মার্চ ১৬, ২০১৩ 
  3. Pittalwala, Iqbal (এপ্রিল ৫, ২০০৭)। "UCR Newsroom: Can Disease Be Our Friend?"UCR Newsroom। সংগ্রহের তারিখ মার্চ ১৬, ২০১৩ 
  4. Leigh, Blake (মে ৩০, ২০১২)। "CBS hires bug sexpert Marlene Zuk"Minnesota Daily। নভেম্বর ১৮, ২০১২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ মার্চ ১৬, ২০১৩ 
  5. "Dr. Marlene Zuk"X-STEM – Extreme STEM SymposiumUSA Science and Engineering Festival। ৭ জানুয়ারি ২০১৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ মার্চ ১৬, ২০১৩ 
  6. Combes, Claude (অক্টোবর ১, ২০০৫)। The Art of Being a Parasite। University of Chicago Press। পৃষ্ঠা 179। আইএসবিএন 978-0-226-11438-5। সংগ্রহের তারিখ মে ২৪, ২০১৩ 
  7. "UCR Department of Biology"। সংগ্রহের তারিখ মার্চ ১৬, ২০১৩ 
  8. "Scientist says paleo diet is not always based on way evolution really works"news.com.au। মে ১৪, ২০১৫। সংগ্রহের তারিখ জুলাই ২৬, ২০১৫ 

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]