ভারতের ভুয়ো খবর

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে

ভারতের ভুয়ো খবর (ইংরেজি: Fake news in India) বলতে দেশটির যেসব মিথ্যা খবর এবং অপপ্রচার মানুষের মুখে মুখে, পরম্পরাগত মাধ্যমসমূহের দ্বারা বা আধুনিক ডিজিটাল মাধ্যমের বিভিন্ন রূপে, যেমন সম্পাদিত ভিডিও, মিম, অপরীক্ষিত বিজ্ঞাপন এবং সামাজিক মাধ্যমে রটনা হওয়া গুজব ইত্যাদির মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে, সেইগুলিই ভারতের ভুয়ো খবর।[১][২] সামাজিক মাধ্যম দ্বারা ছড়িয়ে পড়া ভুয়ো খবর দেশটির এক জটিল সমস্যা হয়ে দেখা দিচ্ছে, যা জনতাকে হিংসাত্মক হওয়ার প্রতিও প্ররোচিত করতে পারে। ২০১৮তে সামাজিক মাধ্যম দ্বারা ছড়িয়ে পড়া ভুয়ো খবরের জন্য কমকরে ২০ জন মানুষের মৃত্যু হয়েছিল।[৩][৪]

রয়টার ইন্সটিটিউট ফর দ্য স্টাডি অব জার্নালিজমের রসমাস ক্লেইস নিয়েলসন ভাবেন যে “পশ্চিমী দেশের তুলনায় ভারতবর্ষের মত একটি দেশের জন্য গুজব বেশি জটিল এবং প্রত্যহ্বানমূলক।"[৫] ইন্টারনেটের ব্যবহার বাড়ার সমান্তরালে সামাজিক মাধ্যম দ্বারা ব্যাপ্ত ভুয়ো খবরের জন্য হওয়া ক্ষয়-ক্ষতির পড়েমাণও বাড়ছে। ২০১২র ১৩৭০ লাখ ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যার বিপরীতে ২০১৯তে ৬০০০ লাখেরও অধিক হয়েছে।[৬] ২৩০০ লাখ ব্যবহারকারীর ভারত হল হোয়াটস এপের অন্যতম বড় বাজার এবং এটি ভুয়ো খবর ব্যাপ্ত হওয়ারও একটি মূল মঞ্চ।[৭][৮] সচেতনতার অভাবে মানুষ সামাজিক মাধ্যম দ্বারা তা পাওয়া বা দেখা যা যেকোনো বস্তুকে বাছ-বিচার না করে সঠিক বলে ভেবে নেওয়া একটি বড় সমস্যা।[৯][১০] ভুয়ো খবরের বিস্তার এবং প্রভাব রোধ করতে উদ্যোগ তথা অনুশীলন আরম্ভ করা হয়েছে।[১১]

উদাহরণ[সম্পাদনা]

নির্বাচনকেন্দ্রিক ভুয়ো খবর[সম্পাদনা]

২০১৯র সাধারণ নির্বাচনের সময়ে অত্যধিক ভুয়ো খবরের সরবরাহ হয়েছিল।[১২][১৩] সমাজের সর্বস্তরে অসত্য, অর্ধসত্য তথ্যের সংবাদ ছড়িয়ে পড়েছিল। এই নির্বাচনটিতে হোয়াটসএপ দ্বারা এমনভাবে অপপ্রচার ছড়িয়ে পড়েছিল যে, যারজন্য বহুসংখ্যক মানুষ এটিকে ভারতের “প্রথম হোয়াটসএপ নির্বাচন” বলে অভিহিত করেছিল। রাজনৈতিক দলগুলি ভুয়ো খবরকে অস্ত্র হিসাবে ব্যবহার করেছিল। [১৪][১৫]

ভারতে ২৩টা অনুসূচীভূক্ত ভাষা আছে; যারজন্য ফেসবুক, গুগল ইত্যাদির মত বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানগুলি তথ্যসমূহ পরীক্ষা করে দেখতে অসুবিধা পায়। তারমধ্যে মাত্র দশটা ভাষার পোস্টসমূহ পরীক্ষা করার জন্য ফেসবুক ভারতীয় কর্মী নিয়োগ করেছিল। কিন্তু পোস্টের বিপরীতে কর্মীর সংখ্যা বহু কম ছিল। এই ভাষাসমূহের মধ্যে ওড়িয়া, সিন্ধ্রি এবং কানাড়া ভাষার পোস্টসমূহ সামান্যও পরীক্ষা করা হয়নি৷[১৬] তথাপি ফেসবুক নির্বাচনের আগে প্রতিদিন ১০ লাখকরে ভুয়ো খবর এবং গুজব ব্যাপ্ত হওয়া একাউন্ট বন্ধ করে দিয়েছিল।[১৭]

কাশ্মীর[সম্পাদনা]

জম্মু এবং কাশ্মীর থেকে সংবিধানের ৩৭০ ধারা প্রত্যাহার করার পরে রাজ্যটির জনসাধারণ কেমনভাবে জীবন কাটাচ্ছিল, সামগ্রী সরবরাহ বাধাগ্রস্ত হয়েছিল না হয়নি বা অন্যান্য প্রশাসনিক বিষয় সংক্রান্ত গুজব ছড়িয়ে পড়েছিল।[১৮][১৯]

টুইটার যোগে অপপ্রচার চালাতে থাকার জন্য ভারত সরকার ৮ টা করে টুইটার হ্যান্ডেল বন্ধ করে দিতে টুইটারে লিখেছিল। তার ৪ টা হ্যান্ডেল ভারতবিরোধী অপপ্রচার চালাতে থাকার জন্য টুইটার নিলম্বন করেছিল।[২০] ভারতীয় সেনা কাশ্মীরীদের ঘর জ্বালিয়ে দিয়েছে বলে[২১] যে খবর রটেছিল, শেহলা রশীদ টুইটার যোগে কাশ্মীরীদের নিগ্রহের যা অভিযোগ করেছিলেন, তা মিডিয়া প্রতিষ্ঠান ইন্ডিয়া টুডে অস্বীকার করেছিল।[২২][২৩] অন্যদিকে দি নিউয়র্ক টাইম্‌স লিখেছিল যে, দিল্লী উপত্যকাটিতে সাধারণ অবস্থা চলছে বলে একটি ছবি তুলে ধরেছে, অথচ “কাশ্মীরে দায়িত্ব পালন করতে থাকা সুপ্রতিরক্ষা কর্মীরা জানাচ্ছেন যে তাঁরা বৃহৎ বিরোধের সম্মুখীন হয়েছেন।” খবরটি রবি কান্ত নামক এক সেনার ভাষ্যর উদ্ধৃতি দিচ্ছে, “একডজন, দুই ডজন, অন্যদিকে তারও বেশি মানুষের দল, যেখানে কখনও কখনও মহিলাও থাকে, বাইরে বেরিয়ে আসে এবং আমাদের উপর পাথর ছুড়ে দৌড় মারে।"[২৪] ভারতের সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা উচ্চতম ন্যায়ালয়কে জানিয়েছিলেন যে ৫ আগস্টের পর কাশ্মীরে সুপ্রতিরক্ষা বাহিনী একটিও গুলি চালায়নি।[২৫][২৬] তার বিপরীতে বিবিসি অন্য ধরন বলেছে। উচ্চতম ন্যায়ালয় বলতে বাধ্য হন যে সাধারণ অবস্থা ঘুরিয়ে আনতে কেন্দ্র সরকারকে যেমনভাবে পারা যায় তাড়াতাড়ি যথা-সম্ভব সকল ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।[২৫]

অন্য উদাহরণ[সম্পাদনা]

  • ২০১৮র ১১ জুন তারিখে আসামের কার্বি আংলঙে হোয়াটসএপ যোগে ফরওয়ার্ড হওয়া একটি অসত্য খবর দ্বারা প্রভাবান্বিত হয়ে অভিজিত দাস এবং নিলোৎপল নাথ নামক দুজন যুবককে জনরোষের বলি হয়ে মৃত্যুবরণ করতে হয়েছিল।[২৭]
  • ২০১৩র মুজফ্ফরপুর সংঘর্ষে ৬০ জন লোকের মৃত্যু এবং বহু লোকের গৃহহীন হওয়ার খবর প্রকাশিত হয়। এই সংঘর্ষে ইন্ধন যুগিয়েছিল হোয়াটসএপের মাধ্যমে প্রচারিত হওয়া একটি ভিডিও।[২৮][২৯]

ভুয়ো খবরের বিরুদ্ধে সংগ্রাম[সম্পাদনা]

ইন্টারনেট সেবা বন্ধ করে দিয়ে সরকার কখনও কখনও সামাজিক মাধ্যম যোগে গুজব ছড়িয়ে পড়া নিয়ন্ত্রণ করে।[১৯][৩০] তামিলনাডুর এটর্নী জেনারেল রাজ্য সরকারের হয়ে পরামর্শ দিয়েছিলেন যে সামাজিক মাধ্যমের একাউন্টগুলি আধারের সঙ্গে যুক্ত করতে হবে।[৩১] ভারতের কিছু অঞ্চলে, বিশেষত কেরালার কুন্নর সরকারী বিদ্যালয়গুলিতে ভুয়ো খবর সম্পর্কিত শ্রেণীর ব্যবস্থা করেছে।[৩২] কিছু লোক পরামর্শ দেন যে সরকার জনসাধারণের মধ্যে ভুয়ো খবর সম্পর্কে অধিক সচেতনতা আনতে সরকারকে জন-শিক্ষার ক্ষেত্রে বিশেষ উদ্যোগ নিতে হবে।[৩৩]

২০১৮ সালে গুগল ইংরাজীকে ধরে ৭টা ভারতীয় সরকারী ভাষার ৮০০০ সাংবাদিককে প্রশিক্ষণ দিতে একটি কার্যসূচীর উন্মোচন করে। এইটি গুগলের প্রশিক্ষণের সর্ববৃহৎ উদ্যোগ, যা ভুয়ো খবর এবং খবর সত্যতা প্রতিপন্ন করা সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি করে।[৩৪]

তথ্যের পরীক্ষণ ভারতে এক ব্যবসায়ের রূপে গড়ে উঠতে শুরু করেছে। অল্ট্ নিউজ, বুম, ফ্যাক্টলি, SMHoaxSlayer ইত্যাদি ওয়েবসাইট নির্মাণ হয়েছে, যা তথ্য পরীক্ষা করে।[৩৫][৩৬] মিডিয়া হাউসগুলিরও নিজ নিজ তথ্য পরীক্ষণ বিভাগ আছে; যেমন: ইন্ডিয়া টুডে গ্রুপ এবং টাইম্‌স ইন্টারনেটের টি.ও.আই ফ্যাক্টচেকিং, কুইন্টর ওয়েবকুফ।[৩৭][৩৮] ইন্টারনেট ফ্যাক্টচেকিং নেটওয়ার্কের দ্বারা প্রত্যয়িত ইন্ডিয়া টুডে গ্রুপ, বিশ্বাস নিউজ, ফ্যাক্টলি নিউজমোবাইল এবং ফ্যাক্ট ক্রেসেন্ডো ফেসবুকের তথ্য পরীক্ষণ সহযোগী।[৩৫]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "Social media in India fans fake news"The Interpreter – Lowy Institute। সংগ্রহের তারিখ ২০১৯-০৮-২৭ 
  2. Nielsen, Rasmus Kleis (২৫ মার্চ ২০১৯)। "Disinformation is everywhere in India"The Hinduআইএসএসএন 0971-751X। সংগ্রহের তারিখ ২০১৯-০৮-২৯ 
  3. Bengali, Shashank (২০১৯-০২-০৪)। "How WhatsApp is battling misinformation in India, where 'fake news is part of our culture'"Los Angeles Times। সংগ্রহের তারিখ ২০১৯-০৮-২৮ 
  4. ""Lot Of Misinformation In India Spreads On WhatsApp": US Expert"NDTV। ১৫ সেপ্টেম্বর ২০১৮। সংগ্রহের তারিখ ২০১৯-০৮-২৮ 
  5. "India's Disinformation War More Complex Than in West: Oxford Prof"The Quint। ২০১৮-১০-০৬। সংগ্রহের তারিখ ২০১৯-০৮-২৭ 
  6. Mohan, Shriya (২৬ এপ্রিল ২০১৯)। "Everybody needs a good lie"The Hindu Business Line। সংগ্রহের তারিখ ২০১৯-০৮-২৮ 
  7. Perrigo, Billy (২৫ জানুয়ারি ২০১৯)। "How Whatsapp Is Fueling Fake News Ahead of India's Elections"Time। সংগ্রহের তারিখ ২০১৯-০৮-২৮ 
  8. "Disinformation Is Spreading on WhatsApp in India—And It's Getting Dangerous"Pulitzer Center। ২০১৮-০৯-০৫। সংগ্রহের তারিখ ২০১৯-০৮-২৮ 
  9. Khurana, Pooja; Kumar, Deepak; Kumar, Sanjeev (এপ্রিল ২০১৯)। "Research of Fake News Spreading Through Whatsapp" (PDF)International Journal of Innovative Technology and Exploring Engineering8: 948–951 – www.ijitee.org-এর মাধ্যমে। 
  10. Jain, Rishabh R. (৯ এপ্রিল ২০১৯)। "In India's Election, Voters Feed on False Information"Bloomberg। সংগ্রহের তারিখ ২০১৯-০৮-২৯ 
  11. "WhatsApp FAQ – Contributing to the safety of elections in India"WhatsApp। সংগ্রহের তারিখ ২০১৯-০৮-২৮ 
  12. "Clip, flip and Photoshop: Anatomy of fakes in Indian elections"India Today। ২৮ মে ২০১৯। সংগ্রহের তারিখ ২০১৯-০৮-২৮ 
  13. Bansal, Samarth; Poonam, Snigdha (২০১৯-০৪-০১)। "Misinformation Is Endangering India's Election"The Atlanticআইএসএসএন 1072-7825। সংগ্রহের তারিখ ২০১৯-০৮-২৮ 
  14. "Junk news and misinformation prevalent in Indian election campaign"University of Oxford। ১৩ মে ২০১৯। সংগ্রহের তারিখ ২০১৯-০৮-২৮ 
  15. Phartiyal, Sankalp; Kalra, Aditya (২০১৯-০৪-০২)। "Despite being exposed, fake news thrives on social media ahead of..."Reuters। সংগ্রহের তারিখ ২০১৯-০৮-২৮ 
  16. "Alarming lessons from Facebook's push to stop fake news in India"The Economic Times। Bloomberg। ২১ মে ২০১৯। সংগ্রহের তারিখ ২০১৯-০৮-২৯ 
  17. "Facebook removes 1 million abusive accounts a day to counter fake news in India"Firstpost। ৯ এপ্রিল ২০১৯। সংগ্রহের তারিখ ২০১৯-০৮-২৯ 
  18. "How these J&K officers are fighting fake news on Kashmir"Outlook India। ১৯ আগস্ট ২০১৯। সংগ্রহের তারিখ ২০১৯-০৮-২৯ 
  19. Bhatt, Parjanya; K.J., Shashidhar (১৪ আগস্ট ২০১৯)। "Communications blackout in Kashmir: A quick fix that can backfire"Observer Research Foundation। সংগ্রহের তারিখ ২০১৯-০৮-২৮ 
  20. Tripathi, Rahul; Irfan, Hakeem (২০১৯-০৮-১৩)। "Twitter told to take down handles spreading fake news about Kashmir Valley"The Economic Times। সংগ্রহের তারিখ ২০১৯-০৮-২৯ 
  21. Deodia, Arjun (৬ আগস্ট ২০১৯)। "Fact Check: No, Indian Army didn't burn down houses in Kashmir"India Today। সংগ্রহের তারিখ ২০১৯-০৮-২৯ 
  22. "Army denies Shehla Rashid's claims of excesses by security forces in J&K"The Times of India। ২০ আগস্ট ২০১৯। সংগ্রহের তারিখ ২০১৯-০৮-২৯ 
  23. "India's Kashmir doctrine: Claims of torture, night raids, mass detentions"TRT World। ১৯ আগস্ট ২০১৯। সংগ্রহের তারিখ ২৯ আগস্ট ২০১৯ 
  24. Yasir, Sameer; Raj, Suhasini; Gettleman, Jeffrey (২০১৯-০৮-১০)। "Inside Kashmir, Cut Off From the World: 'A Living Hell' of Anger and Fear"The New York Times (ইংরেজি ভাষায়)। আইএসএসএন 0362-4331। সংগ্রহের তারিখ ২০১৯-০৯-২১ 
  25. PTI (১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৯)। "Supreme Court asks government to restore normalcy in Kashmir"India Today। সংগ্রহের তারিখ ২০১৯-০৯-২১ 
  26. Hashmi, Sameer (২০১৯-০৮-২৯)। "Kashmiris allege torture in army crackdown" (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২০১৯-০৯-২১ 
  27. Rebelo, Karen (২০১৮-১২-১৭)। "Inside WhatsApp's battle against misinformation in India"Poynter। সংগ্রহের তারিখ ২০১৯-০৮-২৮ 
  28. Dipankar Ghose, Apurva (১২ সেপ্টেম্বর ২০১৩)। "Muzaffarnagar rioters used WhatsApp to fan flames, find police – Indian Express"Indian Express। সংগ্রহের তারিখ ২০১৯-০৮-২৯ 
  29. Patil, Samir (২০১৯-০৪-২৯)। "Opinion | India Has a Public Health Crisis. It's Called Fake News."The New York Times। সংগ্রহের তারিখ ২০১৯-০৮-২৯ 
  30. Bajoria, Jayshree (২০১৯-০৪-২৪)। "India Internet Clampdown Will Not Stop Misinformation"Human Rights Watch। সংগ্রহের তারিখ ২০১৯-০৮-২৮ 
  31. PTI (২০ আগস্ট ২০১৯)। "Social media accounts need to be linked with Aadhaar to check fake news, SC told"India Today। সংগ্রহের তারিখ ২০১৯-০৮-২৮ 
  32. Biswas, Soutik (২০১৮-০৮-২০)। "Fighting India's WhatsApp fake news war"BBC। সংগ্রহের তারিখ ২০১৯-০৮-২৯ 
  33. "The Wrong Way to Fight Fake News"Bloomberg। ১৮ মার্চ ২০১৯। সংগ্রহের তারিখ ২০১৯-০৮-২৮ 
  34. Christopher, Nilesh (২০১৮-০৬-১৯)। "Google wants to train 8000 journalists with new tools to fight fake news"The Economic Times। সংগ্রহের তারিখ ২০১৯-০৯-০৬ 
  35. "Facebook expands fact-checking network in India, adds 5 more partners to spot fake news"Business Today। সংগ্রহের তারিখ ২০১৯-০৮-২৮ 
  36. Ananth, Venkat (২০১৯-০৫-০৭)। "Can fact-checking emerge as big and viable business?"The Economic Times। সংগ্রহের তারিখ ২০১৯-০৮-২৮ 
  37. "Fact Check"India Today। সংগ্রহের তারিখ ২০১৯-০৮-২৮ 
  38. Gupta, Neha (২ জানুয়ারি ২০১৯)। "Indian media fights fake news in run up to Lok Sabha elections"WAN-IFRA। সংগ্রহের তারিখ ২০১৯-০৯-০৬ 

গ্রন্থপঞ্জী

সঙ্গে দেখুন[সম্পাদনা]