ভগীরথ মিশ্র

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন

'ভগীরথ মিশ্র' একজন ভারতীয় বাঙালি সাহিত্যিক। তিনি একইসাথে একজন ম্যাজিসিয়ান এবং বনসাই বিশেষজ্ঞ।

সাহিত্যজীবন[সম্পাদনা]

১৯৬৬ খ্রিষ্টাব্দে আশুতোষ কলেজের ছাত্র থাকাকালীন তার লেখা গল্প একটি প্রতিযোগিতায় দ্বিতীয় স্থান অধিকার করে এবং পরের বছর ম্যাগাজিনে তা ছাপা হয়। এরপর নবকল্লোল পত্রিকায় ‘মূলধন’ নামের একটি গল্প প্রকাশ হয়।[১]

১৯৭৮ খ্রিষ্টাব্দে ভগীরথ মিশ্রের গল্প ‘কদমডালির সাধু’ প্রকাশিত হয় বালুরঘাট থেকে প্রকাশিত ‘মধুপর্ণী’ পত্রিকায়। এই গল্পটি প্রশংসিত হয়েছিল। এরপর একই পত্রিকার পূজা সংখ্যায় তার গল্প ‘লেবারণ বাদ্যিগর’ প্রকাশিত হয়। এরপর তিনি উত্তরবঙ্গে গল্পকার হিসাবে প্রতিষ্ঠিত হয়ে যান। ১৯৮১ সালের মধ্যেই তিনি প্রায় ৪০টি গল্প রচনা করেন। এরপর তিনি মহাশ্বেতা দেবীর ‘বর্তিকা’ পত্রিকায় এবং ‘প্রমা’ এবং ‘অনুষ্টুপ’ পত্রিকায় নিয়মিত গল্প লিখতে থাকেন। এরপর ‘রাবণের বয়স’ নামের একটি গল্প দেশ পত্রিকাতে প্রকাশিত হয়।[১]

১৯৮৩ খ্রিষ্টাব্দে ভগীরথ মিশ্রের গল্পগ্রন্থ ‘জাইগেনসিয়া ও অন্যান্য গল্প’ প্রকাশিত হয়।[১]

১৯৯০ খ্রিষ্টাব্দে প্রমা থেকে প্রকাশিত হয়েছিল প্রথম উপন্যাস ‘অন্তর্গত নীলস্রোত’। এটি প্রথম প্রমা পত্রিকার পূজাসংখ্যায় প্রকাশিত হয়েছিল।[১]

১৯৯৬ খ্রিষ্টাব্দ থেকে ২০০০ অবধি তার সুবিশাল উপন্যাস ‘মৃগয়া’ পাঁচখণ্ডে প্রকাশিত হয়। এই উপন্যাসটি লেখার জন্য লেখক দশ বছর গবেষণা এবং তথ্য সংগ্রহ করেছিলেন। সর্বমোট ১৫ বছর সময় লেগেছিল উপন্যাসটি সম্পূর্ণ করতে। তার ছোটবেলা থেকে জীবনের বিচিত্র অভিজ্ঞতা এবং চাকরি সূত্র থেকে প্রত্যন্ত গ্রামে ভ্রমণ এবং আদিবাসীদের জীবনযাত্রা কাছ থেকে দেখার অভিজ্ঞতা তার এই উপন্যাস রচনার সহায় হয়।[১]

ভগীরথ মিশ্র গল্প এবং উপন্যাস ছাড়াও ভ্রমণ সাহিত্য এবং রম্য রচনাও লিখেছেন। ‘উত্তরবঙ্গ সংবাদ’ পত্রিকাতে তার লেখা রম্যরচনাগুলি নিয়ে ‘অর্বাচীনের জার্নাল’ বইটি প্রকাশিত হয়। ‘লঘুপুরান’ তার অপর একটি রম্যরচনার বই।[১]

পুরস্কার ও সম্মান[১][সম্পাদনা]

  • বঙ্কিম পুরস্কার
  • সোপান পুরস্কার
  • গল্পমেলা পুরস্কার

ভগীরথ মিশ্র সাহিত্যরচনা ছাড়াও একজন ম্যাজিসিয়ান, বনসাই বিশেষজ্ঞ এবং কুটুম-কাটাম নামক একটি শিল্পে দক্ষ। বাংলাতে বনসাই নিয়ে একটি পূর্ণাঙ্গ বই তিনি লিখেছেন।

গ্রন্থতালিকা[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]