ব্সাম-য়াস বৌদ্ধবিহার

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
সরাসরি যাও: পরিভ্রমণ, অনুসন্ধান
ব্সাম-য়াস বৌদ্ধবিহার
ব্সাম-য়াস বৌদ্ধবিহার
ব্সাম-য়াস বৌদ্ধবিহার তিব্বত-এ অবস্থিত
ব্সাম-য়াস বৌদ্ধবিহার
ব্সাম-য়াস বৌদ্ধবিহার
ব্সাম-য়াস বৌদ্ধবিহারের অবস্থান
স্থানাঙ্ক: ২৯°১৯′৩১.৮০″ উত্তর ৯১°৩০′১৩.৩২″ পূর্ব / ২৯.৩২৫৫০০০° উত্তর ৯১.৫০৩৭০০০° পূর্ব / 29.3255000; 91.5037000
মঠের তথ্য
অবস্থান তিব্বত, চীন
প্রতিষ্ঠাতা শান্তরক্ষিত
স্থাপিত ৭৭৯ খ্রিষ্টাব্দ
ধরণ তিব্বতি বৌদ্ধধর্ম
ধর্মীয় গোষ্ঠী র্ন্যিং-মা বৌদ্ধ ধর্মসম্প্রদায়

ব্সাম-য়াস বৌদ্ধ বিহার (তিব্বতি: བསམ་ཡས་ওয়াইলি: bsam yas, ZYPY: Samyä) তিব্বতের প্রাচীনতম বৌদ্ধ বিহার।

নির্মাণকাল[সম্পাদনা]

তিব্বতের সম্রাট খ্রি-স্রোং-ল্দে-ব্ত্সানের শাসনকালে আচার্য শান্তরক্ষিত লাসা থাকে দক্ষিণে ব্রহ্মপুত্র নদের তীরে তিব্বতের প্রাচীনতম বিহার ব্সাম-য়াস বৌদ্ধ বিহার নির্মাণের কাজ শুরু করেন এবং ৭৭৯ খ্রিষ্টাব্দের কাছাকাছি সময়ে নির্মাণকাজ সম্পূর্ণ হয় । [১]

গঠনশৈলী[সম্পাদনা]

এই বিহার পাল সাম্রাজ্যের সম্রাট ধর্মপালের রাজত্বকালে নির্মিত ওদন্তপুরী বিহারের অনুকরণে তৈরী করা হয়। [২] বিহারটি চতুষ্কোণ এবং সীমানা উঁচু প্রাচীর দিয়ে ঘেরা। চারদিকে চারটি প্রবেশদ্বার এবং মাঝখানে প্রধান বিহারটি অবস্থিত। প্রধান বিহারকে ঘিরে ভিক্ষুদের থাকবার জন্য দোতলা আবাসন। বিহারের চার কোণে ইটের তৈরী ছত্র শোভিত স্তুপ ও তার পাশে মাটির তৈরী বজ্রযানী স্তুপ আছে। তিনতলা প্রধান বিহারটি কাঠের তৈরী। একতলায় একটি বুদ্ধমূর্তি এবং বাইরে শান্তরক্ষিত, তাঁর তিব্বতী শিষ্য বৈ-রো-ত্সা-না ও সম্রাট স্রোং-ব্ত্সন-স্গাম-পোর মূর্তি আছে। [১]

শান্তরক্ষিতের দেহাবশেষ[সম্পাদনা]

৭৮৮ খৃষ্টাব্দে ব্সাম-য়াস বৌদ্ধ বিহারে এক দুর্ঘটনায় শান্তরক্ষিতের মৃত্যু হয়। তখন তাঁর মরদেহ বিহারের পূর্ব দিকে এক পাহাড়ের সানুদেশে সমাহিত করা হয়। বিংশ শতাব্দীর শুরুতে তাঁর করোটি এবং অস্থি পঞ্জর বেরিয়ে পড়লে সেগুলি সংগ্রহ করে সম-য়ে বৌদ্ধ বিহা্রে রেখে দেওয়া হয়। [১]

চিত্রপ্রদর্শনী[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. তিব্বতে সওয়া বছর - রাহুল সাংকৃত্যায়ন, অনুবাদ - মলয় চট্টোপাধ্যায়, প্রকাশক - চিরায়ত প্রকাশন প্রাইভেট লিমিটেড, ১২ বঙ্কিম চ্যাটার্জি স্ট্রিট, কলকাতা ৭০০০৭৩, আইএসবিএন ৮১-৮৫৬৯৬-২৭-৬
  2. Lotus-Born by Yeshe Tsogyal, Erik Pema Kunsang, Marcia Binder Schmidt, Tsele Natsok Rangdrol. pg 290 [১]

আরো পড়ুন[সম্পাদনা]