ব্রি ধান

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন

বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট(ব্রি) কর্তৃক উদ্ভাবিত উচ্চফলনশীল এবং হাইব্রিড জাতীয় ধানকে ব্রি ধান হিসাবে অভিহিত করা হয়। শুরুতে এগুলোকে বি আর ধান নামে আখ্যায়িত করা হতো। বিভিন্ন ব্রি ধানের বিভিন্ন বৈশিষ্ট্য রয়েছে।

ব্রি ধানের বৈশিষ্ট্য[সম্পাদনা]

ব্রি ধান ২৮[সম্পাদনা]

এটি বোরো মৌসুমের আগাম জাত হিসেবে অনুমোদিত। এ ধানের ডিগপাতা হেলে যায় এবং শীষ উপরে থাকে। তদুপরি ফলনও ভাল। তাই কৃষকদের কাছে এটি জনপ্রিয়তা লাভ করেছে

ব্রি ধান ৩৫[সম্পাদনা]

এটি বাদামি গাছফড়িং প্রতিরোধশীল জাত হিসেবে চাষাবাদের জন্য অনুমোদিত।

ব্রি ধান ৪১[সম্পাদনা]

এটি রোপা আমন মৌসুমের উপযোগী একটি আলোক সংবেদনশীল ধান। এ ধান চারা ও থোড় অবস্থায় ৮ ডিএস/মিটার লবণাক্ততা প্রতিরোধ করতে পারে। দেশের উপকূলীয় অঞ্চলের যে জমিতে রাজাশাইল, কাজলশাইল, পাটনাই, মরিচশাইল ইত্যাদি স্থানীয় জাতের চাষাবাদ হচ্ছে ঐ সব জমিতে এ জাতের প্রতি হেক্টরে ফলন ৪.০-৪.৫ টন। এ জাতের গাছ মজবুত। প্রচলিত জাতের মতো এর ডিগপাতা একটু চওড়া, কিন' গাছ উচ্চতায় অনেকটা ছোট। এর জীবনকাল ব্রি ধান ৪০-এর চেয়ে এক সপ্তাহ নাবী। জাতটির চারা প্রয়োজনে ৩০-৫০ দিনের হলে এক হাঁটু পরিমাণ পানিতে সহজেই রোপণ করা যায়। ধানে কোন শুঙ নেই। আবার দেখতে বিআর ২৩ এর অনুরূপ, কিন' জীবনকাল ৮-১০ দিন আগাম।

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]