ব্যবহারকারী:Anulekha/সিস্টেম বিকাশ জীবন বৃত্ত

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন

আপনাকে অবশ্যই এই পরিষ্করণ টেমপ্লেটে একটি |reason= প্যারামিটার যোগ করতে হবে - এটি {{পরিষ্করণ|reason=<এখানে কারণ লিখুন>}}-এর সাথে প্রতিস্থাপন করুন, অথবা পরিষ্করণ টেমপ্লেটটি সরান।

টেমপ্লেট:Translation/Ref

রক্ষনা-বেক্ষনের বুদবুদ টিকে উজ্জ্বলতর কৃত পূর্বক সিস্টেম্স ডেভেলপমেন্ট লাইফ সাইকল মডেল

দ্য সিস্টেম্স ডেভলপমেন্ট লাইফ সাইকেল অথবা সিস্টেম্স বিকাশ জীবন বৃত্ত (SDLC) , ও সফ্টওয়ার বিকাশ জীবন বৃত্ত হলো সিস্টেম ইঞ্জিনিয়ারিং অথবা সফ্টওয়ার ইঞ্জিনিয়ারিং এ সিস্টেম তৈরি এবং পরিবর্তনের একটি প্রক্রিয়া যা এই সিস্টেমগুলিকে উন্নত করার জন্য ব্যবহৃত মডেল ও প্রণালী. সাধারনত পরিগনক(কম্পিউটার)অথবা তথ্যসংক্রান্ত বিষয়ে প্রযোজ্য .


সফটওয়ার ইঞ্জিনিয়ারিং এর ক্ষেত্রে SDLC ধারণাটি নানা রকম সফটওয়ার উন্নয়ন প্রণালী-র নির্মান ক্ষেত্র তৈরি করে. এই প্রণালীগুলি একটি তথ্যমূলক সিস্টেম্স<A title=


সামগ্রিক পরিদর্শন[সম্পাদনা]

সিস্টেম্স বিকাশ জীবন বৃত্ত (SDLC) এমন একটি যুক্তিসম্মত পদ্ধতি যা একজন সিস্টেম বিশ্লেষক ব্যবহার করেন, একটি তথ্যভিত্তিক সিস্টেম এবং তার প্রয়োজনাদি,বৈধতা,প্রশিক্ষণ ,এবং ব্যবহারকারীর মালিকানা তৈরী করার জন্য. যে কোনো SDLC-র ক্ষেত্রে এই ফল চাওয়া হবে যে তা গ্রাহকদের চাহিদা কে পূরণ করবে অথবা ছাড়িয়ে যাবে,নির্ধারিত সময় এবং ব্যয় এর মধ্যে শেষ হবে, বর্তমান ও পরিকল্পিত তথ্যপ্রযুক্তি পরিকাঠামো তে কার্যকরীভাবে ও সুচারুভাবে কাজ করবে এবং রক্ষনাবেক্ষণ এর জন্য সস্তা ও পরিবর্ধনের জন্য আয়োপযোগী হবে. [১]


কম্পিউটার সিস্টেম অনেক বেশি জটিল হয়েছে এবং মাঝে মধ্যেই (বিশেষত সার্ভিস ওরিয়েন্টড আর্কিটেকচার এর অগ্রগতির সঙ্গে)বিভিন্ন সফটওয়্যার বিক্রেতাদের সরবরাহ করা বিবিধ প্রথাগত সিস্টেম এর সঙ্গে সার্থক ভাবে যোগসুত্র রক্ষা করছে . এই পরিমান জটিলতা সামলানোর জন্য অনেকগুলি সিস্টেম বিকাশ জীবন বৃত্ত(SDLC) মডেল তৈরী হয়েছে, সেগুলি হলো :ওয়াটারফল, ফাউন্টেন,স্পাইরাল,বিল্ড এন্ড ফিক্স, রাপিড প্রোটোটাইপিং ,ইন্ক্রিমেন্তাল,এবং সিন্ক্রনাইস এন্ড স্তেবিলাইস .


SDLC মডেলগুলিকে তত্পর(agile)থেকে পৌন:পুনিক এবং অনুক্রমিক এর পরিসরে বর্ণনা করা যায়. তত্পর প্রণালী (agile methodology)যেমন XP এবং স্ক্রাম, বিকাশ বৃত্তের মধ্যে দ্রুত পরিবর্তনের মত হালকা কাজের উপর জোর দেয়. পৌন:পুনিক প্রণালী (iterative)যেমন রাশেনাল ইউনিফায়েদ প্রসেস (Rational Unified Process) এবং ডায়নামিক সিস্টেম্স ডেভেলপমেন্ট মেথড (Dynamic Systems Development Method) জোর দেয় সীমাবদ্ধ প্রকল্পের সুযোগ আর বহুবিধ পৌন:পুনিকতার সাহায্যে উত্পাদন এর প্রসারণ ও উত্কর্ষ সাধনের উপরে . অনুক্রমিক অথবা বিগ- ডিজাইন-আপফ্রন্ট (BDUF)মডেল যেমন ওয়াটারফল বৃহত প্রকল্পগুলি পরিচালিত করার জন্য পরিকল্পনা সম্পূর্ণ ও সংশোধন-এর উপর জোর দেয় এবং সফল ও আশানুরূপ ফললাভের ঝুকি নেয়.


কিছু তত্পর (এজাইল) এবং পৌন:পুনিক (ইটারেটিভ) প্রপনেটস অনুক্রমিক বা "অধিক প্রথাগত" প্রক্রিয়ার মধ্যে SDLC পরিভাষাটিকে বিভ্রান্ত করে, যাইহোক SDLC হল নকশা, প্রয়োগ এবং সফটওয়ার তৈরীর সবরকম প্রণালীকে বোঝানোর মতো একটি পরিভাষা. [২] [৩]


প্রকল্প তত্ত্বাবধানের ক্ষেত্রে একটি প্রকল্পের ১টি "জীবনন্বৃত্ত" এবং ১টি সিস্টেম্স ডেভেলপমেন্ট "জীবন-বৃত্ত" দুইই রয়েছে, যেখানে বেশকিছু বিশেষ ধরনের কার্যকলাপ দেখা যায়. প্রকল্প-জীবনন্বৃত্ত (PLC) প্রকল্পের প্রতিটি কার্যকলাপ কে চিহ্নিত করে, যখন সিস্টেম্স বিকাশ জীবনন্বৃত্ত উত্পাদন প্রয়োজনীয়তার উপর জোর দেয়. প্রকল্প [৪]


ইতিহাস[সম্পাদনা]

সিস্টেম বিকাশ জীবনন্বৃত্ত (SDLC) হল এক ধরনের প্রণালী যা, ইনফরমেশন (তথ্য) সিস্টেম্স গড়ে তোলার পদ্ধতি বর্ণনা করার জন্য, ইনফরমেশন সিস্টেম্স কে একট অত্যন্ত সুচিন্তিত, কাঠামোগত এবং শৃঙ্খলিত ভাবে, জীবন-বৃত্তের প্রতিটি পর্যায়ে বারংবার প্রয়োগ করে বিকশিত করে তোলার জন্য ব্যবহার করা হয়. প্রচলিত বা প্রথাগত সিস্টেম্স বিকাশ জীবন-বৃত্ত প্রথম উদ্ভূত হয় 1960 সালে, বৃহদায়তন বানিজ্যিক গোষ্ঠির যুগে, বৃহৎ পরিসরে কার্যকরী বানিজ্যিক পদ্ধতি (সিস্টেম) তৈরী ফরার জন্য. ইনফরমেশন সিস্টেম্স কার্যাবলী হেভিডাটা প্রসেসিং এবং নাম্বার ক্রান্চিং রুটিন কে কেন্দ্র করে আবর্তিত হয়. [৫]


1980 সালে দ্য স্ট্রাকচার্ড সিস্টেম্স এনালিসিস এবং ডিসাইন মেথড (SSADM) SDLC-র উপর ভিত্তি করে ছিল. SSADM হল ইনফরমেশন সিস্টেম্স এর বিশ্লেষণ এবং নকশার পদ্ধতিগত ব্যাখ্যা (সিস্টেম এপ্রোচ) যা সরকারী ক্ষেত্রে তথ্য প্রযুক্তির ব্যবহার বিষয়ে জড়িত একটি UK সরকারী দপ্তর - অফিস অফ গভর্নমেন্ট কমার্স -এর জন্য উত্পাদিত/নির্মিত. 1980 থেকে সিস্টেম্স বিকাশের প্রথাগত জীবনবৃত্ত দৃষ্টিভঙ্গি ক্রমেই প্রতিস্থাপিত (রিপ্লেসড) হতে থাকল বিকল্প দৃষ্টিভঙ্গী এবং পরিকাঠামোর দ্বারা যাতে প্রথাগত SDLC-র কিছু কিছু অন্তর্বর্তী ঘাটতি অতিক্রম করা যায়.[৫]


সিস্টেম বিকাশ পর্যায় সমূহ[সম্পাদনা]

সিস্টেম্স বিকাশ জীবনবৃত্ত (SDLC) কিছু গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়ের সঙ্গে অঙ্গাঙ্গী ভাবে জড়িত, যেগুলি বিকাশকারী (ডেভেলপার)-দের পক্ষে অপরিহার্য, যেমন, পরিকল্পনা, বিশ্লেষণ, নকশা এবং প্রয়োগ, সেগুলি নিম্নোক্ত পর্বে ব্যাখ্যা করা আছে. বাস্তবে, বহুবিধ সিস্টেম্স বিকাশ জীবন বৃত্ত মডেলের অস্তিত্ব রয়েছে. সব থেকে পুরনো মডেল, যেটি আদতে "সিস্টেম্স বিকাশ জীবন বৃত্ত" হিসাবেই পরিচিত হল, তা হল ওয়াটারফল মডেল :বিভিন্ন পর্বের একটি অনুক্রম যাতে প্রতিটি আউটপুট পরবর্তী পর্বের ইনপুট -এ পরিণত হচ্ছে.পর্যায়গুলি সাধারনত: একই মূল ধাপ অনুসরণ করে, কিন্তু বহুবিধ ওয়াটারফল প্রনালী ধাপগুলিকে বিভিন্ন নাম দেয়, এবং ধাপগুলির সংখ্যা 4 থেক 7 এর মধ্যে ঘোরাফেরা করে. সেভাবে কোনো নিশ্চিত ভাবে নির্ভুল সিস্টেম্স বিকাশ জীবনবৃত্ত মডেল নেই, তবে ধাপগুলিকে বৈশিষ্ট অনুযায়ী চিহ্নিত করা যায়.


SDLC কে দশটি পর্যায়ে বিভক্ত করা যায় যে পর্জায়্গুলিতে পূর্বনির্ধারিত তথ্য প্রযুক্তি নির্ভর বস্তুগুলি উত্পাদিত হয় অথবা পরিবর্তিত হয়. হশম পর্যায়টি হলো যখন কর্ম সম্পাদনের পর হয় সেটি অন্য সিস্টেমে স্থানান্তরিত হয় অথবা সিস্টেম থেকে নিষ্কাশিত হয় .প্রত্যেক পর্যায়ের সম্পাদিত কর্ম ও উত্পাদিত বস্তু গুলির নিম্নবর্তী অধ্যায় গুলিতে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে. প্রত্যেক প্রকল্পের ক্ষেত্রেই এরকম প্রয়োজন হয় না যে বিভিন্ন পর্যায় গুলি ক্রমানুসারেই সম্পাদিত হতে হবে. যাই হোক, পর্যায় গুলি পারস্পরিক ভাবে নির্ভরশীল পর্যায়গুলির মেলবন্ধন ও একে ওপর কে অধিক্রমণ প্রকল্পের জটিলতা ও আকারের ওপর নির্ভরশীল [8]


উদ্যোগ/পরিকল্পনা[সম্পাদনা]

এই অংশের উদ্দেশ্য হল, অভিপ্রেত প্রকল্পটির একটি উচ্চ পর্যায়ের পরিদর্শন (ভিউ) তৈরী করা এবং প্রকল্পটির লক্ষ্যগুলি নির্ধারণ করা উর্ধতন কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে, আর্থিক সহায়তা পাওয়ার প্রয়োজনে কখনো কখনো প্রকল্পটির সম্ভাব্যতা (Feasibility)সমীক্ষা পেশ করা হয়. সম্ভাব্যতার বিচারে প্রকল্পটির 3 টি ক্ষেত্রে বিশেষভাবে মূল্যায়ন করা হয় - অর্থনৈতিক (ইকনমিক), কার্যক্রম সংক্রান্ত (অপারেশনাল ), প্রযুক্তিগত (টেকনিক্যাল).তা ছাড়া এটি প্রকল্প টিকে ঠিক পথে চালিত করার নথী হিসাবে এবং MIS দলের অগ্রগতির মূল্যায়ন হিসাবেও ব্যবহৃত হয়. [৬] MIS -ও ওই পর্ব গুলির একটি পরিপূরক. এই পর্যায়টিকে বিশ্লেষকপর্ব ও বলা হয়.


প্রয়োজনীয় বস্তু সংগ্রহ এবং বিশ্লেষণ[সম্পাদনা]

সিস্টেম বিশ্লেষণ (এনালিসিস) এর লক্ষ্য হল একটি সিস্টেমকে নির্দিষ্ট করার ক্ষেত্রে কোথায় সমস্যা হচ্ছে সে ব্যাপারে নিশ্চিত হওয়া. এই ধাপে সিস্টেমটিকে বিভিন্ন ছোট ছোট অংশে ভেঙ্গে দেওয়া হয় এবং পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করার জন্য বিষয়মুখী চিত্র আঁকা হয়. প্রকল্পটির লক্ষ্য বিশ্লেষণ এর অর্থ হল, সিস্টেমের ভেঙ্গে দেওয়া ক্ষুদ্র অংশগুলির কাজ সৃষ্টি করার প্রয়োজনীয়তা এবং ব্যবহারকারীদের নির্দিষ্ট চাহিদার সংজ্ঞা নিরুপন করার প্রচেষ্টা. রিকয়ারমেন্ট গ্যাদারিং বা প্রয়োজনীয় বস্তু সংগ্রহের ক্ষেত্রে অনেক সময় গ্রাহকের চাহিদা সঠিক এবং বিস্তারিত ভাবে বোঝার নন্ন্য একাধারে গ্রাহকের সঙ্গে ব্যতিগত বা দলগতভাবে এবং কাজসরবরাহকারীর সঙ্গে বসার দরকার হয়.


নক্সা[সম্পাদনা]

সিস্টেম ডিজাইন এর ক্ষেত্রে - স্ক্রিন লে-আউট, ব্যবসার নীতি, প্রসেস ডাযাগ্রাম্স এবং অন্যান্য তথ্যাবলী সহ সব কার্যাবলী এবং তা হাতে কলমে করা (অপারেশন্স) বিস্তারিতভাবে বর্ণনা করা হয়. এই পর্যায়ের আউটপুট একটি নতুন সিস্টেমকে বিভিন্ন মডিউল-এর সংকলন হিসেবে বা সাব-সিস্টেম হিসেবে বর্ণনা করে.


নক্সা পর্যায় তার প্রারম্ভিক ইনপুট হিসেবে সেই প্রয়োজনগুলিকেই গ্রহণ করে যেগুলি প্রয়োজনীয় বস্তুর অনুমোদিত নথিতে চিহ্নিত করা আছে. প্রতিটি প্রয়োজনের জন্য এক বা একাধিক নক্সার উপকরণের একটি সমষ্টি (সেট) উপস্থাপন করা হয় যা বিভিন্ন সাক্ষাত্কার, কর্মশালা এবং/অথবা প্রোটোটাইপ প্রয়াসের ফল. নকশার উপকরণগুলি কাঙ্ক্ষিত সফটওয়ারের বৈশিস্ত্যগুলিকে বিস্তারিত ভাবে বর্বনা করে এবং সাধারণত তাতে স্থান পায় - কার্যকরী ধাবাহিক (হায়ারার্কি)বিষয়মুখী চিত্র (ডায়াগ্রাম), স্ক্রিন লে-আউট ডায়াগ্রাম, ব্যবসা নীতি র তালিকা (টেবল), ব্যাবসাগতির বিষয়মুখী চিত্র, সিউডো (ছদ্ম)কোড, এবং একটি সম্পূর্ণ এনটিটি - রিলেশনশিপ ডায়াগ্রাম সঙ্গে সম্পূর্ণ ডাটা-ডিকশনারি. এই নক্সার উপকরনগুলির উদ্দেশ্য হল - সফটওয়ারটিকে খুঁটিনাটি সমেত বর্ণনা করে যাতে দক্ষ প্রোগ্রামাররা ন্যুনতম অতিরিক্ত ইনপুট দিয়ে সফটওয়ারটির বিকাশ ঘটাতে পারে.


নির্মান অথবা কোডিং[সম্পাদনা]

মডুলার এবং সব সিস্টেম প্রোগ্রামিং কোড এই পর্যায়ে সফল করে তোলা হয়.ডেভেলপার রা এই পর্যায়ে ইউনিট পরীক্ষণ (টেস্টিং) এবং মডিউল পরীক্ষণ করে থাকেন. এই পর্যায়টি পরবর্তী পর্যায়ের সঙ্গে সংযুক্ত হয়ে যায় তাই প্রধান প্রকল্পের সঙ্গে বিভিন্ন পর্যায়ের একত্র হয়ে যাওয়ার আগে প্রতিটি মডিউল এর পরীক্ষা প্রয়োজন.


পরীক্ষণ[সম্পাদনা]

সফটওয়ার পরীক্ষণের বহুবিধ স্তরে (লেভেল) কোড পরীক্ষিত হয়. ইউনিট, সিস্টেম এবং গ্রাহকের গ্রহণযোগ্যতার পরীক্ষা মাঝেমাঝেই হয়ে থাকে. যদি কোনো পৌন:পুনিকতা দেখা যায় তাহলে পরীক্ষণের পর্ব গুলি কী হবে এবং কতটা হনে তা নিয়ে অনেক অনেক রকম মতামত রয়েছে বলে এটি একটি অস্ফুট ক্ষেত্র.সাধারণত: পৌন:পুনিকতা ওয়াটারফল মডেলর কোনো অংশ নয়, কিন্তু এই পর্যায়ে তার কিছু নমুনা দেখা যায়.


পরীক্ষণের নানা প্রকার


কার্যক্রম এবং রক্ষনাবেক্ষণ[সম্পাদনা]

পুরনো সিস্টেমকে ভেঙ্গে কার্যকরী অংশ রেখে নতুন অংশে চলে যাওয়ার (ডিকমিশনিং অর্ দ্য সানসেট) আগে পর্যন্ত পরিবর্তন এবং পরিবর্ধন সিস্টেমের অন্তর্গত. সিস্তেমের রক্ষনাবেক্ষণ SDLC-র একটি গুরুত্ব পূর্ণ লক্ষ্য. সংগঠনের মধ্যে যেহেতু গুরুত্বপূর্ণ পদের অদল বদল হয় এবং তারই সঙ্গে নতুন পরিবর্তনের প্রয়োগ হয়, সেহেতু সিস্টেমের সব সমন্য়েই আধুনিকিকরনের(আপডেট) প্রয়োজন হয়.


সিস্টেম বিকাশ জীবন-বৃত্ত বিষয়সমূহ[সম্পাদনা]

রক্ষনাবেক্ষণ এবং নিয়ন্ত্রণ[সম্পাদনা]

কর্তৃপক্ষের নিয়ন্ত্রনের সহিত সম্পর্কযুক্ত SDLC পর্যায় গুলি [10]


সিস্টেম্স বিকাশ জীবন বৃত্ত (SDLC) পর্যায়গুলি প্রকল্প কাজকর্মের প্রোগ্রাম অনুযায়ী নির্দেশিকার কাজ করে এবং প্রকল্পটিকে এমন নমনীয় অথচ নিয়মিতভাবে পরিচালনা করে যাতে প্রকল্পটির সম্ভাবনা আর গভীরতার একটি সুন্দর সাযুজ্য থাকে. প্রতিটি SDLC পর্যায়ের উদ্দেশ্য এই অংশে বিবৃত আছে, যেমন এতে আছে - সুপারিশ করা কাজগুলির বর্ণনা এবং একটি সুষ্ঠ ব্যবস্থাপনার নিয়ন্ত্রিত উদ্দেশ্য গুলির মধ্যেকার সম্পর্কের সংক্ষিপতস়ার . প্রকল্প সম্পাদনের সময় প্রতিটি SDLC পর্বের ক্ষেত্রে নিয়ন্ত্রিত উদ্দেশ্য স্থাপন করা এবং নজরদারী করা প্রকল্প অধিকর্তা (প্রজেক্ট ম্যানেজার)- এর পক্ষে কঠিন. নিয়ন্ত্রিত উদ্দেশ্যগুলি অভিপ্রেত ফল বা উদ্দেশ্য সম্পর্কিত পরিষ্কার বার্তা পেতে সাহায্য করে আর তাই সম্পূর্ণ SDLC প্রক্রিয়ায় এর ব্যবহার থাকা উচিত. নিয়ন্ত্রিত উদ্দেশ্যফুলিকে SDLC-র পর্যায়গুলির সম্পর্ক অনুযায়ী কয়েকটি বড় দলে ভাগ করা যায়. যেমন ছবিতে দেখানো আছে. [৭]


যেকোনো SDLC-র উদ্যোগ সামলানো এবং নিয়ন্ত্রণ করার জন্য প্রতিটি প্রকল্পরই কিছু পরিমান ওয়ার্ক ব্রেক-ডাউন স্ট্রাকচার (WBS) স্থাপন করার প্রয়োজন হয়, যাতে প্রকল্প শেষ করার জন্য প্রয়োজনীয় কাজ গুলি আয়ত্বে এবং তালিকাভুক্ত করা যায়. প্রকল্প নোট-বুকে প্রকল্প বর্ণনা অংশে WBS টি এবং সমস্ত কর্মসূচি জাতীয় উপকরণগুলি নথীভুক্ত থাকা উচিত. দি ডাব্লিউবিএস এর গঠনতন্ত্র কেমন হলে সবথেকে ভালোভাবে প্রকল্পের কাজ গুলি ব্যাখ্যা করা হাবে, তা প্রকল্প অধিকর্তাই ঠিক করবেন. এমন কিছু গুরুত্বপূর্ণ পরিসর থাকবে যা অবশ্যই SDLC নীতি-র অংশ হিসেবে WBS এর মধ্যে চিহ্নিত হবে. নীচের বিসয়্মুখী চিত্র (ডায়াগ্রাম)টি 3 টি গুরুত্বপূর্ণ পরিসর (এরিয়া) বর্ণনা করছে, যা একজন প্রকল্প অধিকর্তার উপায় অনুসারে wbs-এর মধ্যে রাখা হবে. [৭]


ওয়ার্ক ব্রেক-ডাউন স্ট্রাকচার ওর্গনাইজেশোন[সম্পাদনা]

ওয়ার্ক ব্রেক-ডাউন স্ট্রাকচার[13]

ওয়ার্ক ব্রেক-ডাউন স্ট্রাকচার (WBS) এর উপরের অংশে প্রধান পর্যায়গুলি এবং বৈশিষ্ঠ্যগুলি সংক্ষেপে চিহ্নিত করা হয়. উপরন্তু, উপরের অংশতে প্রকল্পের সম্পূর্ণ পরিসর এবং সময়সীমার ধারণা দেবে এবং প্রকল্প অনুমোদনের জন্য প্রকল্পটির প্রারম্ভিক বর্ণনা দেওয়ায় সচেষ্ট হবে. WBS-এর মধ্যবর্তী অংশটি WBS কর্মবিকাশের একটি নির্দেশিকা হিসেবে 7 টি সিস্টেম্স বিকাশ জীবন বৃত্ত (SDLC)'র উপর ভিত্তি করে রয়েছে. WBS উপকরন্ফুলির মধ্যে মাইলস্টোনস এবং একটিভিটিস'এর পরিবর্তে 'টাস্ক' থাকবে এবং একটি নির্দিষ্ট সময় (সাধারনত: দুই বে তার বেশি সপ্তাহ) থাকবে. প্রতিটি টাস্কের একটি পরিমাপযোগ্য আউটপুট (যেমন প্রমানও তথ্য, সিদ্ধান্ত অথবা বিশ্লেষণ) থাকবে. একটি WBS টাস্ক এক বে একাধিক 'একটিভিটিস'-এর উপর নির্ভর করতে পারে (যেমন, সফটওয়ার ইঞ্জিনিয়ারিং, সিস্টেম ইঞ্জিনয়ারিং) এবং প্রকল্পের বাইরের বা ভিতরের অন্ন্যান্ন্য টাস্কের সঙ্গে নিকট সমন্বের প্রয়োজন হতে পারে. প্রকল্পের যে কোন অংশ যদি চুক্তিকারী দের (কনট্র্যাকটরস)দের থেকে সহায়তা পেতে চায় তাহলে SDLC পর্জায়্ফুলির উপযুক্ত 'টাস্ক' অন্তর্ভুক্তির লিখিত স্টেটমেন্ট অফ ওয়ার্ক (SOW) প্রস্তুত করতে হবে. SDLC'র কোন নির্দিস্ত্র পর্যায়ে SOW'র প্রয়োজন ঘটে না, কিন্তু SDLC পদ্ধতি থেকে কাজ অন্তরভুক্ত করার সময় দেখা দিতে পারে, যা কিনা কনট্র্যাকটর-এর মতো কোন বারইয়ের উত্স দ্বারা পরিচালিত. [৭]


SDLC ভিত্তিরেখা[সম্পাদনা]

ভিত্তিরেখাফুলি SDLC'র একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ. এস দি এল সি'র পাঁচটি পর্যায়ের চতুর্থটির পর প্রতিষ্ঠিত এবং মডেলের পৌন:পনিক চরিত্রের জন্য জটিল.[৮] প্রতিটি ভিত্তিরেখা SDLC'র মাইলস্টোন হিসেবে বিবেচিত.


  • ফাংশানাল বেসলাইন(কার্যকালীন ভিত্তিরেখা) : ধারণা সম্মত নক্সা পর্যায়ের পর প্রতিষ্ঠিত
  • এলোকেটেড বেসলাইন (বন্টিত ভিত্তিরেখা) প্রথমিক নকশা প্রজায়ের পর প্রতিষ্ঠিত
  • প্রডাক্ট বেসলাইন (উত্পাদন ভিত্তিরেখা) : বিস্তারিত নক এবং বিকাশের পর্যায়ের পর প্রতিষ্ঠিত
  • আপডেটেড প্রডাক্ট বেসলাইন (আধুনিক উত্পাধন ভিত্তিরেখা) : উত্পাধন-নির্মার-পর্যায়ের পর প্রতিষ্ঠিত


SDLC'র পরিপূরক[সম্পাদনা]

এস দি এল সি'র পরিপূরক সফটওয়ার বিকাশ প্রণালী (সফটওয়ার ডেভেলপমেন্ট মেথডস) গুলি হল :


তুলনামূলক প্রনালীসমুহ ( পোস্ট এন্ড এন্ডারসন, 2006)
[৯]

!style="background:#ffdead;" fontweight="bold"| SDLC !style="background:#ffdead;"| RAD !style="background:#ffdead;"| ওপেন সোর্স !style="background:#ffdead;"| অবজেক্টস !style="background:#ffdead;"| JAD !style="background:#ffdead;"| প্রোটোটাইপিং !style="background:#ffdead;"| এন্ড ইউসার |- | width="5%"|নিয়ন্ত্রণ | width="5%"|ফরমাল | width="5%"| MIS | width="5%"| দুর্বল | width="5%"| মান | width="5%"| সংযোগ | width="5%"| ব্যবহারকারী | width="5%"| ব্যবহারকারী |- | সময় সীমা | দীর্ঘ | হ্রস্য | মধ্যম | যে কোনো | মধ্যম | হ্রস্য | হ্রস্য |- | ব্যবহারকারী | বহু | সামান্য | সামান্য | পরিবর্তনশীল | সামান্য | এক অথবা দুই | এক |- | MIS কর্মী | বহু | সামান্য | শত শত | বিভক্ত | সামান্য | এক অথবা দুই | কিছু নাই |- | আদান-প্রদান/DSS | আদান-প্রদান | উভয় | উভয় | উভয় | DSS | DSS | DSS |- | একত্রিত | সর্বনিম্ন |সর্বনিম্ন | দুর্বল | উইনডোস | জটিল | জটিল | জটিল |- | নথিভুক্তকরণ ও প্রশিক্ষণ | গুরুত্বপূর্ণ | সীমাবদ্ধ | অন্তর্নিহিত | ইন অবজেক্টস | সীমাবদ্ধ | দুর্বল | কিছু নাই |- | বিশুদ্ধতা ও সুরক্ষা | গুরুত্বপূর্ণ | গুরুত্বপূর্ণ | অজানা | ইন অবজেক্টস | সীমাবদ্ধ | দুর্বল | দুর্বল |- | পুনর্ব্যাবহার্যোগ্যতা | সীমাবদ্ধ | কিছু | হতে পারে | গুরুত্বপূর্ণ | সীমাবদ্ধ | দুর্বল | কিছু নাই |- |}


ক্ষমতা এবং দুর্বলতা[সম্পাদনা]

আধুনিক কম্প্যুটার জগতে খুব কমই লোক এহন তাদের সিস্টেম্স বিকাশ জীবন বৃত্তে ওয়ার্টার ফল মডেলব্যবহারে আগ্রহী . কেননা, অনেক আধুনি পদ্ধতিপ্রকরণ, ওই জাতীয় পুরানো ধ্যানধারনাকে ছাড়িয়ে গেছে. অনেকেই এই তর্ক তুলতে পারে যে এজাইল কম্প্যুটিং এর মতো মডেলের ক্ষেত্রে SDLC'র প্রায় কোনো ব্যবহার ই নেই , কিন্তু প্রযুক্তি ক্ষেত্রে এখনো বহুলাংশে এই পরিভাষাটির ব্যবহার রয়েছে. প্রথাগত সফটওয়ার বিকাশের মডেল গুলিতে কাঠামোগত পরিবেশ বজায় রাখতে সিস্টেম বিকাশ জীবন বৃত্তের (SDLC) ব্যবহারিক উপজফিতার অবদান অস্বীকার করা যায়না. SDLC পদ্ধতি ব্যবহারের অনুপজগিতাগুলো সেই সব ক্ষেত্রেই প্রকট হয়ে ওঠে, যে সব ক্ষেত্রে বারংবার অনন্ত সাধনের প্রয়োজন হয় (যেমন ওয়েব ডেভেলপমেন্ট অথবা ই-কমার্স ) যেখানে, নক্সা হওয়া সফটওয়ার, লগ্নীকারী (স্টেকহোল্ডার)দের দ্বারা বারবার পুনর্দর্শন করার প্রয়োজন হয়ে পড়ে SDLC কে ক্ষমতা অথবা দুর্বলতার পরপ্রেক্ষিতে দেখার বদলে, SDLCমডেল থেকে সর্বোত্তম অনুশীলন গ্রহণ করা এবং নকশা হওয়া সফ্তয়ারের জন্য যা সব থেকে উপযুক্ত তাকে প্রয়োগ করাই হল অনেক বেশী প্রয়োজনীয়.


SDLC'র ক্ষমতা ও দুর্বলতার তুলনা :


ক্ষমতা দুর্বলতা
নিয়ন্ত্রণ. বিকাশ সময়ের বেড়ে ওঠা.
বড় প্রকল্প নজরদারী . বিকাশ খরচ বেড়ে ওঠা.
বিস্তারিত ধাপ. সিস্টেমকে গোড়া থেকেই বর্ণনা করার বাধ্যবাধকতা .
খরচ এবং লক্ষ. অনমনীয়তা.
সম্পূর্ণ করার মূল্যায়ন তথ্য তৈরী . খরচ আন্দাজ করার অদুবিধা এবং মাত্রাতিরিক্ত কাজ হওয়ার সম্ভাবনা.
ভালোভাবে ব্যবহারকারীর ইনপুট বিবৃতকরণ . ব্যবহারকারীর ইনপুট মাঝে মধ্যে সীমাবদ্ধ.
রক্ষনাবেক্ষনের সহজতা .
বিকাশ এবং নকশার মান.
NIS স্টাফিং এর পরিবর্তনের সহনশীলতা.


SDLC'র একটি বিকল্প হল রেপিড এপ্লিকেশন ডেভেলপমেন্ট যা প্রোটোটাইপিং-আর জয়েন্ট অপ্লিকাসন ডেভেলপমেন্ট-এর সমন্বয়ে এবং CASE টুলস-এর প্রয়োগে নির্মিত. RAD-এর দুবিধারুলি হল দ্রুতফতি, বিকাশের খরচ কমে আসা এবং বিকাশ প্রক্রিয়ার ব্যবহারকারীর সক্রিয় অংসগ্রহণ.


ওয়াটারফল মডেলটি SDLC'র আদত এবং সব থেকে পুরনো মডেল বলেই এটি সর্বাপেক্ষা কার্যকরী পদ্ধতি, এমনটি ধরে নেওয়া উচিত হবে না. একসময় সয়ংক্রিয় কাজকর্মের জগতে এই মডেলটি লাভ জনক ছিল, কখন মূলত : করনিক এবং হিসেব রক্ষকরাই মডেলটি ব্যবহার করতো. যাইহোক, প্রযুক্তির জগতের বিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে সিস্টেম্স কে আরও বিস্তৃর্ণ কার্যকরী করে তলার চাহিদা সৃষ্টি হলো যাতে তার সাহায্যে হেল্পডেস্ক প্রযুক্তিবিদ/ প্রকাশকরা অথবা তথ্য প্রযুক্তিবিদ/বিশ্লেষকরা উপকৃত হয়.


আরো দেখুন[সম্পাদনা]


উল্লেক্ষ[সম্পাদনা]

  1. "সিস্টেম্স ডেভেলপমেন্ট লাইফসাইকল ". In: Foldoc(2000-12-24)
  2. অব্রাহাম্সন, এত আল.(2003) "নিউ ডাইরেকসংস অন এজাইল মেথডস" : এ কমপ্যারেটিভ এনালিসিস
  3. মরকেল থিউনিসেন, এত আল.(2003). "স্টেনডারডস এন্ড এজাইল সফটওয়ার ডেভেলপমেন্ট"
  4. জেমস তেলর (2004). ম্যানেজিং ইন্ফর্মেসপ টেকনলোজি . পি.39.
  5. জিওফরে ইলিয়ট (2004)গ্লোবাল ইন্ফর্মেসপ টেকনোলজি . পি.87.
  6. (পোস্ট এন্ড এন্ডারসন , 2006)
  7. উদ্ধৃতি ত্রুটি: অবৈধ <ref> ট্যাগ; USHR99 নামের সূত্রের জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  8. বালচারড বি. এস., এন্ড বাবৃক্য়,দ্ব্ল্যু. যে.(2006) সিস্টেম্স ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড এনালাইসিস (ফোর্থ এডিশন) নিউ জার্সি : প্রেন্টিস হল. পি31
  9. পোস্ট , জি., এন্ড এন্ডারসন, দি., (2006). ম্যানেজমেন্ট ইনফরমেশন সিস্টেম্স : সলভিং বিসনেস প্রবলেমস উইথ ইন্ফর্মাসন টেকনোলজি .(4th এডিশন.). নিউ ইঅর্ক: মেকগ্রাও হিল, আরউইন


অধিক পঠনীয়[সম্পাদনা]


বহি : সূত্র[সম্পাদনা]


টেমপ্লেট:Software Engineering টেমপ্লেট:Systems Engineering