বিশ্ব বন্যপ্রাণী দিবস

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
বিশ্ব বন্যপ্রাণী দিবস
বিশ্ব বন্যপ্রাণী দিবস.png
বিশ্ব বন্যপ্রাণী দিবসের লোগো
অন্য নামবন্যপ্ৰাণী দিবস / WWD
পালনকারীজাতিসংঘের সকল সদস্য দেশসমূহে
উদযাপনবিশ্বের বন্যপ্রাণী এবং উদ্ভিদকূলের প্রতি সচেতনতা গড়ে তোলা
তারিখ৩ মার্চ
সংঘটনবাৰ্ষিক

২০১৩ সালের ২০ ডিসেম্বরে অনুষ্ঠিত জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৬৮ তম অধিবেশনে থাইল্যান্ড আন্তৰ্জাতিক বিলুপ্তপ্ৰায় বন্যপ্রাণী এবং উদ্ভিদের বাণিজ্য সম্মেলনে ৩ মার্চকে, বিশ্ব বন্যপ্রাণী দিবস হিসেবে ঘোষণা করার আহ্বান জানায়।[১] বিশ্বের বন্যপ্রাণী এবং উদ্ভিদকূলের প্রতি গণসচেতনতা বৃদ্ধি করা এই দিবসের মূল লক্ষ্য।

জাতিসংঘের রেজুলেশন[সম্পাদনা]

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে উত্থাপিত বিবরণীতে,[২] বন্যপ্ৰাণীদের অপরিহার্য মূল্য এবং বিভিন্ন অবদানের কথা পুনর্ব্যক্ত করা হয়; যেমন- পরিবেশগত, জিনতাত্ত্বিক, সামাজিক, অৰ্থনৈতিক, বৈজ্ঞানিক, শিক্ষাবিষয়ক, সাংস্কৃতিক, বিনোদনমূলক এবং নান্দনিক বিষয়ের সাথে যুগসই উন্নয়ন এবং মানবকল্যাণের দিকে গুরুত্ব আরোপ করা হয়।

২০১৩ সালের ৩ থেকে ১৪ মার্চেথাইল্যান্ডের ব্যাংককে অনুষ্ঠিত আন্তৰ্জাতিক বিলুপ্তপ্ৰায় বন্যপ্রাণী এবং উদ্ভিদের বাণিজ্য সম্মেলনের (CITES) ১৬তম সভায়, বিশেষ রেজ্যুলেশন কনফ. ১৬.১-এর মাধ্যমে জাতিসংঘের সাধারণ সভায় ৩ মার্চকে, বিশ্ব বন্যপ্রাণী দিবস হিসেবে ঘোষণা করার হয়।[৩][৪]

যাতে দিবসটি উদযাপিত করা এবং বিশ্বের বন্যপ্রাণী এবং উদ্ভিদকূলের প্রতি গণসচেতনতা গড়ে তোলা, এবং সিআইটিইএস-এর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকাকে স্বীকার করা যেখানে বলা হয়েছে- আন্তৰ্জাতিক বাণিজ্য যাতে বন্য প্রজাতিদের টিকে থাকতে হুমকি হয়ে না দাঁড়ায় তা নিশ্চিত করা।[৪] সাধারণ পরিষদ থেকে সিআইটিইএস-এর সচিবালয়ে অনুরোধ করা হয় যে জাতিসংঘের প্রাসঙ্গিক সংস্থাসমূহের সহায়তায় যাতে বিশ্ব বন্যপ্রাণী দিবস বাস্তবায়নকে সহজতর করা হয়।

প্রতিপাদ্য বিষয়[সম্পাদনা]

২০২০:২০২০ সালের প্রতিপাদ্য বিষয় হল: “পৃথিবীর অস্থিত্বের জন্য প্রাণীকূল বাঁচাই”

২০১৭: ২০১৭ সালের প্রতিপাদ্য বিষয় হল: "অনুজদের কথা শুন"।[৫]

২০১৬: ২০১৬ সালের প্রতিপাদ্য বিষয় হল: "বন্যপ্রণীর ভবিষ্যৎ আমাদের হাতে", সাথে উপ-প্রতিপাদ্য বিষয় হল: "হাতীদের ভবিষ্যৎ আমাদের হাতে"।

২০১৫: ২০১৫ সালের প্রতিপাদ্য বিষয় হল: "বন্যপ্রাণী-অপরাধ বিষয়ে মনযোগী হওয়ার এখনই সময়"।

আরো দেখুন[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]