"গোয়াংজু অভ্যুত্থান" পাতাটির দুইটি সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
→‎ইতিহাস: অনুবাদ
(বট নিবন্ধ পরিষ্কার করেছে)
(→‎ইতিহাস: অনুবাদ)
== ইতিহাস ==
আঠারো বছর শাসনের পর রাষ্ট্রপতি পার্ক চুং-হি ১৯৭৯ সালের ২৬শে অক্টোবর আততায়ীর হাতে নিহত হন। এতে দক্ষিণ কোরীয় রাজনীতিতে একটি অস্থিতিশীল অবস্থা সৃষ্টি হয়। সম্পূর্ণ দেশের উপর নতুন রাষ্ট্রপতি চয় গিউ-হাহ এবং তার মন্ত্রীসভার নিয়ন্ত্রন খুব কমই ছিল। ফলে দ্রুত ক্ষমতা বিস্তার করতে থাকা কোরিয়ান সামরিক বাহিনীর জেনারেল চুন দু-হোয়ান ১৯৭৯ সালের ১২ই ডিসেম্বর দেশটির শাসনভার দখল করেন। 
পার্কের শাসনামলে নিরুদ্ধকৃৎ গণতান্ত্রিক আন্দোলন ১৯৮০ সালের মার্চে বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন সেমিস্টার সূচনার সাথে প্রাণ ফিরে পায়। এই সেমিস্টারে পূর্বে আন্দোলনে অংশ নেয়া বহিস্কৃত অধ্যাপক এবং শিক্ষার্থীদের পুনরায় বিশ্ববিদ্যালয়ে যোগ দেন এবং স্টুডেন্ট ইউনিয়ন গঠন করেন। এই ইউনিয়নই দেশ জুড়ে গণতন্ত্রের চেতনা ছড়িয়ে দেয় এবং সামরিক আইনের পতন ঘটায়। এছাড়াও ন্যুনতম বেতন স্কেল এবং গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ছিল তাদের আন্দোলেররই অংশ। <ref>''May, The Triumph of Democracy''. Ed. Shin Bok-jin, Hwang Chong-gun, Kim Jun-tae, Na Kyung-taek, Kim Nyung-man, Ko Myung-jin. Gwangju: May 18 Memorial Foundation, 2004. Page 22.</ref> এই সব কার্যাবলিরই প্রেক্ষিতে ১৯৮০ সালের ১৫ই মে সওউল স্টেশোনেস্টেশনে প্রায় এক লাখ ছাত্র-জনতার উপস্থিতিতে সামরিক আইন বিরোধী আন্দোলন গড়ে উঠে।
 
এর প্রতিক্রিয়ায় চুন দু-হোয়ান বেশ কিছু দমনমূলক পদক্ষেপ গ্রহণ করেন। ১৭ই মে, চুন দু-হোয়ান মন্ত্রীসভাকে চাপ প্রয়োগের মাধ্যমে সম্পূর্ণ রাষ্ট্রের উপর সামরিক আইন বলবৎ করেন। এর আগে, [[জেজু দ্বীপ]] সামরিক আইনের বাইরে ছিল। বর্ধিত সামরিক আইনে সকল বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ, সব ধরণের রাজনৈতিক কর্মকালাপ নিষিদ্ধ এবং গণমাধ্যমকে কব্জা করা হয়। সামরিক আইনকে কার্যকর করতে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে সৈন্য পাঠানো হয়। একই দিনে ৫৫ টি বিশ্ববিদ্যালয়ের স্টুডেন্ট ইউনিয়নের ছাত্রনেতারা ১৫ইমে গণঅভ্যুত্থানের পরবর্তী পদক্ষেপ কী হতে পারে তা নিয়ে বৈঠক করার সময় নিরাপত্তা কমান্ড ধ্বংসমূলক কার্যকালাপে যুক্ত থাকার অভিযোগে ২৬ জন রাজনীতিবিদকে গ্রেফতার করে। এদের মধ্যে দক্ষিণ জল্লা প্রদেশের কিম দে-জুংও ছিলেন।
 
== তথ্যসূত্র ==

পরিভ্রমণ বাছাইতালিকা