বানৌজা বরকত

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
ইতিহাস
বাংলাদেশ
নাম: বানৌজা বরকত
কমিশন লাভ: ৯ এপ্রিল ১৯৯৬
মাতৃ বন্দর: চট্টগ্রাম
অবস্থা: সক্রিয়
সাধারণ বৈশিষ্ট্য
প্রকার ও শ্রেণী: হাইঝুই শ্রেণী ডুবোজাহাজ বিধ্বংসী
ওজন: ১৭০ টন
দৈর্ঘ্য: ৪১ মি (১৩৫ ফু)
প্রস্থ: ৫.৩ মি (১৭ ফু)
ড্রাফট: ১.৮ মি (৫.৯ ফু)
প্রচালনশক্তি:
  • ২× চীনা এল-১২ভি-১৮০এ ডিজেল ইঞ্চিন, ৪,৪০০ অশ্বশক্তি (৩,২৮১ কিওয়াট)
  • 4 × শ্যাফট
গতিবেগ: ২৫ নট (৪৬ কিমি/ঘ; ২৯ মা/ঘ)
সীমা: ৭৫০ মা (১,২১০ কিমি) at ১৭ নট (৩১ কিমি/ঘ; ২০ মা/ঘ)
লোকবল: ৪৩
সেন্সর এবং
কার্যপদ্ধতি:
  • 1 × Pot Head surface search radar
  • 1 × high frequency hull mounted active sonar
রণসজ্জা:
টীকা: Pennant Number: P 711

বানৌজা বরকত বাংলাদেশ নৌবাহিনীর একটি হাইঝুই শ্রেনীর ডুবোজাহাজ বিধ্বংসী জাহাজ। এটি ১৯৯৬ সাল থেকে বাংলাদেশ নৌবাহিনীর বহরে যুক্ত রয়েছে।

বরকত ১৯৯৬ সালের ৯ এপ্রিল বাংলাদেশ নৌবাহিনীতে কমিশন লাভ করে। একে চট্টগ্রামে নিয়োগ করা হয়েছে।

জাহাজটি দুটি টাইপ ৬৯ টুইন ১৪.৫ মিমি ভারী মেশিনগান এবং দুটি টাইপ ৭৬ এ টুইন ৩৭ মিমি নেভালগান দিয়ে সজ্জিত।[১] এই টাইপ ৭৬এ বন্দুকটি সিআইডব্লিউএস হিসাবেও ব্যবহার করা যেতে পারে। ডুবোজাহাজ বিধ্বংসী অপারেশনের জন্য, এটি বিভিন্ন ধরণের অস্ত্র যেমন একটি আরবিইউ-১২০০ অ্যান্টি-সাবমেরিন রকেট লাক্সার এবং ৮ ডিপ্থ চার্জ সহ দুটি অ্যান্টি-সাবমেরিন মর্টার ব্যবহার করে। এছাড়াও, এই জাহাজটি ১০টি নৌবোমা বহন করতে পারে।

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "Barkat ('Haizhui' class/Type 062) small Coastal Patrol Craft"globalsecurity। সংগ্রহের তারিখ ১৮ আগস্ট ২০২০