বানৌজা দুর্ধর্ষ

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
ইতিহাস
বাংলাদেশ
নাম: বানৌজা দুর্ধর্ষ
নির্মাতা: জিংনান শিপইয়ার্ড, সাংহাই
কমিশন লাভ: ১০ নভেম্বর ১৯৮৮
কার্যসময়: ১৯৮৮ - বর্তমান
শনাক্তকরণ: Pennant number: P-8125
অবস্থা: সক্রিয়
সাধারণ বৈশিষ্ট্য
প্রকার ও শ্রেণী: টাইপ ০২১-শ্রেণী ক্ষেপণাস্ত্র জাহাজ
ওজন:
  • ১৭১ টন আদর্শ
  • ২০৫ টন পূর্ণ বোঝাই
দৈর্ঘ্য: ৩৮.৬ মি (১২৭ ফু)
প্রস্থ: ৭.৬ মি (২৫ ফু)
গভীরতা: ২.৭ মি (৮ ফু ১০ ইঞ্চি)
প্রচালনশক্তি:
  • 3 × 4,000 hp diesel engines
  • Three shafts
গতিবেগ: ৩৫ নট (৬৫ কিমি/ঘ; ৪০ মা/ঘ)
সীমা: ৮০০ নটিক্যাল মাইল (১,৫০০ কিমি; ৯২০ মা) at ৩০ নট (৫৬ কিমি/ঘ; ৩৫ মা/ঘ)
লোকবল: 28
সেন্সর এবং
কার্যপদ্ধতি:
1 × Type 352 Square Tie
রণসজ্জা:

বানৌজা দুর্ধর্ষ বাংলাদেশ নৌবাহিনীর একটি টাইপ ০২১ ক্ষেপণাস্ত্র নৌকা। এটি ১৯৮৮ সাল থেকে বাংলাদেশ নৌবাহিনীর বহরে যুক্ত রয়েছে।

জাহাজটি ৪০০০ অশ্ব শক্তির তিনটি ডিজেল ইঞ্জিন দ্বারা চালিত। দুর্ধর্ষের সর্বোচ্চ গতি ৩৫ নট (ঘন্টায় ৬৫ কিলোমিটার বা ৪০ মাইল)। এর রেঞ্জ ৩০ নট (ঘন্টায় ৫৭ কিলোমিটার বা ৩৫ মাইল) এর ৮০০ ন্যাটিক্যাল মাইল (১৫০০ কিলোমিটার, ৯২০ মাইল)।[১]

জাহাজটি চারটি সি-৭০৪ জাহাজ বিরোধী ক্ষেপণাস্ত্র এবং দুটি একে-২৩০ ৩০ মিমি বন্দুকে সজ্জিত, বো ও স্ট্রিন্ট এর উপর মাউন্ড করা। এটি সমুদ্রপৃষ্ঠ অনুসন্ধানের জন্য এক ধরণের ৩৫২ স্কয়ার টাই রাডার দিয়ে সজ্জিত।[১][২][৩]

দুর্ধর্ষ ১৯৮৮ সালের ১০ নভেম্বর বাংলাদেশ নৌবাহিনীতে কমিশন লাভ করে। ১৯৯১ সালের ঘূর্ণিঝড়ের বেশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়, পরবর্তীতে মেরামত করে বহরে ফিরিয়ে আনা হয়। ২০১০ সালে মিড লাইফ আপগ্রেডেশন হিসেবে পুরনো এসওয়াই-১ ক্ষেপণাস্ত্রকে সি-৭০৪ ক্ষেপণাস্ত্র দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়।

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. Saunders, Stephen (২০০৭)। Jane's Fighting Ships 2007–2008। Coulsdon, Surrey, UK: Jane's। পৃষ্ঠা 49। আইএসবিএন 978-0-7106-2799-5 
  2. Friedman, Norman (২০০৬)। The Naval Institute Guide to World Naval Weapon Systems। Annapolis, MD: Naval Institute Press। আইএসবিএন 978-1557502629 
  3. "Huangfeng Class (Type 021)"GlobalSecurity.org। সংগ্রহের তারিখ ৩০ জুন ২০১৫