বানৌজা কুশিয়ারা
| ইতিহাস | |
|---|---|
| নাম: | বানৌজা কুশিয়ারা |
| নির্মাতা: | কোরিয়া টাকোমা, চিনহে, দক্ষিণ কোরিয়া |
| অভিষেক: | ৮ মে, ১৯৭৮ |
| কমিশন লাভ: | ২৭ মে, ২০০০ |
| মাতৃ বন্দর: | চট্টগ্রাম |
| শনাক্তকরণ: | পি১০১২ |
| অবস্থা: | সক্রিয় |
| সাধারণ বৈশিষ্ট্য | |
| প্রকার ও শ্রেণী: | তিতাস-শ্রেণীর টহল জাহাজ |
| ওজন: | ১৪৩ টন |
| দৈর্ঘ্য: | ৩২.৯২ মিটার (১০৮.০ ফুট) |
| প্রস্থ: | ৬.৯২ মিটার (২২.৭ ফুট) |
| ড্রাফট: | ১.৭০ মিটার (৫.৬ ফুট) |
| গভীরতা: | ৩.৮২ মিটার (১২.৫ ফুট) |
| প্রচালনশক্তি: |
|
| গতিবেগ: | ৩৮ নট (৭০ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টা; ৪৪ মাইল প্রতি ঘণ্টা) |
| সীমা: | ১,০০০ নটিক্যাল মাইল (১,৯০০ কিলোমিটার; ১,২০০ মাইল), ২০ নট (৩৭ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টা; ২৩ মাইল প্রতি ঘণ্টা) গতিতে |
| লোকবল: | ৩১ জন |
| সেন্সর এবং কার্যপদ্ধতি: | ১ × ফুরুনো এফএআর২১১৭ এক্সএন-২৪এএফ নেভিগেশন র্যাডার (জাপান) |
| রণসজ্জা: |
|
বাংলাদেশ নৌবাহিনী জাহাজ (সংক্ষেপেঃ বানৌজা) কুশিয়ারা একটি তিতাস-শ্রেণীর টহল জাহাজ। এটি নদী এবং উপকূলবর্তী অঞ্চলে টহল প্রদান, উদ্ধার ও অনুসন্ধান কার্যক্রম, অবৈধ অনুপ্রবেশ ও চোরাচালান রোধ, জলদস্যূতা দমন, মৎস্য ও প্রাকৃতিক সম্পদ রক্ষায় কার্যকরী ভূমিকা রাখতে সক্ষম।[১][২][৩][৪][৫]
ইতিহাস
[সম্পাদনা]সশস্ত্র বাহিনীর জন্য গৃহীত আধুনিকায়ন পরিকল্পনার অংশ হিসেবে বাংলাদেশ সরকার দক্ষিণ কোরিয়া থেকে বানৌজা কুশিয়ারা জাহাজটি সংগ্রহ করে। পরবর্তীতে ২০০০ সালে জাহাজটি বাংলাদেশ নৌবাহিনীতে কমিশন লাভ করে। বর্তমানে এটি চট্টগ্রামে অবস্থিত বানৌজা ঈসা খান নৌ ঘাঁটিতে মোতায়েন রয়েছে।
বৈশিষ্ট্য ও যান্ত্রিক কাঠামো
[সম্পাদনা]বানৌজা কুশিয়ারা জাহাজটির দৈর্ঘ্য ৩২.৯২ মিটার (১০৮.০ ফুট), প্রস্থ ৬.৯২ মিটার (২২.৭ ফুট) এবং গভীরতা ৩.৮২ মিটার (১২.৫ ফুট)। জাহাজটিতে রয়েছে ২টি এমটিইউ ২০ভি৫৩৮ টিবি৯১ ডিজেল ইঞ্জিন (জার্মানি) এবং ২টি শ্যাফট। যার ফলে জাহাজটি সর্বোচ্চ ৩৮ নট (৭০ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টা; ৪৪ মাইল প্রতি ঘণ্টা) গতিতে চলতে সক্ষম। এছাড়াও রয়েছে ১টি ফুরুনো এফএআর২১১৭ এক্সএন-২৪এএফ নেভিগেশন র্যাডার (জাপান)।
রণসজ্জা
[সম্পাদনা]বানৌজা কুশিয়ারা জাহাজটির আকার আয়তন অপেক্ষাকৃত ছোট হলেও নদী এবং উপকূলবর্তী অঞ্চলে অভিযান পরিচালনায় এর সক্ষমতা বিশেষভাবে প্রশংসনীয়। শত্রু জাহাজ মোকাবেলা, চোরাচালান রোধ, জলদস্যূতা দমনে জাহাজটিতে রয়েছে:
- ১টি বোফোর্স এল/৭০ সিঙ্গেল ব্যারেল ৪০ মিমি বিমান বিধ্বংসী কামান
- ১টি টুইন ব্যারেল এমারলেক ইই-৩০ মিমি বিমান বিধ্বংসী কামান
- ২টি ১২.৭ মিমি বিমান বিধ্বংসী মেশিনগান।
তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- ↑ "মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযানে ৫২ কোটি ৫৬ লাখ টাকা মূল্যের ৮৭ লাখ ২৯ হাজার মিটার অবৈধ জাল আটক করেছে নৌবাহিনী"। আইএসপিআর। ২৪ অক্টোবর ২০২২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১১ নভেম্বর ২০২২।
- ↑ "সমুদ্রের অতন্দ্র প্রহরী। বাংলাদেশ নৌবাহিনী জাহাজ। সুন্দরবন,মোংলা #Shorts"। ২৬ মার্চ ২০২৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৬ মার্চ ২০২৩।
- ↑ "নৌবাহিনীর জাহাজ যেভাবে ঘাট ত্যাগ করে। বানৌজা কুশিয়ারা (P1012)"। www.facebook.com। সংগ্রহের তারিখ ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৪।
- ↑ "REPAIR -BNS KUSIYARA"। www.dewbn.gov.bd। সংগ্রহের তারিখ ৮ নভেম্বর ২০২৪।[স্থায়ীভাবে অকার্যকর সংযোগ]
- ↑ "বাংলাদেশ নৌবাহিনীর জাহাজ (P1012)"। www.facebook.com। সংগ্রহের তারিখ ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৪।