বন্দনা পাঠক

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
বন্দনা পাঠক
Meying chang and vandana pathak colors indian telly awards.jpg
জন্ম
বন্দনা বৈদ্য

(1956-01-26) ২৬ জানুয়ারি ১৯৫৬ (বয়স ৬৪)
জাতীয়তাভারতীয়
পেশাঅভিনেত্রী
কর্মজীবন১৯৯৫–বর্তমান
দাম্পত্য সঙ্গীনীরাজ পাঠক
সন্তান

বন্দনা পাঠক (বিবাহপূর্ব বন্দনা বৈদ্য) হলেন একজন ভারতীয় চলচ্চিত্র, থিয়েটার এবং টেলিভিশন অভিনেত্রী। তিনি জনপ্রিয় টেলিভিশন ধারাবাহিক খিচড়ি সিরিজে জয়শ্রী পারেখের চরিত্রে অভিনয় করেছেন। এছাড়াও স্টার প্লাসে সম্প্রচারিত জনপ্রিয় ধারাবাহিক সাথ নিভানা সাথিয়ায় গৌর নামক নেতিবাচক চরিত্রে অভিনয় করেছেন। তিনি বেশ কয়েকটি গুজরাতি ধারাবাহিকেও অভিনয় করেছেন।[১][২] প্রায় দুই দশকেরও বেশি সময়ের অভিনয় জীবনে তিনি বেশিরভাগ কমেডি ধারাবাহিক এবং সিটকমে অভিনয় করেছেন।

তিনি আহমেদাবাদে জন্মগ্রহণ করেছেন এবং সেখানেই তাঁর শৈশব অতিবাহিত করেছেন। তিনি গুজরাতি অভিনেতা অরবিন্দ বৈদ্যের কন্যা। ১৯৯৫ সালে জনপ্রিয় সিটকম হাম পাঁচ অভিনয়ের মাধ্যমে তিনি টেলিভিশনে অভিষেক করেন। তিনি উক্ত ধারাবাহিকে মীনাক্ষী মাথুর নামক চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন, যার জন্য তিনি রাতারাতি জনপ্রিয়তা অর্জন করেছিলেন।

পেশা[সম্পাদনা]

১৯৯৫ সালে তিনি হাম পাঁচ ধারাবাহিক দিয়ে তাঁর অভিনয় জীবন শুরু করেছিলেন, যা সে সময়ের অন্যতম জনপ্রিয় কৌতুক অনুষ্ঠানে পরিণত হয়েছিল। অতঃপর তিনি গুজরাতি নাটকেও অভিনয় করেছিলেন।[৩] হাম পাঁচের বিশাল সাফল্যের পরে, পাঠক রাতারাতি তারকা হয়ে ওঠেন এবং তিনি উক্ত ধারাবাহিকটিতে জয়শ্রী পারেখ নামক মূল ভূমিকায় অভিনয় করেন। অতঃপর তিনি খিচড়ি নামে আরেকটি সিটকমে অভিনয় করেন, যা তাঁকে আরও স্বীকৃতি এবং খ্যাতি এনে দিয়েছিল। ২০০৫ সালে তিনি ইন্সট্যান্ট খিচড়ি নামে দ্বিতীয় সংস্করণে একই চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন, যা পূর্ববর্তী সংস্করণের মতো একইরকম সফলতা এনে দিয়েছিল। এই অনুষ্ঠানটি পাঠককে ভারতীয় টেলিভিশন জগতের একজন প্রতিষ্ঠিত অভিনেত্রীতে পরিণত করেছিল। তবে, ২০১০ সালে মুক্তি পাওয়া এই সিরিজের চলচ্চিত্রটিতে নিমিশা ভাখারিয়া তাঁর স্থলাভিষিক্ত হয়েছিলেন।

ব্যক্তিগত জীবন[সম্পাদনা]

পাঠক ভারতের আহমেদাবাদে তাঁর শৈশব অতিবাহিত করেছেন,[৪] যেখানে তাঁর বাবা অরবিন্দ বৈদ্য গুজরাতি থিয়েটারের এক বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব ছিলেন। তিনি লেখক-পরিচালক নীরাজ পাঠকের সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন, যিনি আপনে, গুমনাম (২০০৮) এবং রাইট ইয়া রং (২০১০)-এর মতো চলচ্চিত্র নির্মাণ করেছেন। তাঁদের দুটি সন্তান রয়েছে: ছেলে যশ ও মেয়ে রাধিকা।[৫]

২০১৬ সালে, তিনি সাথ নিভানা সাথিয়া ধারাবাহিকের সেটে সিঁড়ি বেয়ে উঠতে গিয়ে গড়িয়ে পড়ে গিয়ে আহত হয়েছিলেন।[৬]

অনুমান করা হয় যে, পাঠক এবং তাঁর সহশিল্পী রূপল প্যাটেল সাথ নিভানা সাথিয়ার সেটে এক পেশাদার যুদ্ধে লিপ্ত হয়েছিলেন। তবে পাঠক এই গুজবকে অস্বীকার করেছেন এবং বলেছিলেন যে "রূপল একজন পেশাদার অভিনেত্রী এবং আমরা একে অপরকে প্রতিদিন শুভেচ্ছা জানাই। আমরা দুইজন দুই ভিন্ন ব্যক্তিত্ব।''[৭]

চলচ্চিত্রের তালিকা[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. Maheshwri, Neha (১২ নভেম্বর ২০১১)। "Vandana Pathak on new TV show"। The Times of India। সংগ্রহের তারিখ ২৩ মার্চ ২০১৩ 
  2. "Vandana Pathak takes cue from her mother"। Telly Chakkar। ২৯ জানু ২০১২। সংগ্রহের তারিখ ২৮ মার্চ ২০১৩ 
  3. "Vandana Pathak Biography"। ৪ মার্চ ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। 
  4. "Makarsankranti celebration in RK Laxman..."। The Times of India। ১৪ জানু ২০১২। সংগ্রহের তারিখ ২৮ মার্চ ২০১৩ 
  5. "Will the real Jayshree please stand up?"। MiD DAY। ২০১০-১০-০১। সংগ্রহের তারিখ ২৮ মার্চ ২০১৩ 
  6. "Television actors who got injured | The Times of India"The Times of India। সংগ্রহের তারিখ ২০১৮-০৫-০৫ 
  7. "All's not well between the two MILs of Saathiya? - Times of India"The Times of India। সংগ্রহের তারিখ ২০১৮-০৫-০৬ 

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]