ফ্রান্সিসকো গাভিদিয়া

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
ফ্রান্সিসকো গাভিদিয়া
ফ্রান্সিসকো গাভিদিয়া.jpg
জন্ম(১৮৬৩-১২-২৯)২৯ ডিসেম্বর ১৮৬৩
স্যান মিগুয়েল, এল সালভদর
মৃত্যু২৪ সেপ্টেম্বর ১৯৫৫(1955-09-24) (বয়স ৯১)
স্যান সালভেদর, এল সালভাদর
জাতীয়তাসালভাদোরীয়
পেশাকবি, লেখক, শিক্ষাবিদ, সাংবাদিক, ঐতিহাসিক, অনুবাদক, নাট্যকার
আত্মীয়ফ্রান্সিসকো অ্যান্টোনিও গাভিদিয়া (পিতা)
ইলোইসা গুয়ান্দিক ডে গাভিদিয়া (মাতা)

ফ্রান্সিসকো অ্যান্টোনিও গাভিদিয়া গুয়ান্দিক (স্পেনীয়: Francisco Gavidia; জন্ম: ২৯ ডিসেম্বর, ১৮৬৩ - মৃত্যু: ২৪ সেপ্টেম্বর, ১৯৫৫) স্যান মিগুয়েল এলাকায় জন্মগ্রহণকারী প্রথিতযশা সালভাদোরীয় লেখক, শিক্ষাবিদ ও সাংবাদিক ছিলেন। তিনি হিস্পানিক আমেরিকান আধুনিকতাবাদী কবিতায় অন্যতম প্রধান ব্যক্তিত্ব ছিলেন। এল সালভাদরসহ লাতিন আমেরিকার সর্বত্র সাহিত্যিক পরিমণ্ডলে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। তাঁর বিস্তৃত সাহিত্যকর্ম বিশ্বকোষীয় পর্যায়ে উপনীত হয়েছিল। তাঁর কবিতাগুলো আবেগধর্মীতা থেকে নির্দেশিত গভীর সচেতন চিন্তা-ভাবনার প্রতিফলন ঘটায় এবং চিন্তাশীল প্রতিচ্ছবি অঙ্কিত হয়েছিল। ঐ সময়ের ফরাসি কবিতাগুলো তাঁকে বিরাটভাবে প্রভাবিত করে। রুবেন দারিও ও কিউবীয় হোস মার্তি’র ন্যায় কবিকে নিয়ে বর্তমান কাব্যিক ধারাটি প্রবর্তনে সক্ষমতা দেখান। ষটপদী কবিতাগুলোকে স্পেনীয় ভাষায় রূপান্তরকরণসহ গল্প, কবিতা ও প্রবন্ধে অসামান্য ভূমিকা রেখেছেন ফ্রান্সিসকো গাভিদিয়া[১] মূলতঃ ধ্রুপদী সাহিত্য, স্বর্ণযুগ, ফরাসি সংস্কৃতি ও সৃষ্ট ভাষায় অগাধ জ্ঞান ছিল তাঁর। এছাড়াও জার্মান, ইতালীয় ভাষায় পড়তে পারতেন এবং উচ্চস্তরের লেখকদের সাথে সম্পর্ক রাখতেন। পাশাপাশি, তিনি আদিবাসীদের সহায়তা সংক্রান্ত কার্যক্রমে জড়িত ছিলেন এবং মধ্য আমেরিকার সামাজিক একীকরণের বিষয়ে কাজ করেন।[২][৩]

শৈশবকাল[সম্পাদনা]

ফ্রান্সিসকো অ্যান্টোনিও গাভিদিয়া ও ইলোইসা গুয়ান্দিক ডে গাভিদিয়া দম্পতির সন্তান ছিলেন। স্যান মিগুয়েল ডিপার্টমেন্টের কাকাহুয়াতিক পৌর এলাকায় (বর্তমানের - সিটি বারিওস) তাঁর জন্ম।

কেউই সঠিকভাবে ফ্রান্সিসকো গাভিদিয়ার জন্ম সালের কথা বলতে পারেননি। প্রকৃত জন্ম সনদ হারিয়ে যাবার কারণে তাঁর জন্ম সাল নিয়ে বিতর্কের সৃষ্টি হয়। তবে, তাঁর আত্মজীবনীকারদের অভিমত ভিন্নতর। ১৮৬৩ ও ১৮৬৫ সালের মধ্যকার কোন এক ২৯ ডিসেম্বর তারিখে তাঁর জন্ম। হুগো লিন্ডোর মতে, ১৮৬৫ সালকে বেছে নেয়া হয়েছে মূলতঃ কিছু চিহ্নের কারণে। অন্যদিকে, ১৮৬৩ সালের সমর্থনে তথ্য তুলে ধরা হয়েছে।[৪] সর্বোপরি, এল সালভাদরের আইনসভায় এক ঘোষণা জারী করে, শেষের তথ্যকেই তাঁর জন্মতারিখরূপে স্বীকৃতি দেয়া হয়।

জেনারেল জেরার্দো বারিওসের বিধবা পত্নীর সম্পত্তিতে তাঁর পরিবার বসবাস করতেন। পরবর্তীতে গাভিদিয়ার বাবা ঐ সম্পত্তি ক্রয় করেন ও সেখানেই তাঁর শৈশবকাল অতিবাহিত হতে থাকে এবং জানতে পারেন যে, তাঁর দেশের সূর্যাস্ত কতোটা মনোরম। ৮ বছর বয়সে মাতার মৃত্যুর ফলে স্যান মিগুয়েল ডিপার্টমেন্টের পৈত্রিকভিটায় ফিরে যান।[৫]

১৮৮০ সালে তিনি সায়েন্স ও লেটারে স্নাতক ডিগ্রী লাভ করেন। এরপর এল সালভাদর বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হন। অনিচ্ছা স্বত্ত্বেও আইন বিষয়ে পড়তে থাকেন ও এক বছর পর এক পর্যায়ে পড়াশোনা শেষ করে স্বশিক্ষায় অগ্রসর হন। স্পেনীয় ও ফরাসি ভাষায় সহস্রাধিক পুস্তক অধ্যয়ন করেন। অনেকের মাঝেই প্রশ্ন উত্থাপিত হতে থাকে যে, কবি হিসেবে তিনি কোথা থেকে ফরাসি ভাষা শিখেছেন। খামার এলাকায় অবস্থান করে শহরে অবস্থানের কম সুযোগ নিয়ে কিভাবে রোমাঞ্জা ভাষা শেখার বই পেলেন। ফরাসি ভাষা শেখার জন্য তিনি অগাস্টিন কারভিনের কাছে কৃতজ্ঞতাবদ্ধ। ১৮৮০ সালে তাঁকে তিনি প্রয়োজনীয় শিক্ষা দেন। বৈশ্বিক সাহিত্যাঙ্গনে ভিক্টর হুগো, ফ্রাঙ্কোজ ভিলন ও স্টেফান মলার্মের ন্যায় প্রথিতযশা ফরাসি সাহিত্যিকের অমর সৃষ্টিকর্ম দিয়ে অগ্রসর হন তিনি।

কর্মজীবন[সম্পাদনা]

১৮৮২ সালে সাহিত্যিক দল ‘লা জুভেন্তাদের’ সদস্য হন। এতে তিনি তাঁর ফরাসি কবিতার বিষয়ে ব্যাপক পাণ্ডিত্য ও আগ্রহ ব্যক্ত করেন। একই বছরে রুবেন দারিও’র সাথে পরিচয় ঘটে তাঁর। ১৮৯০ সালে তাঁদের মধ্যকার সম্পর্ক আরও গাঢ় হয়। ১৮৯০ সালে দারিও’র বিবাহ অনুষ্ঠানে ধর্মপিতার দায়িত্ব পালন করেন।[৬]

১৮৮৭ সালে এক সাংবাদিকের কন্যাকে বিয়ে করার এক বছর পর ‘দি উইকলি নিউজপেপার’ প্রতিষ্ঠা করেন। এ সংবাদপত্রটি প্রত্যেক বৃহস্পতিবার প্রকাশিত হতো। পাশাপাশি স্যান সালভাদর বিজ্ঞান ও কলা একাডেমির গোড়াপত্তন ঘটান। জেনারেল ফ্রান্সিসকো মেনেন্দেজ সরকারের পতন ঘটলে তাঁকেও দেশান্তরী হতে হয়। কোস্টারিকায় চলে যান ও ১৮৯১ থেকে ১৮৯২ সময়কালে ফ্রি প্রেসের পরিচালক হিসেবে সাংবাদিকতা কার্যক্রমের ধারাবাহিকতা বজায় রাখেন।

২০ মে, ১৮৮৮ তারিখে স্যান সালভাদর বিজ্ঞান ও কলা একাডেমি প্রতিষ্ঠা করেন। সাপ্তাহিকভিত্তিতে ১৮৮৮ সালে থার্সডে, ১৮৯০ সালে দি ইভল্যুশন ক্লাব ও ১৮৯৫ সালে পার্টি পার্লিয়ামেন্টারির প্রতিষ্ঠাতা তিনি। স্যান হোসভিত্তিক প্রেন্সা লাইব্রে সংবাদপত্রের পরিচালকের দায়িত্বে ছিলেন। ১৮৯৬ সালে প্রাথমিক সাধারণ শিক্ষার পরিচালক মনোনীত হন এবং ১৮৯৮ সালে জন নির্দেশনা মন্ত্রী ছিলেন তিনি।

এল সালভাদরে ফিরে আসার পর ১৮৯৪ সালে এল সালভাদর অফিসিয়াল জার্নালের সম্পাদকের দায়িত্ব গ্রহণ করেন। এছাড়াও, নর্মাল লেডিজ স্কুল, জাতীয় পুরুষ ইনস্টিটিউট ও এল সালভাদর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ছিলেন।[৭] ১৯০৬ থেকে ১৯১৯ সাল পর্যন্ত ন্যাশনাল লাইব্রেরি ফ্রান্সিসকো গাভিদিয়ায় সম্মানসূচক পরিচালক পদে ছিলেন। ১৯১২ সালে এল সালভাদর অ্যাটেনিও’র সদস্য হন।

সাহিত্যকর্ম[সম্পাদনা]

ধ্রুপদী সাহিত্য, সাংবাদিকতা ও রাজনৈতিক অঙ্গনে তাঁর জীবন পরিপূর্ণময় হয়ে উঠেছিল। নিজ দেশে শিক্ষাগ্রহণ করেন। ইউরোপ, উত্তর ও দক্ষিণ আফ্রিকা ভ্রমণে যান। কাব্যিকপ্রেমে পড়ে যান তিনি। বিখ্যাত ফরাসি আবেগধর্মী কবি ভিক্টর হুগো, লামার্তিনের কবিতা অনুবাদ করেন ও তাঁর ছাত্র রুবেন দারিওকে নিয়ে এর সমৃদ্ধায়ণে অগ্রসর হন। নিজস্ব আনন্দ-বেদনা ভাগ করে নিতেন উভয়েই।[৮]

তাঁর কালোত্তীর্ণ কবিতাগুলোর পাশাপাশি একই ধারা বজায় রেখে মঞ্চ নাটকে অগ্রসর হয়েছিলেন তিনি। তাঁর নির্দেশনায় ১৮৮৫ সালে ‘জুপিটার’, ১৮৮৯ সালে ‘আরসিনো’, ১৯০১ সালে ‘কাউন্ট অব স্যান সালভাদর’ বা দ্য গড অব দ্য থিংস, ১৯১৪ সালে ‘লুসিয়া লাসো বা দ্য পাইরেটস’,[৯] ১৯২০ সালে ‘দি আইভোরি টাওয়ার’ নাটক এবং ১৯৪৪ সালে গীতনাট্য ‘প্রিন্সেস কাতালা’ মঞ্চস্থ হয়েছিল। ১৯৪৯ সালে ‘সতির বা দ্য ল্যান্ড অব প্রেসিস কবিগা’ প্রকাশ করেন। সালভাদোরীয় ছোটগল্পের পথিকৃৎ তিনি। ১৯০৬ সালে এল সালভাদর নামীয় নতুন ভাষার সৃষ্টির প্রস্তাবনা আকারে পেশ করেন। একই সালে টি অ্যারোনটস শিরোনামে ষটপদী কবিতা প্রকাশের জন্য ব্রাজিলীয় আলবার্তো সান্তোস দুমন্ত আকাশে চড়েন।[১০]

মূল্যায়ণ[সম্পাদনা]

গাভিদিয়ার জ্ঞানের গভীরতা বেশ ব্যাপক ছিল যা তাঁর পূর্বেকার লেখক কিংবা তাঁর সমসাময়িক লেখকদের মাঝে দেখা যায়নি। তিনি ফরাসি ষটপদী ছন্দ আবিষ্কার করেন ও নিকারাগুয়ার কবি রুবেন দারিওকে শিক্ষা দেন। তাঁর জানার আগ্রহের ফলেই সাহিত্যের সকল শাখায় অবাধ বিচরণ ছিল। ফলশ্রুতিতে কেউ কেউ দাবী করেন যে, তাঁর সাহিত্যকর্ম অনেকাংশেই বিচ্ছিন্ন ছিল। প্রচলিত ধারা ভেঙ্গে ফেলার ক্ষেত্রে তাঁর এই বৈচিত্র্যতা তেমন সমৃদ্ধ না হলেও এর সম্পূর্ণই সালভাদোরীয় সাংস্কৃতিক চিন্তাধারায় উৎসর্গ করে গেছেন। প্রাক-হিস্পানিক এবং দেশে ঔপনিবেশিক শাসনের অতীতকে ঘিরে অধ্যয়ন করেছেন। কবিতা লেখার পাশাপাশি তিনি সাংবাদিকতা ও সাহিত্যিক কর্মকাণ্ডে মনোনিবেশ ঘটিয়েছেন। শিক্ষা ব্যবস্থায়ও সচেতন ছিলেন। শিক্ষার সমৃদ্ধি আনয়ণে অগণিত প্রবন্ধ প্রকাশ করেছেন।

১৯৩৩ সালে আইন পরিষদ ‘সালভাদোরীয় মেরিতিসিমো’রূপে ঘোষণা করে।[১১] ১৯৩৯ সালে স্যান মিগুয়েল নগর কর্তৃপক্ষ তাঁর স্মরণে সিটি থিয়েটারের নতুন নাম তাঁকে ঘিরে রাখে।[১২] ১৯৪১ সালে এল সালভাদর বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ তাঁকে ‘ডক্টরেট অনারিস কসা’ প্রদান করে। জীবনের শেষদিকে এল সালভাদরের সর্বোচ্চ জাতীয় পুরস্কার ‘হোস মাতিয়াস দেলগাদো’ লাভ করেন। মৃত্যুর অল্প কিছুদিন পূর্বে রোসালেস হাসপাতালে রাষ্ট্রপতি অস্কার অসোরিও হাসপাতালে শয্যায় অবস্থানরত গাভিদিয়াকে এ পুরস্কার দেন। রামোন লোপেজ জিমেনেজের নিয়ন্ত্রণাধীন সালভাদোরীয় ভাষা একাডেমি উষ্ণ পূর্বাঞ্চলীয় এলাকায় বেড়ে উঠা গাভিদিয়ার স্মরণকে ১৯৬৫ সালকে গাভিদিয়ান বর্ষরূপে নামাঙ্কিত করে। তাঁর সম্মানার্থে ১৯৮১ সালে ফ্রান্সিসকো গাভিদিয়া বিশ্ববিদ্যালয় স্যান সালভাদরে প্রতিষ্ঠিত হয়।[১৩]

ব্যক্তিগত জীবন[সম্পাদনা]

খ্যাতনামা সাংবাদিক কার্লোস বনিলা’র কন্যা ইসাবেল বনিলা’র প্রেমে পড়েন। চার বছর চুটিয়ে প্রেম করার পর ১৪ সেপ্টেম্বর, ১৮৮৭ তারিখে স্যান সালভাদরে বিবাহ-বন্ধনে আবদ্ধ হন। এ দম্পতির ১২ সন্তানের জন্ম হয়। তবে কেবলমাত্র তিনজনই জীবিত ছিলেন। ২৪ সেপ্টেম্বর, ১৯৫৫ তারিখে স্যান সালভাদরে তাঁর দেহাবসান ঘটে।

ফ্রান্সিসকো গাভিদিয়া স্বীয় স্ত্রী ইসাবেল বনিলা’র সাথে অমর প্রেমের বন্ধনে আবদ্ধ ছিলেন। স্ত্রীর মৃত্যু-পূর্ব পর্যন্ত সঙ্গ পেতেন। কোন একদিন ঘন্টার পর ঘন্টা অধ্যয়ন করার ফলে তাঁর মস্তিষ্ক স্বাভাবিকভাবে কাজ করতে অক্ষমতা প্রকাশ করে। তবে, এল সালভাদরের দায়িত্বপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি রাফায়েল জালদিভারের দৃঢ় হস্তক্ষেপে ও সর্বাত্মক সহায়তায় তাঁর মস্তিষ্কের চিকিৎসার জন্য ফ্রান্সের প্যারিসে পাঠানো হয়েছিল। ঐ সময়ে জালদিভার স্পেনের মাদ্রিদে অবস্থান করেন ও ডিপ্লোমা প্রদান করেন। সেখানে তাঁরা গাভিদিয়াকে স্পেনীয় রয়্যাল একাডেমির সদস্য হিসেবে সম্মানিত করে।

রচনাসমগ্র[সম্পাদনা]

  • Poesía (cuadernillo poético, 1877).
  • Versos (poesía, 1884).
  • Ursino (teatro, 1887).
  • Júpiter (teatro, 1895).
  • El encomendero' y otros cuentos (1901)
  • Estudio y resumen del Discurso sobre el método de Descartes, (1901).
  • Tradiciones (sobre la obra homónima de Ricardo Palma, 1901).
  • Conde de San Salvador o el Dios de Las Casas (novela, 1901).
  • 1814 (ensayo, 1905).
  • Obras (tomo I, 1913).
  • Historia moderna de El Salvador (dos tomos, 1917 y 1918).
  • Cancionero del Siglo XIX (¿1929-1930?).
  • Cuentos y narraciones (1931).
  • Héspero (teatro, 1931).
  • Discursos, estudios y conferencias (1941).
  • La princesa Citalá (teatro, 1946).
  • Cuento de marinos (1947).
  • Sóteer o Tierra de preseas (1949).

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. Francisco Gavidia
  2. Francisco Gavidia
  3. [http: //isthmus .denison.edu/n10/articles/francisco.html Francisco Gavidia, initiator of literature in El Salvador and Salvadoran humanist maximum]
  4. http://www.redicces.org.sv/jspui/Bitstream[স্থায়ীভাবে অকার্যকর সংযোগ] /10972/982/1/Extraordinary% 20ocr.pdf Culture - Journal of the Ministry of Education
  5. Francisco Gavidia
  6. Biography of Spanish American Poetry। San Salvador: Address of Publications। পৃষ্ঠা 50। 
  7. http://www.caratula.net/ediciones/44/critica-mmjimenez.php Francisco Gavidia, translator of the French
  8. "The master of the poet Rubén Darío"। ৬ এপ্রিল ২০১৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১১ জুন ২০১৭ 
  9. http://www.mcnbiografias.com/app-bio/do/show?key=gavidia-francisco Gavidia, Francisco
  10. http://www.epdlp.com/escritor.php?id=2962
  11. https://www.biografiasyvidas.com/biografia/g/gavidia.htm
  12. Francisco Gavidia
  13. http://www.webometrics.info/en/Latin_America/El%20Salvador

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

গ্রন্থপঞ্জী[সম্পাদনা]

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]