ফারাজ আইয়াজ হোসেন

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
ফারাজ আইয়াজ হোসেন
জন্ম(১৯৯৬-০৪-১৫)১৫ এপ্রিল ১৯৯৬
মৃত্যু১ জুলাই ২০১৬(2016-07-01) (বয়স ২০)
জাতীয়তাবাংলাদেশী
অন্য নামছোটু

ফারাজ আইয়াজ হোসেন ছিলেন ২০ বছর বয়সী একজন মুসলিম বাংলাদেশী যাকে ২০১৬ সালের জুলাই মাসের ঢাকা আক্রমনে হত্যা করা হয়।[১][২][৩][৪] তিনি লতিফুর রহমান, ট্রান্সকম গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা এবং শাহনাজ রহমান এর নাতি ছিলেন। ফারাজের বাবা মোহাম্মদ ওয়াকার রহমান এবং মা সিমিন হোসেন যিনি এসকেএফ বাংলাদেশ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং বোর্ড অফ ডিরেক্টরের সদস্য হিসাবে কর্মরত আছেন। ফারাজরা ২ ভাই, ২জনের মধ্যে ফারাজ ছোটো, তার বড় ভাই-এর নাম জারাফ হোসেন। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জর্জিয়াতে অবস্থিত এমরি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ছিলেন ফারাজ এবং দূর্ঘটনার সময় তিনি গ্রীষ্মকালীন ছুটিতে ঢাকায় অবস্থান করছিলেন।

শিক্ষাজীবন[সম্পাদনা]

ফারাজ হোসেন তার স্কুল জীবন শুরু করেন তিন বছর বয়সে, স্যার জন উইলসন স্কুলে। সেখানে তিনি ক্লাস ২ পর্যন্ত পড়েন এবং সেখান থেকে চলে আসেন আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল স্কুল, ঢাকাতে। এখান থেকে ২০১৪ সালে গ্রাজুয়েশন শেষ করে যুক্তরাষ্ট্রে এমরি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হন। লেখা পড়ায় কৃতীত্বের জন্য পঞ্চম শ্রেণীতে থাকার সময় যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট এডুকেশন এওয়ার্ড লাভ করেন।[৫]

স্বীকৃতি[সম্পাদনা]

মাদার তেরেসা পুরষ্কার[সম্পাদনা]

ফারাজ আইয়াজ হোসেনকে মাদার তেরেসা মেমোরিয়াল ইন্টারন্যাশনাল অ্যাওয়ার্ড দ্বারা ভূষিত করা হয়। [৬][৭][৮] ২০১৬ সালের জুলাই মাসে ঢাকায় সন্ত্রাসী হামলায় তার বীরত্বপূর্ণ আচরণের জন্য এই পুরষ্কার প্রদান করা হয়। ঐ দিন সন্ত্রাসীরা তাকে হত্যা করে, যদিও একজন বাংলাদেশী এবং মুসলিম হিসাবে তিনি সন্ত্রাসীদের লক্ষ্য ছিলেন না। সন্ত্রাসীরা তাকে চলে যাওয়া সুযোগ দিয়েছিলো কিন্তু সে তার বন্ধুদের পরিত্যাগ করে একা চলে আসতে অস্বীকৃতি জানায়। [৯]

মরণোত্তর মাদার তেরেসা পুরষ্কার দেয়ার ঘটনা এইবারই প্রথম। ফাউন্ডেশনের প্রেসিডেন্ট আব্রাহাম মাথাই এই পুরষ্কারটি তুলে দেন এবং ফারাজের পক্ষে তার বাবা-মা এটি গ্রহণ করেন। [১০][১১]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "Latifur Rahman's grandson killed in Dhaka attack"। ২ জুলাই ২০১৬। 
  2. "20 hostages killed in 'Isil' attack on Dhaka restaurant popular with foreigners"The Telegraph। সংগ্রহের তারিখ ২০১৭-০১-০৫ 
  3. Rome, Saad Hammadi Rosie Scammell in; York, and Alan Yuhas in New (২০১৬-০৭-০৩)। "Dhaka cafe attack ends with 20 hostages among dead"The Guardian (ইংরেজি ভাষায়)। আইএসএসএন 0261-3077। সংগ্রহের তারিখ ২০১৭-০১-০৫ 
  4. CNN, Madison Park, Saeed Ahmed and Steve Visser। "Bangladesh mourns victims of cafe attack"CNN। সংগ্রহের তারিখ ২০১৭-০১-০৫ 
  5. Faraaz Hossain (২০১৭-০১-০৫), "Chotoo" - Faraaz Ayaaz Hossain (with English Subtitle), সংগ্রহের তারিখ ২০১৭-০১-০৬ 
  6. "About Events - Mother Teresa Memorial Awards"Mother Teresa Memorial Awards (en-US ভাষায়)। সংগৃহীত ২০১৭-০১-০৫"About Events - Mother Teresa Memorial Awards"Mother Teresa Memorial Awards (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২০১৭-০১-০৫ 
  7. "Faraaz named for Mother Teresa Award"The Daily Star। ২০১৬-১১-০৮। সংগৃহীত ২০১৭-০১-০৫"Faraaz named for Mother Teresa Award"The Daily Star। ২০১৬-১১-০৮। সংগ্রহের তারিখ ২০১৭-০১-০৫ 
  8. "Gulshan attack victim Faraaz honoured with Mother Teresa Award | Dhaka Tribune"Dhaka Tribune (en-US ভাষায়)। ২০১৬-১১-২১। সংগৃহীত ২০১৭-০১-০৫"Gulshan attack victim Faraaz honoured with Mother Teresa Award | Dhaka Tribune"Dhaka Tribune (ইংরেজি ভাষায়)। ২০১৬-১১-২১। সংগ্রহের তারিখ ২০১৭-০১-০৫ 
  9. "Mother Teresa award for Dhaka cafe attack victim"The Hindu। সংগ্রহের তারিখ ২০১৭-০১-০৫ 
  10. "‘Faraaz is Bangladesh’ posters now define 20-yr-old who stood by his friends during Dhaka attack"The Indian Express। ২০১৬-১১-২১। সংগৃহীত ২০১৭-০১-০৫"'Faraaz is Bangladesh' posters now define 20-yr-old who stood by his friends during Dhaka attack"The Indian Express। ২০১৬-১১-২১। সংগ্রহের তারিখ ২০১৭-০১-০৫ 
  11. "Gariwo: the gardens of the Righteous"en.gariwo.net (en-US ভাষায়)। সংগৃহীত ২০১৭-০১-১১"Gariwo: the gardens of the Righteous"en.gariwo.net (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২০১৭-০১-১১