পিট্টা
| পিট্টা | |
|---|---|
| দক্ষিণ থাইল্যান্ডের হুডেড পিত্তা | |
| বৈজ্ঞানিক শ্রেণীবিন্যাস | |
| জগৎ/রাজ্য: | অ্যানিম্যালিয়া (Animalia) |
| পর্ব: | কর্ডাটা (Chordata) |
| শ্রেণি: | এভিস (Aves) |
| বর্গ: | প্যাসারিফর্মিস (Passeriformes) |
| উপবর্গ: | Tyranni |
| অধিবর্গ: | Eurylaimides |
| মহাপরিবার: | Pittoidea |
| পরিবার: | Pittidae Authority disputed.[ক] |
| Genera | |
সুমচা বা পিট্টা হল পাসসেরিন (চড়ুই জাতীয় পাখি) গণের পাখির একটি পরিবার, যা এশিয়া, অস্ট্রেলেসিয়া এবং আফ্রিকাতে পাওয়া। পৃথিবীতে ৪০-৪২ প্রজাতির সুচমা আছে বলে ধারণা করা হয়, এগুলোর সাধারণ চেহারা ও অভ্যাস প্রায় একই রকম। পিট্টা হল পুরাতন ওয়ার্ল্ড সাবস্কাইন এবং অন্যান্য পাখির মধ্যে তাদের নিকটাত্মীয় হল স্মিথর্ন এবং ক্যাল্টিপটোমেন গণ। পূর্বে এ গণটিকে একমাত্র গণ হিসেবে গণ্য করা হত। পরবর্তীতে ২০০৯ সালে বৈজ্ঞানিক গবেষণার ভিত্তিতে এ গণটি ভেঙে নতুন দুটি গণ হাইড্রর্নিস ও ইরিথ্রোপিট্টা-এর সৃষ্টি হয়। পাসসেরিন আদর্শমান অনুসারে পিট্টা মধ্যম আকারের, ১৫ থেকে ২৫ সেন্টিমিটার (৫.৯ - ৯.৮ ইঞ্চি) দৈর্ঘ্য, এবং সুঠাম, শক্তিশালী, দীর্ঘতম পা বিশিষ্ট। তাদের অত্যন্ত ছোট লেজ এবং স্থূলকায়, শক্তিশালী ও কিছুটা ভোঁতা ঠোঁট রয়েছে। অনেক উজ্জ্বল রঙের পাখা আছে।
অধিকাংশ পিট্টা প্রজাতি ক্রান্তীয়; সামান্য কিছু প্রজাতি নাতিশীতোষ্ণ জলবায়ুতেও পাওয়া যায়। তারা বেশিরভাগই বনভূমিতে পাওয়া যায়, কিন্তু কিছু কিছু স্ক্র্যাপ এবং ম্যানগ্রোভে বাস করে। সুমচা বা পিট্টারা অধিক টেরিস্টোরিয়াল বা এলাকাকাতর এবং বেশিরভাগই নির্জন প্রাণী। নিয়মিত টহল দিয়ে, হাঁকডাক করে প্রত্যেকে নিজের বিচরণভূমি দখলে রাখে। তারা কেঁচো, শামুক, কীটপতঙ্গ এবং অনুরূপ আকারের শিকার, পাশাপাশি ছোট মেরুদন্ডী প্রাণী খায়। পিট্টা একগামী হয় এবং নারী পাখিটি একটি গাছ বা ঝরনা, বা কখনও কখনও মাটিতে বড় গম্বুজ আকারের বাসা বাঁধে ও ছয়টি পর্যন্ত ডিম পাড়ে। পিতা ও মাতা উভয়েই বাচ্চাদের যত্ন নেয়।চারটি প্রজাতি পিট্টা সম্পূর্ণরূপে অভিবাসী, আরো অনেক আংশিকভাবে অভিবাসী, যদিও তাদের অভিবাসন খুব কম বোঝা যায়।
প্রকৃতি সংরক্ষণের জন্য আন্তর্জাতিক ইউনিয়ন চার প্রজাতির সুমচাকে বিপন্ন হিসেবে তালিকাভুক্ত করেছে, আরও নয়টি প্রজাতি অরক্ষিত হিসাবে তালিকাভুক্ত করেছে এবং আরও বেশ কয়েকটি হুমকির মুখে রয়েছে। সুমচার প্রধান হুমকি হল দ্রুত বনাঞ্চল ধ্বংসের মাধ্যমে তাদের আবাসস্থলের ক্ষতি, তবে তারা খাঁচা-পাখি বাণিজ্যেরও লক্ষ্যবস্তু হয়েছে। তারা তাদের সুন্দর পালক ও তাদের দেখতে পাওয়া সহজলভ্য না হওয়ার কারণে পাখি দর্শকদের নিকট অত্যন্ত জনপ্রিয়।
বর্ণনা
[সম্পাদনা]পিট্টা পাখিগুলো ছোট থেকে মাঝারি আকারের পাসসেরিন, আকারে ১৫ সেন্টিমিটার (৫.৯ ইঞ্চি) (ব্লু ব্যান্ডেড পিট্টা) থেকে ১৯ সেন্টিমিটার (১১ ইঞ্চি) (জিয়ান্ট পিট্টা) লম্বা হতে পারে। ওজনে এরা ৪২ - ২১০ গ্রাম (১.৫ - ৭.৪ আউন্স) হয়।
তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- ↑ Bock, Walter J. (১৯৯৪)। History and Nomenclature of Avian Family-Group Names। Bulletin of the American Museum of Natural History। খণ্ড Number ২২২। New York: American Museum of Natural History। পৃ. ১৪৭, ২৬২। এইচডিএল:2246/830।
{{বই উদ্ধৃতি}}:|খণ্ড=-এ অতিরিক্ত লেখা রয়েছে (সাহায্য) - ↑ Olson, Storrs L. (১৯৯৫)। "Reviewed Work: History and Nomenclature of Avian Family-Group Names. Bulletin of the American Museum of Natural History, Volume 222 by W.J. Bock" (পিডিএফ)। The Auk। ১১২ (2): ৫৩৯–৫৪৬ [৫৪৪]। ডিওআই:10.2307/4088759। জেস্টোর 4088759।
- ↑ Bonaparte, Charles Lucian (১৮৫০)। Conspectus Generum Avium (Latin ভাষায়)। খণ্ড Volume ১। Leiden: E.J. Brill। পৃ. ২৫৩।
{{বই উদ্ধৃতি}}:|খণ্ড=-এ অতিরিক্ত লেখা রয়েছে (সাহায্য)উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: অচেনা ভাষা (লিঙ্ক)
- ↑ Walter Bock credited William Swainson, 1831 as the authority for the family name Pittidae.[১] This assignment has been disputed by Storrs Olson on the grounds that Swainson used the word Pittae as the plural form of the Latin word Pitta and did not intend to introduce a family name.[২] Charles Lucian Bonaparte used "Pittidae" for the family in 1850.[৩]
<ref> ট্যাগ রয়েছে, কিন্তু এর জন্য কোন সঙ্গতিপূর্ণ <references group="lower-alpha"/> ট্যাগ পাওয়া যায়নি