পালাইয়া জুম্মা পল্লী

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
পালাইয়া জুম্মা পল্লী
Paḻaiya jum'mā paḷḷi
ধর্ম
অন্তর্ভুক্তিইসলাম
অঞ্চলকীলাকারাই
অবস্থান
অবস্থানকীলাকারাইi, তামিলনাড়ু, ভারত
ভৌগোলিক স্থানাঙ্ক৯°১৩′৫৩″ উত্তর ৭৮°৪৭′০৪″ পূর্ব / ৯.২৩১৪° উত্তর ৭৮.৭৮৪৪° পূর্ব / 9.2314; 78.7844স্থানাঙ্ক: ৯°১৩′৫৩″ উত্তর ৭৮°৪৭′০৪″ পূর্ব / ৯.২৩১৪° উত্তর ৭৮.৭৮৪৪° পূর্ব / 9.2314; 78.7844
স্থাপত্য
স্থপতিবাযান ইবনে সাসান
ধরনমসজিদ
স্থাপত্য শৈলীদ্রাবিডীয় ইস্লামিক স্থাপত্য
সম্পূর্ণ হয়৬২৮-৬৩০ শতক

পালাইয়া জুম্মা পল্লী (তামিল: பழைய ஜும்மா பள்ளி, "The Old Jumma Masjid of Kilakarai" ) বা পল্লী কাদাই পাল্লি বিশ্বের চতুর্থ প্রাচীনতম মসজিদ এবং ভারতে প্রথম মসজিদ হিসেবে মনে করা হয়।[১][২] এই মসজিদের ১০০০ বছরের ইসলামী ঐতিহ্য আছে । ইসলামী সংস্কৃতির জন্য পরিচিত এই মসজিদটি তামিল নাড়ু দক্ষিণ রাজ্যের একটি প্রাচীন বন্দর শহর কিলাকারাই এ অবস্থিত। এটা ৬২৮-৬৩০ খ্রিস্টাব্দে নির্মিত হয়েছিল এবং ১০৩৬ খ্রিস্টাব্দে এর পুনর্নির্মাণ করা হয়। এই মসজিদসহ শহরের অন্যান্য মসজিদ গুলো দ্রাবিড় ইসলাম স্থাপত্যের সর্বশ্রেষ্ঠ উদাহরণ।[৩]

ইতিহাস ও নির্মাণ[সম্পাদনা]

প্রাক ইসলামী যুগে মুহাম্মাদ এর সময়ে ইয়েমেনের গভর্নর বাধান (বাযান ইবনে সাসান) এর আদেশে পান্দিয়া রাজ্যে ইয়েমেনের বণিক ও বাণিজ্য ঔপনিবেশিকরা এই মসজিদ নির্মাণ করেন । পরবর্তীতে তারা দ্বিতীয় খসরুর (পারস্যের রাজা) পুত্র দ্বিতীয় কাভাধের সময় ৬২৫-৬২৮ খ্রিষ্টাব্দে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন। ১১ শতাব্দীতে শাহিদ যুদ্ধের পর মসজিদটি পুনর্নির্মিত হয়। এটা ভারতের সবচেয়ে পুরাতন মসজিদ। বাযান ইবনে সাসান, তামিম ইবনে যায়দ আল আনসারি, ইবনে বতুতা, নাগুর আব্দুল কাদির, এরভাদি ইব্রাহিম শাহিব, অটোম্যানের সুলতান মুরাদসহ আরও অনেক বিখ্যাত ইসলামী পণ্ডিতগন এই মসজিদে এসেছিলেন। ইবনে বতুতা তাঁর ভ্রমণ গ্রন্থে বলেন, "এটা হচ্ছে সেই জায়গা যেখানে সবচেয়ে বেশি আরব ঔপনিবেশিকরা বাস করে এবং তিনি তাদের সেখানে আরব ভূমি হিসেবে বসবাস করতে দেখে বিস্মিত হন" ।

কাঠামো[সম্পাদনা]

মসজিদের বাইরে এবং ভিতর থেকে এটিকে মন্দিরের মতো দেখায়, কিন্তু স্তম্ভ বা দেয়ালে খোদাই কোন প্রতিমা নেই। এটি যে একটি মসজিদ তার একমাত্র প্রমাণ অন্যান্য মসজিদের মত দেয়ালে মিহরাব আছে যা নামাযের জন্য কিবলা দিক নির্দেশ করে। মসজিদের দেয়ালের উপরিভাগে সম্প্রসারিত ভাস্কর্যগুলো শোভা পায় এবং উঁচু উঁচু ডিম্বগুলো মসজিদের পল্লবে দেখা যায় । মসজিদটি একটি স্বতন্ত্র স্থাপত্য কাঠামো তামিল স্থাপত্য নিদর্শন বহন করে । 

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. Gibb & Beckingham 1994, pp. 814–815 Vol. 4.
  2. Krishna, Nanditha। "KILAKARAI-THE OLDEST MOSQUE IN INDIA"। Heritageonlinefoundation। ২ এপ্রিল ২০১৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১০ এপ্রিল ২০১৬ 
  3. "Documentary on Tamil Muslims inspires approach to Tamil national struggle"। TamilNet। সংগ্রহের তারিখ ১০ এপ্রিল ২০১৬