পাতিয়ালা জেলা
| পাতিয়ালা জেলা | |
|---|---|
| জেলা | |
| স্থানাঙ্ক: ৩০°২০′ উত্তর ৭৬°২৩′ পূর্ব / ৩০.৩৪° উত্তর ৭৬.৩৮° পূর্ব | |
| দেশ | |
| রাজ্য | পাঞ্জাব |
| প্রতিষ্ঠাতা | বাবা আলা সিং |
| সদরদপ্তর | পাতিয়ালা |
| আয়তন | |
| • মোট | ৩,৩২৫ বর্গকিমি (১,২৮৪ বর্গমাইল) |
| জনসংখ্যা (২০১১)‡[›] | |
| • মোট | ১৮,৯৫,৬৮৬ |
| • জনঘনত্ব | ৫৭০/বর্গকিমি (১,৫০০/বর্গমাইল) |
| ভাষা | |
| • দাপ্তরিক | পাঞ্জাবি |
| সময় অঞ্চল | ভাপ্রস (ইউটিসি+৫:৩০) |
| টেলিফোন কোড | পাতিয়ালা: ৯১-(০)১৭৫, রাজপুরা: ৯১-(০)১৭৬২, সামানা: ৯১-(০)১৭৬৪, নাভা: ৯১-(০)১৭৬৫ ও আমলোহ: ৯১-(০)১৭৬৮ |
| স্বাক্ষরতা | ৭৫.২৮% |
| বিধানসভা কেন্দ্র | ৯ |
| মহাসড়ক | জাতীয় সড়ক ১, জাতীয় সড়ক ৬৪, জাতীয় সড়ক ৭১ |
| ওয়েবসাইট | patiala |
পাতিয়ালা জেলা ভারতের পাঞ্জাব রাজ্যের ২২টি জেলার একটি জেলা।
এ জেলা পাঞ্জাব রাজ্যের দক্ষিণ পূর্বে, ২৯.৩৯ থেকে ৩০.৪৭ উত্তর অক্ষাংশ এবং ৭৫.৫৮ থেকে ৭০.৫৪ দক্ষিণ দ্রাঘিমাংশে অবস্থিত। এর উত্তরে ফতেহগড় সাহেব, রূপনগর ও মোহালী, পশ্চিমে ফতেহগড় সাহেব এবং সাঙ্গর জেলা, উত্তর পূর্ব দিকে আম্বালা, পঞ্চকুল, হরিয়ানা এবং হরিয়ানা রাজ্যের কুরুকের জেলা এবং দক্ষিণ ও পশ্চিমে হরিয়ানা কায়াতাল জেলা অবস্থিত।
২০১১ সালের ভারতীয় জনগণনা অনুসারে লুধিয়ানা, অমৃতসর ও জলন্ধরের পরে পাঞ্জাবের চতুর্থ সর্বাধিক জনবহুল জেলা পতিয়ালা জেলা।
পাতিয়ালা জেলার জনসংখ্যা বৃহৎ অংশ শিখ ধর্মের অনুসারী, হিন্দু দ্বিতীয় প্রধান ধর্ম এবং সংখ্যায় অল্প কিছু খ্রিস্টান ও মুসলমানদের রয়েছে।
ভূগোল
[সম্পাদনা]জেলার বেশিরভাগ অঞ্চল কৃষিজ আবাদযোগ্য সমভূমি। পাতিয়ালা জেলাতে অনেকগুলি ছোট ছোট পাহাড়ের সারি রয়েছে যা শিবালিক পাহাড়ের অংশ। বছরের অধিকাংশ সময়ই গঘর নদী শুষ্ক থাকে। যাহোক, বর্ষাকালে সময় এ জেলার গ্রামগুলোতে বন্যা দেখা যায়, যা কারণে ফসল, পশুসম্পদ এবং মানুষের জীবন যাত্রার মান ক্ষতিগ্রস্ত হয়। অন্যান্য নদী গুলো হলাং নাড়ি, পেটালা-ওয়ালী-নাদি, সিরহিন্ড চও এবং ঝামবুও চৈনিক।
জনসংখ্যা
[সম্পাদনা]| বছর | জন. | ±% বা.প্র. |
|---|---|---|
| ১৯৫১ | ৪,৮২,৫১৭ | — |
| ১৯৬১ | ৬,৭৩,৭৩০ | +3.39% |
| ১৯৭১ | ৮,৫৫,০২৯ | +2.41% |
| ১৯৮১ | ১১,১২,৩৬৮ | +2.67% |
| ১৯৯১ | ১৩,৪৩,৫১৭ | +1.91% |
| ২০০১ | ১৫,৮৪,৭৮০ | +1.67% |
| ২০১১ | ১৮,৯৫,৬৮৬ | +1.81% |
| উৎস:[১] | ||
২০১১ সালের ভারতীয় জনগণনা অনুযায়ী পাতিয়ালা জেলার মোট জনসংখ্যা ছিল ১,৮৯২,২৮২ জন[২], যা স্বাধীন রাষ্ট্র স্লোভাকিয়ার জনসংখ্যার সমান[৩] অথবা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মিসিসিপি অঙ্গরাজ্যের জনসংখ্যার সমান।[৪] এটি ভারতের ২৪৮ তম জনবহুল জেলা (এটি মোট ৬৪০টি জেলার মধ্যে)। জেলার জনসংখ্যার ঘনত্ব প্রায় প্রতি বর্গকিলোমিটারে ৯৯৬ জন বাসিন্দা (প্রতি বর্গ মাইল ১৫৪০ জন) বসবাস করে। ২০০১-২০১১-এর দশকে জনসংখ্যার বৃদ্ধি ঘটেছে ১৯.৪%। পাতিয়ালা জেলায় প্রতি ১০০০ জন পুরুষের জন্য ৮৮৮ জন নারী রয়েছে। এবং এর সাক্ষরতা হার ৭৬.৩%।
বিভাগ
[সম্পাদনা]পাতিয়ালা জেলা তিনটি বিভাগে বিভক্ত: পাতিয়ালা, রাজপুর এবং নাভা, যা আরও পাঁচটি তহসিলে বিভক্ত: পাতিয়ালা, রাজপুর, নাভা, সামনা, পট্টরান। এটি আটটি ব্লক নিয়ে গঠিত; পতিয়ালা, রাজপুরা, নাভা এবং সামানা।
এই জেলায় নয়টি পাঞ্জাব বিধানসভার কেন্দ্র রয়েছে: পাতিয়ালা আরবান, পাতিয়ালা পল্লী, রাজপুরা, নাভা, সামানা, ঘনৌর, শুতরানা, সানৌর এবং পাত্রন।[৫] এই সবগুলো আবার পাতিয়ালা লোকসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত।[৬]
অর্থনীতি
[সম্পাদনা]পাতিয়ালা পাঞ্জাব রাজ্যের শিল্প মানচিত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ শিল্প প্রবৃদ্ধি কেন্দ্র হিসাবে দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। ঐতিহ্যবাহী পণ্যগুলির পাশাপাশি, উচ্চ মানের এবং অত্যাধুনিক আইটেমগুলি যেমন, ক্ষুদ্র কাটিং সরঞ্জাম, বিদ্যুতের ক্যাবল, ভ্যানাসপাতি ঘাই, বাইসাইকেল এবং কৃষি ফসল মারাই ও দুধদহন মেশিন সহকারে কৃষি সরঞ্জাম উৎপাদিত হয়।
তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- ↑ Decadal Variation In Population Since 1901
- ↑ "District Census 2011"। Census2011.co.in। ২০১১। সংগ্রহের তারিখ ৩০ সেপ্টেম্বর ২০১১।
- ↑ US Directorate of Intelligence। "Country Comparison:Population"। ২৭ সেপ্টেম্বর ২০১১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১ অক্টোবর ২০১১।
Lesotho 2,124,886
- ↑ "2010 Resident Population Data"। U. S. Census Bureau। ১৯ অক্টোবর ২০১৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৩০ সেপ্টেম্বর ২০১১।
Mississippi 1,852,994
- ↑ "District Wise Assembly Constituencies" (পিডিএফ)। Chief Electoral Officer, Haryana website। ২১ জুলাই ২০১১ তারিখে মূল থেকে (পিডিএফ) আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৮ মার্চ ২০১১।
- ↑ "Delimitation of Parliamentary and Assembly Constituencies Order, 2008" (পিডিএফ)। The Election Commission of India। পৃ. ১৫৭। ৫ অক্টোবর ২০১০ তারিখে মূল থেকে (পিডিএফ) আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২০ অক্টোবর ২০১৯।