নিরুপমা দেবী

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
নিরুপমা দেবী
নিরুপমা দেবী
নিরুপমা দেবী
জন্মনিরুপমা ভট্ট
(১৮৮৩-০৫-০৫)৫ মে ১৮৮৩
বহরমপুর,মুর্শিদাবাদ,বৃটিশ ভারত
মৃত্যু৭ জানুয়ারি ১৯৫১(1951-01-07) (বয়স ৬৭)
ছদ্মনামশ্রীমতী দেবী
জাতীয়তাভারতীয়
উল্লেখযোগ্য পুরস্কারভুবনমোহনী স্বর্ণ পদক
জগত্তারিণী স্বর্ণ পদক
আত্মীয়নফরচন্দ্র ভট্ট

নিরুপমা দেবী (ইংরেজি: Nirupama Devi) (৭ মে, ১৮৮৩ - ৭ জানুয়ারী, ১৯৫১)[১] পশ্চিম বঙ্গের মুর্শিদাবাদ জেলার বহরমপুরে জন্মগ্রহণকারী কথাসাহিত্য লেখিকা। তার সাহিত্যিক ছদ্মনাম ছিল শ্রীমতী দেবী। নিরুপমা দেবীর পিতা নফর চন্দ্র ভট্ট, বিচার বিভাগীয় কর্মচারী ছিলেন। তিনি বাড়িতে শিক্ষিত হয়েছিলেন।

সাহিত্যকর্ম[সম্পাদনা]

নিরুপমার অকালবৈধব্যের পর জ্যেষ্ঠ ভ্রাতা বিভূতিভূষণ ভট্ট ও কথাসাহিত্যিক শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের অনুপ্রেরণায় সাহিত্যসাধনায় ব্রতী হন। বিভূতিভূষণ ও শরৎচন্দ্র পরিচালিত হাতেলেখা পত্রিকায় তাঁর সাহিত্যরচনার হাতেখডি। শরৎচন্দ্র তাঁকে গদ্যরচনায় ও অনুরূপা দেবী গল্প রচনায় অনুপ্রাণিত করেন। তাঁর প্রথম উপন্যাস 'উচ্ছৃঙ্খল'। স্বদেশীযুগে তাঁর রচিত বহু গান এবং কবিতা জনপ্রিয় হয়েছিল। প্রেম ও দাম্পত্য জীবনের অন্তর্দ্বন্দ্ব তাঁর উপন্যাসের প্রধান উপজীব্য। ১৯১৯-২০ খ্রিস্টাব্দে ‘প্রবাসী’ পত্রিকায় প্রকাশিত ‘দিদি’ তাঁর শ্রেষ্ঠ উপন্যাস বলে স্বীকৃত। অন্যান্য রচনার মধ্য রয়েছে:

  • অন্নপূর্ণার মন্দির (১৯১৩)
  • দিদি (১৯১৫) (শ্রেষ্ঠ উপন্যাস বলা হয়)[২]
  • আলেয়া (১৯১৭)
  • বিধিলিপি (১৯১৯)
  • শ্যামলী (১৯১৯)
  • বন্ধু (১৯২১)
  • আমার ডায়েরি (১৯২৭)
  • যুগান্তরের কথা (১৯৪০)
  • অনুকর্ষ (১৯৪১)
  • দেবত্র
  • পরের ছেলে

নিরুপমা দেবীর একাধিক উপন্যাস চলচ্চিত্রায়িত ও মঞ্চে অভিনীত হয়েছে।[৩]

পুরস্কার[সম্পাদনা]

নিরুপমা দেবী সাহিত্যে তার অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯২৮ সালে 'ভুবনমোহিনী স্বর্ণপদক' এবং ১৯৪৩ সালে 'জগত্তারিণী স্বর্ণপদক' লাভ করেন।

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. Women Writing in India: The twentieth century। Feminist Press at CUNY। ১৯৯৩। পৃষ্ঠা 106। আইএসবিএন 9781558610293 
  2. Women Writing in India: 600 B.C. to the early twentieth century। Feminist Press at CUNY। ১৯৯১। পৃষ্ঠা 363। আইএসবিএন 9781558610279 
  3. সুবোধচন্দ্র সেনগুপ্ত ও অঞ্জলি বসু সম্পাদিত, সংসদ বাঙালি চরিতাভিধান, প্রথম খণ্ড, সাহিত্য সংসদ, কলকাতা, আগস্ট ২০১৬ পৃষ্ঠা ৩৬৩, আইএসবিএন ৯৭৮-৮১-৭৯৫৫-১৩৫-৬

আরও দেখুন[সম্পাদনা]