নিভিয়া

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
নিভিয়া
NIVEA logo 2021.svg
পণ্যের ধরনত্বক ও শরীরের যত্ন
মালিকবিয়ার্সডর্ফ এজি
দেশজার্মানি
প্রবর্তন১৯১১; ১১১ বছর আগে (1911)
সম্পর্কিত ব্র্যান্ড
বাজারবিশ্বব্যাপী
ওয়েবসাইটnivea.com

নিভিয়া (জার্মান উচ্চারণ: [niˈveːa] (এই শব্দ সম্পর্কেশুনুন),[১][২] হল একটি জার্মান ব্যক্তিগত যত্নের মার্কা যা ত্বক এবং শরীরের যত্নে বিশেষজ্ঞ। এটি হামবুর্গ ভিত্তিক কোম্পানি বিয়ের্সডর্ফ গ্লোবাল এজির মালিকানাধীন। কোম্পানিটি ২৮ মার্চ ১৮৮২ সালে পল কার্ল বিয়ার্সডর্ফ দ্বারা প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। ১৮৯০ সালে, এটি অস্কার ট্রপলোভিটজের কাছে বিক্রি হয়েছিল। বিয়ের্সডর্ফ এর সহযোগী পল গার্সন উন্না এবং জার্মান রসায়নবিদ আইজ্যাক লাইফসুটস-এর সাথে কাজ করা ট্রপলোভিটজ একটি নতুন ত্বকের যত্নের ক্রিম তৈরি করেন। ১৯৯০ সালে, লাইফসুটস প্রথম স্থিতিশীল তেলে জলের ইমালসন, ইউসেরিট তৈরি করেন। এটাই ছিল ইউসারিনের উৎপত্তি।

নিভিয়া লাতিন বিশেষণ নিভিয়াস থেকে এসেছে, নিভিয়া, নিভিয়াম, যার অর্থ "তুষার-সাদা"। [৩]

১৯৩০-এর দশকে, বিয়ের্সডর্ফ বিভিন্ন পণ্য যেমন ট্যানিং অয়েল, শেভিং ক্রিম, শ্যাম্পু, ফেসিয়াল ক্লিনজার এবং টোনার তৈরি করেছিলেন। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে, অনেক দেশে ট্রেডমার্ক "নিভিয়া" বাজেয়াপ্ত করা হয়েছিল। যুদ্ধের পরে, বিয়ার্সডর্ফ স্বত্ব কিনে নেন। ১৯৮০-এর দশকে, নিভিয়া মার্কা একটি বিস্তৃত বিশ্ব বাজারে প্রবেশ করেছিল।

ইতিহাস[সম্পাদনা]

পল কার্ল বিয়ার্সডর্ফ ২৮ মার্চ ১৮৮২ সালে কোম্পানিটি প্রতিষ্ঠা করেন। মেডিকেল প্লাস্টার তৈরির জন্য পেটেন্ট নথির তারিখটি কোম্পানির গঠনের তারিখ হিসাবে নেওয়া হয়। বিয়ের্সডর্ফ আধুনিক প্লাস্টার প্রযুক্তির ভিত্তি স্থাপন করে তার পেটেন্টের ভিত্তিতে তার পরীক্ষাগারে গুটা-পারচা প্লাস্টার তৈরি করেন। ১৮৯০ সালে, ফার্মাসিস্ট অস্কার ট্রপলোভিটজ কোম্পানির দায়িত্ব নেন। [৪]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. Kleiner, Stefan; Knöbl, Ralf (২০১৫)। Das Aussprachewörterbuch (7 সংস্করণ)। Duden। পৃষ্ঠা 634। আইএসবিএন 978-3-411-04067-4 
  2. Krech, Eva-Maria; Stock, Eberhard (২০১০)। "NIVEA"। Deutsches Aussprachewörterbuch। De Gruyter। আইএসবিএন 978-3-11-018202-6। ২০১২-০১-০৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২০১১-০৬-১৬ 
  3. "Latin Word Niveus"LatinWordList.com। ২০১০-১২-২০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২০১১-০৪-১৬ 
  4. "Biography - ERIH"www.erih.net। সংগ্রহের তারিখ ২০২১-০৪-২৯ 

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]