নাওডাঙ্গা জমিদার বাড়ি

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
নাওডাঙ্গা জমিদার বাড়ি
সাধারণ তথ্য
ধরনবাসস্থান
অবস্থানফুলাবাড়ী উপজেলা
ঠিকানানাওডাঙ্গা
শহরফুলবাড়ী উপজেলা, কুড়িগ্রাম জেলা
দেশবাংলাদেশ
স্বত্বাধিকারীপ্রমদরঞ্জন বক্সী
কারিগরী বিবরণ
পদার্থইট, সুরকি ও রড

নাওডাঙ্গা জমিদার বাড়ি বাংলাদেশ এর কুড়িগ্রাম জেলার ফুলবাড়ী উপজেলার নাওডাঙ্গা ইউনিয়নে অবস্থিত এক ঐতিহাসিক জমিদার বাড়ি[১][২][৩][৪]

ইতিহাস[সম্পাদনা]

নাওডাঙ্গা জমিদার বাড়ি ও বংশের প্রতিষ্ঠাতা ব্রিটিশদের কাছ থেকে বাহাদুর খেতাবপ্রাপ্ত প্রমদরঞ্জন বক্সী। তার ছিল তিন পুত্র ও এক কন্যা সন্তান। বড় ছেলে বিরেশ্বর প্রসাদ বক্সী আইন বিষয়ে বিদেশে পড়ালেখা করে কর্ম হিসেবে আইন ব্যবসা শুরু করেন এবং তিনি একজন বিচারক ছিলেন। ছোট ছেলে বিপুলেশ্বর প্রসাদ বক্সী প্রকৌশলী বিষয়ে পড়ালেখা করে প্রকৌশলী হিসেবে কর্মজীবন বেচে নেন। কিন্তু মেজো ছেলে বিশ্বেশ্বর প্রসাদ বক্সী পড়ালেখায় খারাপ থাকায় তিনবার প্রবেশিকা পরীক্ষা দিয়েও পাশ করতে পারেননি। তাই প্রমদরঞ্জন বক্সী তাকেই পরবর্তী জমিদার হিসেবে জমিদারীর দায়িত্ব দেন। আর অন্যরা অন্যদের কর্মজীবন নিয়েই ব্যস্ত থাকেন। তাদের জমিদারী ছিল বর্তমান কুড়িগ্রাম জেলার ফুলবাড়ী উপজেলার বিদ্যাবাগিশ, শিমুলবাড়ী, তালুক শিমুলবাড়ী, কবির মামুদসহ আরো অনেক এলাকা। এছাড়াও তাদের পাঙ্গা নামক এলাকায় আরেকটি জমিদারী ছিল। যা শিবপ্রসাদ বক্সী নামের একজন দেখাশোনা করতেন। জমিদার বিশ্বেশ্বর প্রসাদ বক্সীর দুই ভাই ভারতের কোচবিহার রাজ্যে একটি বাড়ি ক্রয় করে সেখানে তাদের বাবা জমিদার প্রমদরঞ্জন বক্সীকে নিয়ে চলে যান। শুধু শেষ জমিদার বিশ্বেশ্বর প্রসাদ বক্সী জমিদারী প্রথা বিলুপ্তী হওয়ার আগ পর্যন্ত এখানে ছিলেন এবং জমিদারী পরিচালনা করেছেন। জমিদারী প্রথা বিলুপ্ত হলেও তিনিও ভাইদের কাছে ভারতে চলে যান। আর এইভাবেই এই জমিদার বংশের জমিদারীর ইতি ঘটে।

অবকাঠামো[সম্পাদনা]

বর্তমান অবস্থা[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "ঘুরে আসুন নাওডাঙ্গা জমিদার বাড়ি"jagonews24.com। সংগ্রহের তারিখ ২০১৯-০৮-১৫ 
  2. "নাওডাঙ্গা জমিদার বাড়ি"সমকাল। সংগ্রহের তারিখ ২০১৯-০৮-১৫ 
  3. "ঐতিহ্যের সাক্ষী নাওডাঙ্গা জমিদার বাড়ি"দৈনিক জামালপুর। সংগ্রহের তারিখ ২০১৯-০৮-১৫ 
  4. "বিলুপ্তির পথে নাওডাঙ্গা জমিদার বাড়ি"The Daily Ittefaq। সংগ্রহের তারিখ ২০১৯-০৮-১৫