ধ্রুবি আচার্য

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
ধ্রুবি আচার্য
জন্ম১৯৭১ (বয়স ৫১–৫২)
ভারত
মাতৃশিক্ষায়তনসোফিয়া কলেজ ফর উইমেন,
মেরিল্যান্ড ইনস্টিটিউট কলেজ অফ আর্ট
পরিচিতির কারণচিত্রাঙ্কন
দাম্পত্য সঙ্গীমনীষ আচার্য
সন্তান

ধ্রুবি আচার্য (জন্ম ১৯৭১)[১] হলেন একজন ভারতীয় শিল্পী। তিনি তাঁর মনস্তত্ত্বগতভাবে জটিল এবং স্তরযুক্ত দৃশ্যকলার চিত্রগুলির জন্য পরিচিত।[২] তিনি ভারতের মুম্বাই ভিত্তিক শিল্পী।[৩]

প্রাথমিক জীবন ও শিক্ষা[সম্পাদনা]

ধ্রুবি আচার্য ১৯৭১ সালে ভারতে জন্মগ্রহণ করেছিলেন এবং তিনি মুম্বাইয়ে বেড়ে ওঠেন।[৪] তিনি মুম্বাইয়ের একটি বেসরকারী বালিকা বিদ্যালয় ওয়ালসিংহাম হাউস স্কুলে পড়াশুনা করেছেন।[৫]

আচার্য ১৯৯৩ সালে মুম্বাইয়ের সোফিয়া কলেজ ফর উইমেন থেকে ফলিত কলায় স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেছিলেন।[১][৬] তিনি ১৯৯৮ সালে মেরিল্যান্ডের বাল্টিমোরের মেরিল্যান্ড ইনস্টিটিউট কলেজ অফ আর্ট (এমআইসিএ) থেকে চারুকলায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেন।[১] এমআইসিএ-তে তিনি চিত্রশিল্পী গ্রেস হার্টিগানের সাথে পড়াশোনা করেছিলেন।[৪]

তিনি চলচ্চিত্র নির্মাতা মনীষ আচার্যের সাথে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছিলেন। মনীষ ২০১০ সালে একটি দুর্ঘটনায় মারা গিয়েছিলেন।[৭][৮] এই দম্পতির দুটি পুত্র রয়েছে।

কাজ[সম্পাদনা]

২০০৫ সালের জানুয়ারিতে, ইন্ডিয়া টুডে সংবাদপত্রে, "দ্রত সাফল্যের পথে" শিরোনামে, ধ্রুবিকে ৩৫ বছরের কম বয়সী ৫০ জনের মধ্যে একজন হিসাবে চিহ্নিত করা হয়েছিল।[৯]

তিনি নিউ ইয়র্কের কুইন্স মিউজিয়াম, ক্যালিফোর্নিয়ার স্যান হোসে মিউজিয়াম অফ আর্ট, মুম্বইয়ের জাতীয় আধুনিক কলা সংগ্রহালয় এবং ছত্রপতি শিবাজি মহারাজ বাস্তু সংগ্রহালয়, ব্রিসবেনের সেন্ট লুইয়ের গ্রিফিথ বিশ্ববিদ্যালয়ওয়েবস্টার বিশ্ববিদ্যালয় এবং মিলানের প্রাক্তন স্পাজিও ওবারদানে প্রদর্শনী করেছেন[১০] তিনি মুম্বাইয়ের ন্যাশনাল সেন্টার ফর পারফর্মিং আর্টস এবং এশিয়া সোসাইটি তে উপস্থাপনা করেছেন।[১১][১২]

আচার্যের বিশেষ প্রকল্পগুলির মধ্যে রয়েছে ২০১৫ সালে ভারত আর্ট ফেয়ারে চিত্রা গণেশের সাথে "পেইন্টিং অ্যাজ পারফরমেন্স", এবং "জেএসডাব্লু", যেটি মুম্বাইয়ের জিন্দাল স্টিল ওয়ার্কস সেন্টারের ৩২ ফুট লম্বা একটি ম্যুরাল।[১৩] স্থাপত্যটির শিরোনাম হল "একসময় যা ছিল, এখনও আছে, তবে তা নয় ..." যেখানে আচার্য দিল্লির মর্টে গ্যালারিতে সুতির কাপড় দিয়ে গ্যালারী ঘর ঢেকে দিয়েছিলেন।[১৪][১৫]

পুরস্কার[সম্পাদনা]

আচার্য ২০১৩ ওয়াইএফএলও ইয়ং উইমেন অ্যাচিভার পুরস্কার প্রাপক।[১৬][১৭][১৮]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "Dhruvi Acharya Biography"www.artnet.com। সংগ্রহের তারিখ ২০১৯-১০-১৭ 
  2. "Painting, Still Lively - Slide 4 of 13"The New York Times। ২০১০। সংগ্রহের তারিখ ২০১৯-১০-১৭ 
  3. Agrawal, Ravin (২০০৯)। "Transcript of "10 young Indian artists to watch""TedIndia (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২০১৯-১০-১৭ 
  4. "People: Dhruvi Acharya"The Floating Magazine (ইংরেজি ভাষায়)। ২০১৬-০৯-১৫। সংগ্রহের তারিখ ২০১৯-১০-১৭ 
  5. "The Universality of the Human Experience"magzter.com। ২০১৯-১০-১৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২০১৯-১০-১৭ 
  6. "Dhruvi Acharya"Saffronart। সংগ্রহের তারিখ ২০১৯-১০-১৭ 
  7. Mishra, Manish D. (২০১৩-১০-২০)। "Take risks & trust your intuition: Dhruvi Acharya"DNA India (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২০১৯-১০-১৭ 
  8. "Losing her father and husband in one year, here's how this artist fought back"Elle India (ইংরেজি ভাষায়)। ২০১৯-১০-১৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২০১৯-১০-১৭ 
  9. "Young guns who represent the changing face of India"India Today (ইংরেজি ভাষায়)। ২০০৫-০১-৩১। সংগ্রহের তারিখ ২০১৯-১০-১৭ 
  10. "India Arte Oggi Spazio Oberdan Milano"1995-2015.undo.net (ইতালীয় ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২০২০-১০-২১ 
  11. "Dhruvi Acharya"। সংগ্রহের তারিখ ২৯ মার্চ ২০২১ 
  12. "Post-Boom: Artists and Their Practices"Asia Society (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২০২০-১০-২১ 
  13. "There's accounting for taste"Mumbai Mirror (ইংরেজি ভাষায়)। ডিসেম্বর ৭, ২০১৫। সংগ্রহের তারিখ ২০২০-১০-২১ 
  14. "Filling a Vacuum"The Indian Express (ইংরেজি ভাষায়)। ২০২০-০১-৩০। সংগ্রহের তারিখ ২০২১-০৩-২০ 
  15. Deepak, Sukant (২০২০-০১-১৪)। "Dhruvi Acharya and art of dealing with loss"www.thehansindia.com (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২০২১-০৩-২০ 
  16. "YFLO Women Achiever's Awards 2014 -Reimaging India April 3, 2014"FICCI FLO (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২০২০-১০-২১ 
  17. "Dhruvi Acharya"। সংগ্রহের তারিখ ২৯ মার্চ ২০২১ 
  18. "about dhruvi acharya"। সংগ্রহের তারিখ ২৯ মার্চ ২০২১ 

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]