দ্রাব্যতা

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে

দ্রাব্যতা[সম্পাদনা]

বিভিন্ন তাপমাত্রায় কয়েক রকমের লবণের দ্রাব্যতা

কোন নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় নির্দিষ্ট পরিমাণ দ্রাবককে সম্পৃক্ত দ্রবনে পরিনত করতে যে পরিমান দ্রব দ্রবীভূত করতে হয় তাকেই ঐ তাপমাত্রায় ঐ দ্রবের দ্রাব্যতা বলে। । কোন পদার্থের দ্রাব্যতা প্রকৃতপক্ষে ব্যবহৃত দ্রাবক, তাপমাত্রা ও চাপের উপর নির্ভর করে। তাপমাত্রার মত চাপও দ্রবণকে প্রভাবিত করে, সেটা তরল হোক বা বায়বীয়ই হোক। তাই দ্রাব্যতার সংজ্ঞা দেওয়ার সময় একটি নির্দিষ্ট তাপমাত্রা ও চাপ উল্লেখ করা হয়। দ্রাব্যতা প্রকাশ করা হয় ঘনমাত্রা প্রকাশের বিভিন্ন একক (মোলারিটি, মোলালিটি, নরমালিটি ইত্যাদি) দ্বারা। কারণ দ্রাব্যতা মূলত কোন দ্রবণে দ্রবের সর্বোচ্চ ঘনমাত্রাকেই প্রকাশ করে । দ্রাব্যতা একটি আনুপাতিক রাশি । এর কোন একক নেই। যেমনঃ ৩৫ ডিগ্রি তাপমাত্রায় KNO3 এর দ্রাব্যতা হল 60 তাহলে বোঝা যাবে যে ঐ তাপমাত্রায় 100g পানিতে সর্বাধিক 60g KNO3 দ্রবীভূত হয়ে দ্রবণ উৎপন্ন করবে ।

দ্রাব্যতার অপর চাপের প্রভাব[সম্পাদনা]

তরল দ্রাবকে গ্যাসীয় দ্রব দ্রবীভূত হয়ার ক্ষেত্রে চাপের প্রভাব পরিলক্ষিত হয় । বিজ্ঞানী হেরনির সুত্রানুসারে স্থির তাপমাত্রায় নির্দিষ্ট আয়তনের কোন তরল পদার্থে কোন গ্যাসের দ্রাব্যতা এর উপর প্রযুক্ত চাপের সমানুপাতিক । তবে এ ক্ষেত্রে গ্যাস ও তরল এর মধ্যে কোন রাসায়নিক বিক্রিয়া ঘটেনা ।


দ্রাব্যতা গুণফল

নির্দিষ্ট তাপমাত্রায়য় কোনো স্বল্প দ্রবণীয় লবণের দ্রবণে তার উপাদান আয়নসমুহের ঘাত বিশিষ্ট ঘনমাত্রার সর্বোচ্চ গুণফলককে লবণটির দ্রাব্যতা গুণফল বলে।