দেওভোগ হাজী উজির আলী উচ্চ বিদ্যালয়

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
দেওভোগ হাজী উজির আলী উচ্চ বিদ্যালয়
দেওভোগ হাজী উজির আলী উচ্চ বিদ্যালয় লোগো.jpg
অবস্থান


বাংলাদেশ
তথ্য
বিদ্যালয়ের ধরনসরকারি বিদ্যালয়
নীতিবাক্যশিক্ষার জন্য এসো, সেবার জন্য বেরিয়ে যাও
ধর্মীয় অন্তর্ভুক্তিধর্ম নিরপেক্ষ
প্রতিষ্ঠাকাল১৯২৪
স্থাপিত১৯২৪
প্রতিষ্ঠাতাহাজী উজির আলী
বিদ্যালয় বোর্ডঢাকা শিক্ষা বোর্ড
শিক্ষাবিষয়ক কর্তৃপক্ষমাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তর
সেশন
চেয়ারম্যানবাদল
প্রধান শিক্ষকহুমাঊন কবির আহমেদ্
প্রধান শিক্ষকমোঃ বদরুল আলম
কর্মকর্তা
অনুষদ
শিক্ষকমণ্ডলী৭০ প্রায়
কর্মচারী
শ্রেণীশ্রেণী ৪-১০
লিঙ্গবালক, বালিকা
শিক্ষার্থী সংখ্যা৫,০০০+
ভাষাবাংলা
শ্রেণীকক্ষ৩০
ক্যাম্পাসসমূহ
শিক্ষায়তন৪.৯৪ একর (২.০০ হেক্টর)
ক্যাম্পাসের ধরনশহরাঞ্চলীয়
রঙ         
সাদা এবং গাঢ় নীল
স্ক্রীড়াক্রিকেট এবং ফুটবল
ডাকনামD.H.U.A.H.S.

দেওভোগ হাজী উজির আলী উচ্চ বিদ্যালয় একটি ঐতিহ্যবাহী সরাকারি বিদ্যালয় যা নারায়ণগঞ্জ জেলায় অবস্থিত। ১৯২৪ সালে এটি স্থাপিত হয়। এটি বাংলাদেশে স্থাপিত অন্যতম পুরনো বিদ্যালয়। এই বিদ্যালয়ে ষষ্ঠ শ্রেণী থেকে দশম শ্রেণী পর্যন্ত পাঠদান করা হয় এবং দুই শিফটে মেয়ে আর ছেলেদের পৃথক ভাবে শিক্ষাদান করা হয়। এটি হচ্ছে একটি প্রতিষ্ঠান, যা মূলত শিক্ষাদানের কেন্দ্র, যেখানে শিক্ষকের তত্ত্বাবধানে শিক্ষার্থী পাঠ্যপুস্তকের মাধ্যমে জ্ঞানলাভ করে থাকে। বিদ্যালয় সব সময়ই দালানকোঠায় আবদ্ধ হবে এমন নয়, বরং একজন শিক্ষক, কিছু পরিমাণ শিক্ষার্থী, এবং শিক্ষাসহায়ক পরিবেশই বিদ্যালয় হবার জন্য যথেষ্ট। এখানে নির্দিষ্ট পাঠক্রমের অধীনে পরিচালিত হয় এবং বিদ্যালয়ে পঠনের জন্য নির্ধারিত পাঠ্যপুস্তক থাকে।

ইতিহাস[সম্পাদনা]

নারায়ণগঞ্জের প্রানকেন্দ্র ফতুল্লা থানাধীন কাশিপুর ইউনিয়নে অবস্থিত দেওভোগ হাজী উজির আলী উচ্চ বিদ্যালয়টি একটি সূ-প্রাচীন ঐতিহ্যবাহী বিদ্যালয়। এলাকার বিশিষ্ঠ সমাজ সেবক ও দানশীল ব্যক্তিত্ব মরহুম হাজী উজির আলী সাহেব অত্র অঞ্চলে শিক্ষার আলোক বর্তিকা প্রজ্জলনের সার্থে ১৯২৪ সালে বিদ্যালয়েটি প্রতিষ্ঠা করেন। তখন উহা M.E. স্কুল হিসাবে পরিচিত ছিল। সময়ের পরিক্রমায় ষাট দশকে উহা জুনিয়র স্কুল এবং স্বাধীনতার পর উচ্চ বিদ্যালয়ে পরিনত হয়। ১৯৯৪ সালে শিক্ষা মন্ত্রনালয়ের অনুমোদনের প্রেক্ষিতে অত্র বিদ্যালয় ডবল শিফট চালু করে। প্রভাতী শাখায় ছাত্রী এবং দিবা শাখায় ছাত্ররা অধ্যয়ন করিতেছে।

বর্ণনা[সম্পাদনা]

বিসিক নগরী নারায়ণগঞ্জ জেলার ফতুল্লা থানাধীন কাশিপুর ইউনিয়নে অবস্থিত দেওভোগ হাজী উজির আলী উচ্চ বিদ্যালয়টি একটি সূ-প্রাচীন ঐতিহ্যবাহী বিদ্যালয়। দুই শিফটে পরিচালিত অত্র বিদ্যালয়ে বর্তমানে ৬ষ্ঠ হইতে ১০ম শ্রেণীতে প্রায় ৩২০০ জন ছাত্র-ছাত্রী অধ্যয়ন করিতেছে, এবং ৫০ জন শিক্ষক কর্মচারি আছেন। অত্র বিদ্যালয়ে বিজ্ঞান শাখা, ব্যবসায় শাখা এবং মানবিক শাখাচালু আছে। বিদ্যালয়ের একাডেমিক ফলাফলও বেশ সন্তোষ জনক। সহপাঠঅধিক কার্যাবলীতে অত্র বিদ্যালয়ের জেলা ও জাতীয় পর্যায়ে বেশ সুনাম আছে। বিশেষত সাঁতারে ও স্কাউটে অত্র বিদ্যালয়ের সুনাম প্রশংসনীয়। বিদ্যালয়টিতে নিয়মিত ম্যানেজিং কমিটি বর্তমান আছেন। বর্তমান ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি জনাব আলহাজ্ব এম, সাইফ উল্লাহ বাদল সাহেবের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় বিদ্যালয়টি অত্র থানায় একটি আদর্শ বিদ্যালয় হিসাবে পরিগণিত হইতেছে।

সহ শিক্ষা[সম্পাদনা]

  • বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা
  • বার্ষিক সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা
  • বাংলাদেশ স্কাউটস এবং গালস্ গাইড

শিক্ষা কার্যক্রম[সম্পাদনা]

বিদ্যালয়টির শিক্ষা কার্যক্রম বাংলা মাধ্যমে পরিচালিত হয়। বিদ্যালয়টিতে পাঠদানের ক্ষেত্রে ছেলে-মেয়েদের আলাদা ভাবে পাঠদান করা হয়। মেয়েদের সকালে আর ছেলেদের দুপুরে পাঠদান করানো হয়।

বিগত বছরের পাবলিক পরীক্ষায় জেএসসির ফলাফল

সাল পরীক্ষার্থী উত্তীর্ণ অনুত্তীর্ন পাশের হার জিপিএ ৫ জিপিএ ৪ জিপিএ ৩ জিপিএ ২ জিপিএ ১
২০১২ ৫৮৮ ৪৩৩ ১৫৫ ৭৩.৬৪ - ২২ ১২২ ২১৪ ৭৫
২০১৩ ৬৩২ ৫৪৪ ৮৮ ৮৬.০৮ ২২ ১০১ ২৩৫ - -
২০১৪ ৭৩৭ ৪৮১ ২৫৬ ৬৫.২৬ ৭০ ২১৪ - -
২০১৫ ৮২৫ ৬১৫ ২১০ ৬৪.৫৫ ১০ ৮০ ২৯৩ - -
২০১৬ ৭৭৬ ৬১৪ ১৬২ ৭৯.১২ ১৮ ১৩৭ ৩২০ - -

বিগত বছরের পাবলিক পরীক্ষায় এসএসসির ফলাফল

সাল পরীক্ষার্থী উত্তীর্ণ অনুত্তীর্ন পাশের হার জিপিএ ৫ জিপিএ ৪ জিপিএ ৩ জিপিএ ২ জিপিএ ১
২০১২ ৪১২ ৩৩৩ ৭৯ ৮০.৮৩ ৫৯ ১৫৬ - -
২০১৩ ৪৯৮ ৩৯২ ১০৬ ৭৮.৭১ ৫০ ১৭৭ - -
২০১৪ ৪২৯ ৩৫৩ ৭৬ ৮২.২৮ ১২ ৫৯ ১৭৮ - -
২০১৫ ৩৯৯ ৩৩১ ৬৮ ৮২.৯৬ ৬৯ ১৮১ - -
২০১৬ ৫১০ ৩৯৯ ১১১ ৭৮.২৪ ১৬ ৬৬ ২২৫ ৯২ -
২০১৭ ৪৫১ ৩৬১ ৯০ ৮০.০৪ ১৩ ১৭৬ ১২২ ৫০ -

বিদ্যালয়ের পোষাক[সম্পাদনা]

ছেলেদের জন্যে[সম্পাদনা]

সাদা শার্ট, ডিপ-নেভী ব্লু ফুল-প্যান্ট, কালো বেল্ট, সাদা জুতা ও সাদা মোজা।

মেয়েদের জন্য[সম্পাদনা]

ডিপ নেভী ব্লু ফ্রক, সাদা বেল্ট, সাদা ওড়না, সাদা স্কার্ফ, সাদা পায়জামা, সাদা জুতা ও মোজা। এছাড়াও শীতকালীন সময়ে ছেলে-মেয়ে উভয়ের লাল সোয়েটার কিংবা জ্যাকেট পরিধান করা আবশ্যক।

বন্ধ[সম্পাদনা]

বিদ্যালয়টি প্রতি শুক্রবার বন্ধ থাকে। অন্যান্য ছুটির ক্ষেত্রে শিক্ষা বিভাগের ছুটির তালিকা অনুসরণ করা হয়।

আরো দেখুন[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]