দাহালা খাগড়াবাড়ি

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
(দাহালা খাগড়াবাড়ী থেকে পুনর্নির্দেশিত)
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন

স্থানাঙ্ক: ২৬°০৮′৫৯″ উত্তর ৮৮°৪৫′৪৩″ পূর্ব / ২৬.১৪৯৭৩৮৮৮° উত্তর ৮৮.৭৬১৯৫৫৫৫° পূর্ব / 26.14973888; 88.76195555

বিশ্বের একমাত্র ৩য় ক্রমের ছিটমহল ছিল: দাহালা খাগড়াবাড়ি। ভারতীয় এই ছিটমহলটি বাংলাদেশের ছিটমহল দ্বারা বেষ্টিত ছিল। যেখানে বাংলাদেশের ছিটমহলটি আবার ভারতের ছিটমহল দ্বারা বেষ্টিত ছিল এবং ভারতের সেই ছিটমহলটি আবার বাংলাদেশের মূল ভূখণ্ড দ্বারা বেষ্টিত ছিল।

দাহালা খাগড়াবাড়ী (#৫১) একটি ভারতীয় ছিটমহল ছিল যা পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের কোচবিহার জেলার অন্তর্গত ছিল। এটি বাংলাদেশের অভ্যন্তরে ভারতের একটি অংশ ছিল। ১ আগস্ট ২০১৫ সালে বাংলাদেশকে দেওয়ার পূর্ব পর্যন্ত এটি বাংলাদেশের একমাত্র তৃতীয়-ক্রমের ছিটমহল (বা কাউন্টার-কাউন্টার-ছিটমহল) ছিলো। এটি ভারত-বাংলাদেশ ছিটমহলগুলির সর্বাপেক্ষা ছোটগুলির মধ্যে একটি- ৭,০০০ বর্গমিটার (১.৭ একর), যদিও বাংলাদেশের অভ্যন্তরে ১০৬টি ও ভারতের অভ্যন্তরে ৯২টি বাংলাদেশী ছিটমহলের মধ্যে এটি সর্বাপেক্ষা ছোট নয়।

পরিদর্শন[সম্পাদনা]

দহলা খাগড়াবাড়ি (# ৫১) বাংলাদেশী গ্রাম উপনচৌকি ভজনি দ্বারা পুরোপুরি ঘেরা ছিলো এবং #১১০ নিজে ভারতীয় গ্রাম বালপাড়া খাগড়াবাড়ী এবং বাংলাদেশের রংপুর বিভাগের দেবীগঞ্জের অন্তর্গত। এভাবে, দহলা খাগড়াবাড়ি একটি ছিল ছিটমহলের ছিটমহল। বাস্তবে, এই জমির অংশটুকু বসবাসের জন্য ব্যবহৃত না হয়ে কৃষিকাজের জন্য ব্যবহৃত হতো। এটি এর প্রথম ক্রমের ভারতীয় ছিটমহল থেকে কয়েক হাজার মিটার বাংলাদেশী জমি দ্বারা পৃথক ছিল।

এই ছিটমহলের মালিক একজন বাংলাদেশী কৃষক ছিলেন যিনি দহলা খাগড়াবাড়ির আশেপাশের ছিটমহলে বাস করেন (#৫১)

এর আকার ছোট হলেও, দহলা খাগড়াবাড়ি (# ৫১) ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে পাওয়া ছিটমহলগুলির মধ্যে সর্বাপেক্ষা ছোট ছিল না, যেখানে সর্বাপেক্ষা ছোটটি হলো পানিসালা নং ৭৯, যা বাংলাদেশের রংপুর বিভাগের অন্তর্গত ১,০৯০ বর্গমিটার (০.২৭ একর) বিশিষ্ট একটি ভারতীয় ছিটমহল। [১]

প্রশাসনের অভাব এবং ছিটমহলের বাসিন্দাদের অসুবিধাজনক পরিস্থিতির সম্মুখীন হওয়ার কারণে, ২০১১ সালের সেপ্টেম্বরে ভারত ও বাংলাদেশ সরকার ১৬২ টি ছিটমহল অদলবদলের অভিপ্রায় ঘোষণা করে, যাতে বাসিন্দাদের জাতীয়তার সুযোগ প্রদান করে সমস্যাটির সমাধান করা যায়।[২] ৬মে, ২০১৫-তে ভারত স্থলসীমান্ত চুক্তিটি অনুমোদন করে এবং ছিটমহলটিকে বাংলাদেশের কাছে তুলে দিতে সম্মত হয়।

আরো দেখুন[সম্পাদনা]

আরও পড়ুন[সম্পাদনা]

  • টেলর, অ্যাডাম, ওয়াশিংটন পোস্ট। ১ অগস্ট ২০১৫, বিশ্বের সবচেয়ে অদ্ভুত সীমান্ত বিবাদকে বিদায় জানুন [১]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. Whyte, Brendan R. (২০০২)। "Waiting for the Esquimo: an historical and documentary study of the Cooch Behar enclaves of India and Bangladesh"। The University of Melbourne। 
  2. "Hope for Indo-Bangladesh enclaves"। NDTV। ১২ সেপ্টেম্বর ২০১১। সংগ্রহের তারিখ ১২ সেপ্টেম্বর ২০১১