থাই গুরামী

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন

থাই গুরামী
Trichopodus pectoralis
Snakeskin gourami.jpg
বৈজ্ঞানিক শ্রেণীবিন্যাস
জগৎ: Animalia
পর্ব: Chordata
শ্রেণী: Actinopterygii
বর্গ: Perciformes
পরিবার: Osphronemidae
উপপরিবার: Luciocephalinae
গণ: Trichopodus
প্রজাতি: T. pectoralis
দ্বিপদী নাম
Trichopodus pectoralis
Regan, 1910
প্রতিশব্দ
  • Trichogaster pectoralis (Regan, 1910)[২]

থাই গুরামী (বৈজ্ঞানিক নাম: Trichopodus pectoralis)[৩] (ইংরেজি: Snakeskin gourami) হচ্ছে Osphronemidae পরিবারের Trichopodus গণের[৪][৫] একটি স্বাদুপানির মাছ

বর্ণনা[সম্পাদনা]

থাই গুরামী মাছের দেহ মধ্যম লম্বা ও চাপা। পুরুষ মাছের পৃষ্ঠপাখনা সুচালাে এবং পাখনা কমলা থেকে লাল বর্ণের হয়ে থাকে। এরা ফুলকার সাহায্যে পানি থেকে, এমনকি বায়ু থেকেও সরাসরি অক্ৰিজেন গ্রহণ করে থাকে।[৬]

স্বভাব ও আবাসস্থল[সম্পাদনা]

থাই গুরামী পানির উপর ও তলদেশ উভয় স্তরেই বাস করে এবং স্বাদুপানির অভ্যন্তরেই এদের অভিপ্রায়ন ঘটে থাকে। সাধারণত জলজ উদ্ভিদ খায়। অ্যাকুরিয়ামে পালিত অবস্থায় খাদ্য হিসেবে জীবিত কীটপতঙ্গ, টিউবিফ্যাক্স, পােকামাকড়ের লার্ভা, ক্রাস্টেশিয়ান, শুষ্ক খাবার, গােলাকার বল আকৃতির খাবার, সবজির টুকরা, সবুজ উদ্ভিদ প্রভৃতি দেওয়া হয়। সাধারণত পুকুর, হ্রদ এবং স্থির পানিতে পাওয়া যায়। যে সমস্ত স্বাদুপানির জলাশয়ের PH ৬.৩ থেকে ৮.৩ এবং গভীরতা প্রায় ৪ মিটার সেখানে বেশী পাওয়া যায়। বর্ষার সময় এরা প্লাবন ভূমির দিকে চলে যায়, আবার পানি নেমে যাওয়ার পর পুনরায় নদীতে ফিরে আসে।[৬]

বিস্তৃতি[সম্পাদনা]

এই মাছ এশিয়ার লাওস, মালয়, বাংলাদেশ, থাইল্যান্ড, সিঙ্গাপুর, কম্বোডিয়া, ভিয়েতনাম, শ্রীলঙ্কা সহ অন্যান্য দেশে পাওয়া যায়।[৬]

বাংলাদেশে বর্তমান অবস্থা এবং সংরক্ষণ[সম্পাদনা]

আইইউসিএন বাংলাদেশ (২০০০) এর লাল তালিকা এর লাল তালিকা অনুযায়ী এই প্রজাতিটি এখনও হুমকির সম্মুখীন নয়।[৬]

মন্তব্য[সম্পাদনা]

Reger ১৯১০ সালে এই মাছটিকে T. pectoralis হিসাবে বর্ণনা করেন। এদের বৃহৎ বক্ষপাখনা থাকে যা পরিণত বয়সে দেহের তুলনায় লম্বা হয়।[৬]

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. Vidthayanon, C. 2012. Trichopodus pectoralis. In: IUCN 2013. IUCN Red List of Threatened Species. Version 2013.2. <www.iucnredlist.org>. Downloaded on 10 April 2014.
  2. Taki, Y. (1974) Fishes of the Lao Mekong Basin., United States Agency for International Development Mission to Laos Agriculture Division. 232 p.
  3. Rainboth, W.J. (1996) Fishes of the Cambodian Mekong., FAO Species Identification Field Guide for Fishery Purposes. FAO, Rome, 265 p.
  4. Bisby F.A., Roskov Y.R., Orrell T.M., Nicolson D., Paglinawan L.E., Bailly N., Kirk P.M., Bourgoin T., Baillargeon G., Ouvrard D. (red.) (2011)। "Species 2000 & ITIS Catalogue of Life: 2011 Annual Checklist."। Species 2000: Reading, UK.। সংগ্রহের তারিখ 24 september 2012  এখানে তারিখের মান পরীক্ষা করুন: |সংগ্রহের-তারিখ= (সাহায্য)
  5. FishBase. Froese R. & Pauly D. (eds), 2011-06-14
  6. এ কে আতাউর রহমান, গাউছিয়া ওয়াহিদুন্নেছা চৌধুরী (অক্টোবর ২০০৯)। "স্বাদুপানির মাছ"। আহমেদ, জিয়া উদ্দিন; আবু তৈয়ব, আবু আহমদ; হুমায়ুন কবির, সৈয়দ মোহাম্মদ; আহমাদ, মোনাওয়ার। বাংলাদেশ উদ্ভিদ ও প্রাণী জ্ঞানকোষ২৩ (১ সংস্করণ)। ঢাকা: বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটি। পৃষ্ঠা ২৮৪–২৮৫। আইএসবিএন 984-30000-0286-0 |আইএসবিএন= এর মান পরীক্ষা করুন: invalid prefix (সাহায্য)