তিব্বত বিশ্ববিদ্যালয়

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
তিব্বত বিশ্ববিদ্যালয়
Tibet University (টিইউ)
西藏大学
Tibet university 2007.JPG
নীতিবাক্যঐক্য, পরিশ্রমী, বাস্তববাদী, উদ্ভাবনী
团结,勤奋,求实,创新
ধরনসরকারি
স্থাপিত১৯৮৫
প্রশাসনিক কর্মকর্তা
১,১০০
শিক্ষার্থী২৮,০০০
স্নাতক৯,৪১৭
স্নাতকোত্তর৬০০
অবস্থান, ,
শিক্ষাঙ্গনশহরে, ২টি ক্যাম্পাস
তিব্বত বিশ্ববিদ্যালয়
চীনা নাম
সরলীকৃত চীনা 西藏大学
ঐতিহ্যবাহী চীনা 西藏大學
তিব্বতি নাম
তিব্বতি བོད་ལྗོངས་སློབ་གྲྭ་ཆེན་མོ་

তিব্বত বিশ্ববিদ্যালয় হল তিব্বতের বৃহত্তম বিশ্ববিদ্যালয়। এর দুইটি ক্যাম্পাস রয়েছে: একটি লাসাতে এবং অপরটি নাইংচিতে

ইতিহাস[সম্পাদনা]

১৯৫১ সালে তিব্বতি ক্যাডার কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত সাধারণ শ্রেণিভুক্তরাই তিব্বত বিশ্ববিদ্যালয়ের অগ্রদূত ছিলেন।[১] মে, ১৯৮৩ সালে পিআরসির স্টেট কাউন্সিল লাসার টীচার্স কলেজের উপর ভিত্তি করে আনুষ্ঠানিকভাবে তিব্বত বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুমোদন দেয়। ২০ জুলাই, ১৯৮৫ সালে তিব্বত বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়। ১৯৯৯ সাল থেকে তিব্বত স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চলের কলা অনুষদ, তিব্বত মেডিকেল কলেজ, তিব্বত ইনস্টিটিউট ফর ন্যাশনালিটিস এবং তিব্বত স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চলের ফিন্যান্স অনুষদ তিব্বত বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্তর্ভুক্ত হয়। এর ফলে বহুবিধ প্রাতিষ্ঠানিক বিষয়সমূহে পড়ার সুযোগ সৃষ্টি হয়। ২০০৮ সালের ডিসেম্বর মাসে এটি প্রধান বিশ্ববিদ্যালয়সমূহের জাতীয় ২১১ প্রকল্পের অধীনে চলে আসতে সমর্থ হয়।

শিক্ষার্থী[সম্পাদনা]

বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রায় ৭৫০০জন শিক্ষার্থী অধ্যয়নরত আছে, যার প্রায় ২০% তিব্বতি শিক্ষা বিভাগের অন্তর্গত। এটি আন্তর্জাতিক এবং স্থানীয় উভয় পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের কাছেই জনপ্রিয়। লাসায় অবস্থিত বিশ্ববিদ্যালয়ে ভবিষ্যতে তিব্বতবিদ্যায় গবেষণা করতে ইচ্ছুক এমন অনেকেই পড়াশোনা করছে। এখানে স্থানীয় ছাড়াও হ্যান জাতীয়তাধারী ৩৬১ জন এবং যুক্তরাষ্ট্র, জার্মানি, জাপান, সুইডেন, ইতালি, দক্ষিণ কোরিয়া প্রভৃতি দেশ থেকে আগত মোট ৩১ জন শিক্ষার্থী আছে।[২]

তিব্বত বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তে হলে তিব্বতি ভাষা শেখা বাধ্যতামূলক। তিব্বতি ভাষার উপর চার বছরের কোর্স চালু রয়েছে, যা পূর্বে তিন বছরের কোর্স হিসেবে পরিচালিত হত। বছরে দুইবার তিব্বতি ভাষার উপর শিক্ষার্থীদের দক্ষতা যাচাইয়ের জন্য পরীক্ষা নেওয়া হবে।[৩] ১৯৯৫ সালে এর প্রায় ৯২% শিক্ষার্থী ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর অন্তর্গত ছিল। তিব্বতীয় জাতিগোষ্ঠী থেকে ছিল প্রায় ৯২%।[৪]

প্রশাসন[সম্পাদনা]

লাসা ক্যাম্পাসে প্রায় ৮৬৩ জন কর্মচারী এবং ৫২৩ জন স্থায়ী শিক্ষক নিযুক্ত আছেন। ৩২৭ জন তিব্বতি শিক্ষক আছেন, যা মোট শিক্ষকের ৬২.৫% এবং ১৪,০২০ জন শিক্ষার্থী রয়েছেন।

এতে মোট ১১টি কলেজ আছে: কলা অনুষদ, বিজ্ঞান, প্রকৌশল, কৃষিবিদ্যা, চিকিৎসা কলেজ, অর্থনীতি ও ব্যবস্থাপনা অনুষদ, পর্যটন ও বিদেশী ভাষা অনুষদ, কলা, টীচার্স কলেজ, শিক্ষাপরিচালনা অনুষদ, কেন্দ্রীয় বেতার ও টিভি তিব্বত ইনস্টিটিউট। এখানে তিব্বতীয় শব্দ সাহিত্য, তিব্বতীয় ইতিহাস, তিব্বতীয় শিল্প, পাবলিক অ্যাফেয়ার্স ব্যবস্থাপনা, বাস্তুতন্ত্র, শস্য আবাদ ও পশুরোগ দূরীকরণ, সঙ্গীতবিদ্যা - এই মোট আটটি বিষয়ে স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করা যায়।

পরবর্তীতে বিশ্ববিদ্যালয়টি দক্ষিণ চীনের সিচুয়ান প্রদেশের চেংড়ুতে অবস্থিত সিচুয়ান বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথে মিলিতভাবে তিব্বতবিদ্যা বিষয়ের উপর পিএইচডি কর্মসূচীও চালু করে।[২]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. Zhang, Cheryl (২০০৮-১১-১২)। "Tibet University witnesses to development of TAR education"। China Tibet Information Center। ২০১১-০৭-২১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২০১০-১১-১৯ 
  2. "Tibet University World's Biggest Cradle of Tibetan Studies"জিনহুয়া। ২০০৪-০৬-১৪। সংগ্রহের তারিখ ২০১০-১১-১৯ 
  3. "University Launches Degree Exams on Tibetan Language"People's Daily। ২০০২-০৪-২৭। ২০১১-০৯-২৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২০১১-০৮-১৫ 
  4. সাউটম্যান, ব্যারি (১৯৯৯)। "Expanding Access to Higher Education for China's National Minorities: Policies of Preferential Admissions"। Postiglione, জেরার্ড। China's National Minority Education: Culture, Schooling, and Development। সাইকোলজি প্রেস। পৃষ্ঠা ১৮৭। 

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]

প্রাতিষ্ঠানিক ওয়েবসাইট (চীনা)

স্থানাঙ্ক: ২৯°৩৮′৪৫″ উত্তর ৯১°০৮′৪৩″ পূর্ব / ২৯.৬৪৫৯০° উত্তর ৯১.১৪৫৪১° পূর্ব / 29.64590; 91.14541

টেমপ্লেট:প্রকল্প ২১১