তারাসুন্দরী

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
তারাসুন্দরী
জন্ম
তারাসুন্দরী

১৮৭৮ সাল
মৃত্যু১৯ এপ্রিল ,১৯৪৮ সাল
পেশাঅভিনেত্রী
পরিচিতির কারণঅভিনেত্রী,লেখিকা

তারাসুন্দরী একজন বাঙ্গালী অভিনেত্রী যিনি সম্ভবত ১৮৭৭ সালে জন্মগ্রহণ করেন। [১] সাত বছর বয়সে বিভিন্ন স্ট্রেটের, স্টার থিয়েটারে চৈতন্যলীলায় বালক রূপে মঞ্চে প্রথম পা রাখেন। তের বছর বয়সে চৈতন্য, গোপী চরিত্রে অভিনয় করেন তিনি।[২]

অভিনয় জীবন[সম্পাদনা]

তারাসুন্দরী মাত্র ৭ বছর বয়সে বিনোদিনীর সাহায্যে ১৮৮৪ সালে স্টার থিয়েটারে যোগ দেন।তিনি দিরিশ ঘোষের চৈতন্যলীলা নামের একটি নাটকে নিমাইয়ের চরিত্রে অভিনয় করেন।তারাসুন্দরী সেই নাটকে ছেলের চরিত্রে অভিনয় করেন।প্রথম বালিকা চরিত্রে অভিনয় করেন হারানিধি নাটকে।১৮৯১ সাল থেকে তিনি নায়িকা চরিত্রে অভিনয় শুরু করেন।তিনি ১৮৯৪ সালে চন্দ্রশেখর নাটকে শৈবালিনী চরিত্রে অভিনয় করেন যা তাকে বিশেষ খ্যাতি এনে দায়। তারাসুন্দরীর অভিনয়ের দক্ষতার জন্য তাকে বলা হত নাট্যসম্রাজ্ঞী।[১]

ক্লাসিক থিয়েটার[সম্পাদনা]

তারাসুন্দরী স্টার থিয়েটারের পর ক্লাসিক থিয়েটারে যোগ দেন। তিনি সেখানে প্রধান অভিনেত্রীতে পরিণত হন।প্রাথমিকভাবে তিনি অমৃতলাল মিত্রের কাছে অভিনয় শিখেন।ক্লাসিক থিয়েটারে এসে তিনি অমরেন্দ্রনাথ দত্তের কাছ থেকে আরো ভাল তালিম লাভ করেন।তিনি এখানে অনেকগুলো নাটকে অভিনয় করেন এবং বিপুল খ্যাতি অর্জন করেন।১৯২২ সাল পর্যন্ত তিনি নিয়মিত থিয়েটারে অভিনয় করেছেন।তবে অভিনয় ছেড়ে দেওয়ার পরও তিনি অভিনয় করেছে শিশির ভাদুড়ীর সাথে জনা ও রিজিয়ার ভূমিকায়।তারাসুন্দরী গল্প, কবিতাও লিখতেন বিনোদিনীর মতো।ব্যাক্তিগত জীবনে তিনি একাধিক বাবুর রক্ষিতা ছিলেন।ব্যাক্তিগত জীবনে তিনি তেমন সম্মান পাননি।[১] অমরেন্দ্রনাথের অতি ঘনিষ্ঠ ছিলেন তারাসুন্দরী। [৩]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. মুরশিদ, গোলাম (২০০৫)। "সুকুমারী থেকে সুচিত্রা"। অন্যদিন ঈদ সংখ্যা ২০০৫। মাজহারুল ইসলাম: ১০6।  এখানে তারিখের মান পরীক্ষা করুন: |সংগ্রহের-তারিখ= (সাহায্য);
  2. "তারা সুন্দরী"দৈনিক ইত্তেফাক। ২৩শে সেপ্টেম্বর,২০০৯। সংগ্রহের তারিখ ১৪ই ফেব্রুয়ারি,২০১১  এখানে তারিখের মান পরীক্ষা করুন: |তারিখ=, |সংগ্রহের-তারিখ= (সাহায্য)
  3. আনন্দবাজার পত্রিকা, ২৯ মাঘ ১৪০৮ রবিবার ১০ ফেব্রুয়ারি ২০০২