জাতীয় বিজ্ঞান দিবস

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
জাতীয় বিজ্ঞান দিবস
Sir CV Raman.JPG
পালনকারীভারত
তাৎপর্যবিজ্ঞান প্রসার
তারিখ২৮ ফেব্রুয়ারি

জাতীয় বিজ্ঞান দিবস প্রতি বছরে ফেব্রুয়ারি মাসের ২৮ তারিখ দিনটিকে প্রখ্যাত ভারতীয় পদার্থ বিজ্ঞানী চন্দ্রশেখর ভেঙ্কট রামন-এর রামন এফেক্ট-এর আবিষ্কারের সম্মানে ভারতে পালন করা হয়। ১৯২৮ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারিতে রামন এই পরিঘটনা আবিষ্কার করেছিলেন।[১]

এই আবিষ্কারের জন্য ১৯৩০ সালে রামন পদার্থ বিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার লাভ করে ।

জাতীয় বিজ্ঞান দিবসের ইতিহাস[সম্পাদনা]

১৯৮৬ সালে জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিদ্যা যোগাযোগ আয়োগ (NCSTC) ভারত সরকারর কাছে ২৮ ফেব্রুয়ারিকে জাতীয় বিজ্ঞান দিবস হিসাবে স্বীকৃতি দেওয়ার জন্য আবেদন করে, পরে সরকার এই আবেদনের অনুমোদন দেয়। এটি গোটা দেশজুড়ে বিভিন্ন বিদ্যালয়, মহাবিদ্যালয়, বিশ্ববিদ্যালয়, অন্য অন্য শৈক্ষিক, বৈজ্ঞানিক, কারিগরী, চিকিৎসা, গবেষণা প্রতিষ্ঠানসমূহে এই দিবস পালন করা হয়। প্রথম জাতীয় বিজ্ঞান দিবস ২৮ ফেব্রুয়ারি ১৯৮৭ সাল থেকে NCSTC বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিদ্যা প্রসার ও জনপ্রিয় করতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান যোগে প্রতিষ্ঠানসমূহকে জাতীয় বিজ্ঞান জনপ্রিয়করণে পুরস্কার দিতে শুরু করে।

২০০৯[সম্পাদনা]

২০০৯সালের জাতীয় বিজ্ঞান দিবসের বিষয়বস্তু (আলোচ্য বিষয়) ছিল "বিজ্ঞানের দিগন্তের প্রসার"।

সেই বছর দেশের মোট পাঁচটি প্রতিষ্ঠানকে ভারতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিদ্যা বিভাগ বিজ্ঞান প্রসারের জাতীয় পুরস্কার চালু করে। এই পুরস্কার দেশে বিজ্ঞান জনপ্রিয়করণ করা কোনো ব্যক্তি ও সরকারী বা বেসরকারী প্রতিষ্ঠানকে স্বীকৃতি প্রদান করে।

২০০৯ সালে বিক্রম সারাভাই বিজ্ঞান কেন্দ্রকে বিজ্ঞান সম্পর্কীত গবেষণা ও বিজ্ঞান বিষয়ক বিভিন্ন কর্মশালা ও প্রশিক্ষণশালা ইত্যাদি আয়োজনর জন্য সেই বছরের সর্বোচ্চ সম্মান প্রদান করা হয়।[২]

২০১০[সম্পাদনা]

২০১০ সালের জাতীয় বিজ্ঞান দিবসের বিষয়বস্তু (আলোচ্য বিষয়) ছিল, "লিংগ সমতা, বহনক্ষম বিকাশের জন্য বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি।

২০১১[সম্পাদনা]

২০১১ সালের জাতীয় বিজ্ঞান দিবসের বিষয়বস্তু (আলোচ্য বিষয়) ছিল, দৈনন্দিন জীবনত রসায়ন বিদ্যা।

২০১২[সম্পাদনা]

২০১২ সালের জাতীয় বিজ্ঞান দিবসের বিষয়বস্তু (আলোচ্য বিষয়) ছিল "সুরক্ষিত শক্তি উৎস ও নিউক্লীয় সুরক্ষা"[৩]

২০১৩[সম্পাদনা]

২০১৩ সালের জাতীয় বিজ্ঞান দিবসের বিষয়বস্তু (আলোচ্য বিষয়) ছিল, জিনের পরিবর্তন ঘটিয়ে খাদ্যশস্য ও খাদ্য সুরক্ষা।

২০১৪[সম্পাদনা]

২০১৩ সালের জাতীয় বিজ্ঞান দিবসের বিষয়বস্তু (আলোচ্য বিষয়) ছিল, "বৈজ্ঞানিক মানসিকতার উত্‍কর্ষ সাধন" ও "শক্তি সংরক্ষণ"।

রামন এফেক্ট[সম্পাদনা]

১৯২৮ সালে প্রখ্যাত ভারতীয় বিজ্ঞানী স্যার চন্দ্রশেখর ভেঙ্কট রামন একবর্ণী দৃশ্যমান আলোকরশশ্মিকে বিভিন্ন তরলের (বেঞ্জিন,টলুইন প্রভৃতির) মধ্য দিয়ে পাঠিয়ে লক্ষ্য করেন যে, আপতিত রশ্মির অভিলম্বে বিক্ষিপ্ত বিকিরণের মধ্যে মূল তরঙ্গদৈর্ঘ্যের বিকিরণ ছাড়াও আরো অপেক্ষাকৃত ক্ষুদ্রতর এবং দীর্ঘতর তরঙ্গদৈর্ঘ্যের বিকিরণ পাওয়া যায়। এই ঘটনাকে ‘রামন ক্রিয়া’ বলে। এই ক্রিয়া তরল ছাড়াও কঠিন ও গ্যাসীয় মাধ্যমে পরিলক্ষিত হয়।

তথ্যসুত্র[সম্পাদনা]

  1. "জাতীয় বিজ্ঞান দিবস"আকাশবাণী। ১৪ জুলাই ২০১১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২০০৯-০২-২৮ 
  2. "CSC আহমেদাবাদে জাতীয় বিজ্ঞান দিবসের পুরস্কার"। গুজরাত গ্ল’বেল। সংগ্রহের তারিখ ২০০৯-০২-২৮ [অকার্যকর সংযোগ]
  3. "জাতীয় বিজ্ঞান দিবস - ২৮ ফেব্রুয়ারি সি.ভি. রামন - রামন পরিঘটনার আবিষ্কার"। ১ মার্চ ২০১৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১৮ ডিসেম্বর ২০১৬