ঘূর্ণিঝড় তিতলি

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
ধ্বংসাত্মক ঘূর্ণিঝড় তিতলি
ঘূর্ণিঝড় (সাইক্লোন)
Titli 2018-10-09 0455Z.jpg
ধ্বংসাত্মক ঘূর্ণিঝড় তিতলি সর্বোচ্চ মাত্রায় রয়েছে
গঠন৬-৯ অক্টোবর ২০১৮
বিলুপ্তি১১ অক্টোবর ২০১৮
সর্বোচ্চ গতি৩-মিনিট স্থিতি: ১১৫ কিমি/ঘণ্টা (৭৫ mph)
১-মিনিট স্থিতি: ১১০ কিমি/ঘণ্টা (৭০ mph)
সর্বনিম্ন চাপ৯৯০ hPa (mbar)
প্রভাবিত অঞ্চলভারত
২০১৮ উত্তর ভারত মহাসাগরীয় ঘূর্ণিঝড় ঋতু অংশ

ঘূর্ণিঝড় তিতলি[১] হল ২০১৮ খ্রিস্টাব্দে উত্তর ভারত মহাসাগরে জন্ম নেয়া প্রথম ঘূর্ণিঝড়। ঘূর্ণিঝড়টি জন্ম নেয় ৬-৯ অক্টোবর ভারতের কলকাতা থেকে ৮০০ কিলোমিটার ( মাইল) দক্ষিণে। ঘুর্ণিঝড়টি আঘাত হানে ১১ অক্টোবর ভারতের ওড়িশাঅন্ধ্রপ্রদেশ রাজ্যে।

নামকরণ[সম্পাদনা]

তিতলি শব্দের অর্থ প্রজাপতি। দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার ঘূর্ণিঝড় সমূহের নাম দিয়ে থাকে এই অঞ্চলের বিভিন্ন দেশ। ক্রান্তীয় সাইক্লোন তিতলির নাম দিয়েছে পাকিস্তান।[২] তিতলির আগে গঠিত হওয়া সাইক্লোনধর্মী ঝড়টির নাম দেয়া হয়েছিলো লুবান যা ওমানের দেয়া। এই অঞ্চলের পরবর্তী ঘূূর্ণিঝড়ের নাম হবে গাজা যা থাইল্যান্ডের দেয়া।

বর্ণনা[সম্পাদনা]

ভারতের আবহাওয়া অধিদফতর জানায় বৃহস্পতিবার সকালে ঊড়িষ্যার গোপালপুরের কাছে আঘাত হানে ঘূর্ণিঝড় তিতলি।[৩] অন্ধ্র প্রদেশের শ্রীকাকুলাম জেলায় আঘাত হানার সময় ‘তিতলি’র গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় ১৪০ থেকে ১৬০ কিলোমিটার পর্যন্ত। অন্ধ্রে প্রলয়কাণ্ড চালিয়ে উত্তরের দিকে এসে উড়িষ্যার গানজাম জেলায় আছড়ে পড়ার সময় এর তীব্রতা কিছুটা কমে যায়। সেসময় এর গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় ১০২ কিলোমিটার পর্যন্ত।[৩]

প্রস্তুতি[সম্পাদনা]

বাংলাদেশ[সম্পাদনা]

ঘূর্ণিঝড় তিতলির কারণে উপকূলীয় জেলা বরিশাল, পটুয়াখালী, বরগুনা, ঝালকাঠী, পিরোজপুর, বাগেরহাট, সাতক্ষীরা, খুলনা, কক্সবাজার, চট্টগ্রাম, নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর, ফেনী, ভোলা, চাঁদপুর, মাদারীপুর, গোপালগঞ্জ, ফরিদপুর, শরীয়তপুরের সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সাপ্তাহিক ছুটি বাতিল করা হয়।

ভারত[সম্পাদনা]

ক্ষয়ক্ষতি[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]