বিষয়বস্তুতে চলুন

গ্রেটা থুনবার্গ

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
গ্রেটা থুনবার্গ

২০২৪ সালে থুনবার্গ
জন্ম
গ্রেটা টিনটিন ইলেওনোরা এর্নম্যান থুনবার্গ [][]

(2003-01-03) ৩ জানুয়ারি ২০০৩ (বয়স ২৩)
স্টকহোম, সুইডেন
পেশাপরিবেশকর্মী
কর্মজীবন২০১৮–বর্তমান
আন্দোলন
পিতা-মাতা
আত্মীয়অলোফ থানবার্গ (দাদা)
পুরস্কার

গ্রেটা টিনটিন ইলেওনোরা এর্নম্যান থুনবার্গ[] (জন্ম ৩ জানুয়ারি ২০০৩) হলেন একজন সুইডিশ জলবায়ু আন্দোলনকর্মী। তিনি বিশ্ব নেতাদের প্রতি জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব কমাতে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি তুলে ধরার জন্য পরিচিত।

স্টকহোমে জন্মগ্রহণকারী থুনবার্গের জলবায়ু আন্দোলন শুরু হয় যখন তিনি তার বাবা-মাকে জীবনযাত্রার পছন্দগুলো পরিবর্তন করতে রাজি করান, যা তার পরিবারের কার্বন নিঃসরণের পরিমাণ কমিয়েছিল। আগস্ট ২০১৮-এ, মাত্র ১৫ বছর বয়সে, থুনবার্গ স্কুল যাওয়া বন্ধ করে দেন এবং সুইডেনের একটি নির্বাচন শেষ না হওয়া পর্যন্ত স্কুলে না যাওয়ার শপথ নেন, যাতে নির্বাচনের ফলাফলকে প্রভাবিত করার চেষ্টা করা যায়। তিনি সুইডিশ সংসদ ভবনের বাইরে বিক্ষোভ করেন, যেখানে Skolstrejk för klimatet (জলবায়ুর জন্য স্কুল ধর্মঘট) লেখা একটি প্ল্যাকার্ড ধরে এবং তথ্যপত্র বিলি করে তিনি জলবায়ু পরিবর্তনের বিরুদ্ধে জোরালো ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান।[] নির্বাচনের পরে, থুনবার্গ সমর্থকদের সামনে বক্তৃতা করে তাদের ফোন দিয়ে তাকে ভিডিও করতে বলেন। এরপর তিনি বলেন, সুইডেন প্যারিস জলবায়ু চুক্তির সাথে সামঞ্জস্য না করা পর্যন্ত তিনি প্রতি শুক্রবার জলবায়ুর জন্য স্কুল ধর্মঘট চালিয়ে যাবেন।[] থুনবার্গের অল্প বয়স এবং সরাসরি কথা বলার ভঙ্গি তাকে বিশ্বজুড়ে আইকন (প্রতীক) হিসেবে পরিচিত করে তোলে।[]

থুনবার্গের প্রথম জলবায়ু ধর্মঘটের পর, অন্যান্য শিক্ষার্থীরাও একই ধরনের বিক্ষোভে যোগ দেয়। তারা একত্রিত হয়ে জলবায়ু আন্দোলনের জন্য স্কুল ধর্মঘটের আয়োজন করে। থুনবার্গ ২০১৮ জাতিসংঘ জলবায়ু পরিবর্তন সম্মেলনে (কপ২৪) বক্তৃতা দেওয়ার পর, বিশ্বজুড়ে প্রতি শুক্রবার সাপ্তাহিক জলবায়ু ধর্মঘট বিক্ষোভ শুরু হয়। ২০১৯ সালে, সমন্বিত বহু-শহরের বিক্ষোভে প্রতিবার দশ লক্ষেরও বেশি শিক্ষার্থী জড়িত হয়।[] কার্বন-নিঃসরণকারী উড়োজাহাজ এড়াতে, থুনবার্গ একটি কার্বনমুক্ত ইয়টে (নৌকা) করে ইংল্যান্ড থেকে নিউ ইয়র্কে ভ্রমণ করেন, যেখানে তিনি ২০১৯ জাতিসংঘ জলবায়ু পরিবর্তন সম্মেলনে (কপ২৫) বক্তৃতা দেন। তার বক্তৃতায়, থুনবার্গ বিশ্ব নেতাদের তিরস্কার করে "তোমাদের সাহস কীভাবে হল?" বলে চিৎকার করেন, জলবায়ু সংকটের প্রতি তাদের উদাসীনতা এবং নিষ্ক্রিয়তার কথা উল্লেখ করে। তার এই তিরস্কার বিশ্বজুড়ে শিরোনাম হয়।[][১০][১১]

২০২৩ সালে হাই স্কুল থেকে স্নাতক হওয়ার পর, থুনবার্গের আন্দোলন আন্তর্জাতিক মনোযোগ পেতে থাকে এবং তার বিক্ষোভের কৌশল আরও জোরালো হয়ে ওঠে।[১২] প্রাপ্তবয়স্ক হিসেবে, তার বিক্ষোভের মধ্যে শান্তিপূর্ণ মিছিল এবং আইন অমান্য করার কাজ যেমন - ছত্রভঙ্গ হওয়ার আইনানুগ আদেশ অমান্য করা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে, যার ফলে তাকে গ্রেপ্তার, দোষী সাব্যস্ত এবং একবার খালাসও দেওয়া হয়েছে।[১৩][১৪] থুনবার্গের আন্দোলন এখন অন্যান্য কারণকেও সমর্থন করতে সম্প্রসারিত হয়েছে, তিনি রাশিয়ার, ইসরায়েলের, আজারবাইজানের এবং মরক্কোর বিরুদ্ধে যথাক্রমে ইউক্রেন, ফিলিস্তিন, আর্মেনিয়া[১৫] এবং পশ্চিম সাহারাকে[১৬] সমর্থন করেছেন। থুনবার্গের বিশ্বখ্যাতি তাকে জলবায়ু আন্দোলনকারী সম্প্রদায়ের একটি অস্থায়ী (অ্যাড হক) নেতা বানিয়েছে।[১৭] বিশেষ করে তার বয়সের কারণে তাকে ব্যাপক সমালোচনার সম্মুখীন হতে হয়েছে।[১৮] থুনবার্গের বিশ্ব মঞ্চে প্রভাবকে দ্য গার্ডিয়ান এবং অন্যান্য মিডিয়া "গ্রেটা ইফেক্ট" (গ্রেটার প্রভাব) বলে বর্ণনা করেছে।[১৯] তিনি সম্মাননা ও পুরস্কার পেয়েছেন, যার মধ্যে রয়েছে টাইম বিশ্বের সবচেয়ে প্রভাবশালী ১০০ ব্যক্তির তালিকায় স্থান, ২০১৯ সালে সর্বকনিষ্ঠ টাইম পারসন অফ দ্য ইয়ার নির্বাচিত হওয়া, ফোর্বস বিশ্বের ১০০ ক্ষমতাধর নারীর তালিকায় (২০১৯) স্থান পাওয়া,[২০] এবং নোবেল শান্তি পুরস্কারের জন্য মনোনয়ন।[২১][২২][২৩]

জীবনী

[সম্পাদনা]

গ্রেটা থুনবার্গ ২০০৩ সালের ৩ জানুয়ারি জন্মগ্রহণ করেন।[২৪] তার মাতা মালেনা এরম্যান হলেন একজন অপেরা শিল্পী এবং তার পিতা হলেন অভিনেতা স্ভান্তে থুনবের্গ। তার দাদা ওলফ থুনবের্গ একজন অভিনেতা ও পরিচালক ছিলেন।[২৫]

২০১৮ সালের নভেম্বরে গ্রেটা প্রথম টিইডিএক্স আলোচনায় বলেন যে, তিনি আট বছর বয়সে প্রথম জলবায়ু পরিবর্তনের কথা শুনতে পান কিন্তু তিনি বুঝতে ব্যর্থ হন কেন এ বিষয়ে কোন পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।[২৬]

মানসিক স্বাস্থ্য

[সম্পাদনা]

১১ বছর বয়সে তিনি হতাশ হয়ে পড়েন এবং তিনি কথা বলা এবং খাওয়া বন্ধ করে দিয়েছিলেন এবং দুই মাসে দশ কিলোগ্রাম (২২ পাউন্ড) হারান৷ [২৭] পরবর্তীতে তাকে বেশ কিছুদিন চিকিৎসা দেওয়া হয়। তিনি তার আলোচনায় বলেন, তারা ডিসঅর্ডার গুলোর মধ্যে অন্যতম ছিল তিনি যখন প্রয়োজন শুধুমাত্র তখন কথা বলতেন।

তিনি বলেন, আমার অনেকটা এমন মনে হচ্ছিল যে, আমি যদি এটা সম্পর্কে প্রতিবাদ না করি তাহলে ভিতরে ভিতরে আমি মারা যাচ্ছিলাম। তার পিতা তার বিদ্যালয়ে যাওয়া বন্ধ করাকে মেনে নিতে পারেননি৷ কিন্তু তিনি বলেছিলেন, আমরা মেয়েরা ঘরে বসে থাকতে পারি অখুশিভাবে কিন্তু বাইরে গিয়ে প্রতিবাদ করতে পারি যা সে চেয়েছিল।[২৮] গ্রেটা কার্বনের প্রভাব কমাতে তার পরিবারের সব সদস্যকে ভেগানে পরিণত করেন ও বিমানে চরে ভ্রমণ বাদ দিতে বলেন। তিনি নিজেও এগুলো করেন না।[২৯][৩০]

ঘরে সক্রিয়তা

[সম্পাদনা]

প্রায় দুই বছর ধরে,থুনবার্গ তার পিতামাতাকে পরিবারের কার্বন পদচিহ্ন কমিয়ে দেওয়ার জন্য আহ্বান জানিয়েছিলেন এবং তিনি নিরামিষাশী হয়ে উঠেন এবং বিমান চড়াও বিসর্জন দিয়ে পরিবেশের উপর সামগ্রিক প্রভাব কমানোর চেষ্টা করেন।[৩১][৩২][৩৩] তিনি বলেছেন, তিনি তাদের জলবায়ু সংক্রান্ত গ্রাফ এবং ডেটা দেখানোর চেষ্টা করেছিলেন যাতে তারা পরিবেশের ক্ষতি না করে। কিন্তু এটি কার্যকর না হলে তিনি তার পরিবারকে সতর্ক করেছিলেন যে, তারা তার ভবিষ্যত নষ্ট করছে৷ [৩৪] বিমানে চওড়া তার মায়ের একটি অংশ ছিল। কারণ তার মা ছিলেন আন্তর্জাতিক অপ্রতুল গায়ক৷ যার জন্য তার মা তার কর্মজীবন ছেড়ে দেন। [৩৫] থুনবার্গ তার বাবা-মাকে কৃতিত্ব করেন' তারা শেষ প্রতিক্রিয়া এবং জীবনধারাতে তার আশা এবং বিশ্বাস প্রদান করেন৷ তারা যে পরিবর্তিত হয়েছে তিনি এটি পার্থক্য করতে পারেন। [৩১] ২০১৮ সালে সেন্স ফর্ম দ্য হার্ট বইয়ের মধ্যে পারিবারিক গল্পটি পুনরায় প্রকাশ করা হয়৷ [৩৬]

তিনি ২০১৯ সালে বিবিসির স্বাক্ষাৎকারে বলেন, তার বাবা তার স্ত্রীকে বলেন বিমানে চওড়া বন্ধ করে মেয়েকে বাঁচাতে বরং পরিবেশ রক্ষা কর। তিনি আরো বলেন: "সৎ হতে, (তার মা) বিমানে না চওড়ে জলবায়ু সংরক্ষণ করে না। সে পরিবেশ সংরক্ষণ করে তিনি তার বাচ্চাকে বাঁচানোর জন্য৷ এটি করেছিলেন কারণ তিনি দেখেছিলেন যে এটি তার কাছে কতটা বোঝাচ্ছে এবং তারপরে, যখন সে তা করেছিল, তখন সে দেখেছিল যে সে থেকে কতটা উন্নতি করেছে (গ্রেটা), সে এই থেকে কী পরিমাণ শক্তি পেল। "[৩৭]

গ্রন্থপঞ্জি

[সম্পাদনা]
  1. ইংরেজি উচ্চারণ: /ˈtnbɛri/ TOON-berr-ee, সাধারণভাবে /ˈtnbɜːrɡ/ TOON-burg বা /ˈθʌnbɜːrɡ/ THUN-burg;[][] সুইডীয় উচ্চারণ: [ˈɡrêːta ˈtʉ̂ːnbærj]

তথ্যসূত্র

[সম্পাদনা]
  1. "The 2019 Makwan Prize is awarded to Greta Thunberg"everyonegroup.com। EveryOne Group। ১৯ মে ২০১৯। ৩১ আগস্ট ২০১৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৩০ ডিসেম্বর ২০১৯
  2. "Greta Thunberg ist eine schwedische Umweltaktivistin. Sie kämpft für den Klimaschutz und für eine bessere Zukunft." [Greta Thunberg is a Swedish environmental activist. She is fighting for climate protection and a better future.]RTL (German ভাষায়)। ৬ নভেম্বর ২০১৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৯ নভেম্বর ২০১৯{{ওয়েব উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: অচেনা ভাষা (লিঙ্ক)
  3. Singh, Maanvi; Walters, Joanna (১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৯)। "Do lawmakers keep calling Greta Thunberg "Miss Toonberry"?"The Guardian। ৪ মে ২০২৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত।
  4. Singh, Maanvi; Walters, Joanna (১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৯)। "Thunberg pronunciation"The Guardian। ৪ মে ২০২৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত।
  5. Gibson, Caitlin (১৬ মার্চ ২০২০)। "Before Greta Thunberg was a global icon, she was a tormented child who refused to eat or speak"The Washington Post (মার্কিন ইংরেজি ভাষায়)। আইএসএসএন 0190-8286। ১৭ মার্চ ২০২০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৩
  6. Watts, Jonathan; @jonathanwatts (১১ মার্চ ২০১৯)। "Greta Thunberg, schoolgirl climate change warrior: 'Some people can let things go. I can't'"The Guardian (ব্রিটিশ ইংরেজি ভাষায়)। আইএসএসএন 0261-3077। ১১ মার্চ ২০১৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৩
  7. Alter, Charlotte; Haynes, Suyin; Worland, Justin (১১ ডিসেম্বর ২০১৯)। Arbugaeva, Evgenia (সম্পাদক)। "Greta Thunberg: Time's Person of the Year 2019"Time। ১১ ডিসেম্বর ২০১৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১১ ডিসেম্বর ২০১৯
  8. Haynes, Suyin (২৪ মে ২০১৯)। "Students From 1,600 Cities Just Walked Out of School to Protest Climate Change. It Could Be Greta Thunberg's Biggest Strike Yet"Time। ২৩ জুলাই ২০১৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২২ জুলাই ২০১৯
  9. "Video: 'How Dare You': Greta Thunberg at the United Nations"The New York Times (মার্কিন ইংরেজি ভাষায়)। ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৯। আইএসএসএন 0362-4331। ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৩
  10. "Greta Thunberg to world leaders: 'How dare you – you have stolen my dreams and my childhood' – video"The Guardian (ব্রিটিশ ইংরেজি ভাষায়)। ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৯। আইএসএসএন 0261-3077। ১৬ অক্টোবর ২০২৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৩
  11. "'How dare you': Greta Thunberg gives powerful, emotional speech to the UN – National"Global News (মার্কিন ইংরেজি ভাষায়)। ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৩
  12. "Climate activist Greta Thunberg graduates from 'school strikes'"BBC News (ব্রিটিশ ইংরেজি ভাষায়)। ৯ জুন ২০২৩। ৯ জুন ২০২৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৩
  13. "Greta Thunberg To Face New Trial In Sweden Over Protest"barrons.com (মার্কিন ইংরেজি ভাষায়)। AFP – Agence France Presse। ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৩
  14. "U.K. Judge Acquits Climate Activist Greta Thunberg"Time (ইংরেজি ভাষায়)। ২ ফেব্রুয়ারি ২০২৪। ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৪
  15. "Activist Greta Thunberg urges release of Armenians in Azerbaijan" (ইংরেজি ভাষায়)। France 24। ১৬ নভেম্বর ২০২৪। সংগ্রহের তারিখ ২৫ নভেম্বর ২০২৪
  16. "Algeria's Not-So-Invisible Hand Behind Greta Thunberg's Clueless Pro-Polisario Activism"Morocco World News (ইংরেজি ভাষায়)। ১১ জানুয়ারি ২০২৫। সংগ্রহের তারিখ ১২ জানুয়ারি ২০২৫
  17. Wallace-Wells, David (১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৯)। "It's Greta's World"Intelligencer। ২৯ সেপ্টেম্বর ২০১৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৭ সেপ্টেম্বর ২০১৯
  18. "Greta Thunberg Joins Climate March on Her Last Day in Davos"The New York Times। ২৪ জানুয়ারি ২০২০। ১৯ মে ২০২০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১ ফেব্রুয়ারি ২০২০
  19. Watts, Jonathan (২৩ এপ্রিল ২০১৯)। "The Greta Thunberg effect: at last, MPs focus on climate change"The Guardianআইএসএসএন 0261-3077। ২৮ আগস্ট ২০১৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৩০ আগস্ট ২০১৯
  20. "World's Most Powerful Women"Forbes। ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০
  21. Solsvik, Terje (২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২০)। "Climate activist Thunberg heads growing field of Nobel Peace Prize candidates"Reuters। ২৪ মার্চ ২০২০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৪ মার্চ ২০২০
  22. Read, Rupert (৯ অক্টোবর ২০২১)। "Opinion: This year's Nobel Peace Prize should've gone to Greta Thunberg"The Independent। ১২ জুলাই ২০২২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১২ জুলাই ২০২২
  23. "Nobel Peace Prize 2022 nominees include Myanmar's shadow government"South China Morning Post। ১ ফেব্রুয়ারি ২০২২। ৮ ডিসেম্বর ২০২২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত
  24. Lobbe, Anne-Marie (১৩ ডিসেম্বর ২০১৮)। "À 15 ans, elle remet les dirigeants mondiaux à leur place!" (ফরাসি ভাষায়)। Sympatico। সংগ্রহের তারিখ ৩ জানুয়ারি ২০১৯
  25. Santiago, Ellyn (১৪ ডিসেম্বর ২০১৮)। "Greta Thunberg: 5 Fast Facts You Need to Know"Heavy.com। সংগ্রহের তারিখ ৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৯
  26. Thunberg, Greta (১২ ডিসেম্বর ২০১৮)। School strike for climate – save the world by changing the rulesTEDxStockholm। Stockholm: TED। ঘটনা সংঘটিত হয় 1:46। সংগ্রহের তারিখ ২৯ জানুয়ারি ২০১৯I was diagnosed with Asperger's syndrom, OCD, and selective mutism. That basically means I only speak when I think it's necessary. Now is one of those moments… I think that in many ways, we autistic are the normal ones, and the rest of the people are pretty strange, especially when it comes to the sustainability crisis, where everyone keeps saying that climate change is an existential threat and the most important issue of all and yet they just carry on like before.
  27. Queally, Jon (১৯ ডিসেম্বর ২০১৮)। "Depressed and Then Diagnosed With Autism, Greta Thunberg Explains Why Hope Cannot Save Planet But Bold Climate Action Still Can"Common Dreams। ২৮ নভেম্বর ২০১৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৩ জানুয়ারি ২০২০
  28. "The Swedish 15-year-old who's cutting class to fight the climate crisis"The Guardian। ১ সেপ্টেম্বর ২০১৮। সংগ্রহের তারিখ ২৯ এপ্রিল ২০১৯
  29. "Climate crusading schoolgirl Greta Thunberg pleads next generation's case"The Straits Times। ৫ ডিসেম্বর ২০১৮। সংগ্রহের তারিখ ২২ ডিসেম্বর ২০১৮
  30. "Greta Thunberg, la paladina del clima: "Mamma non vuole ma salverò il pianeta""Repubblica.it (ইতালীয় ভাষায়)। ১১ মার্চ ২০১৯। সংগ্রহের তারিখ ১৯ এপ্রিল ২০১৯Ho smesso di usare l'aereo, ho smesso di mangiare carne e latticini
  31. 1 2 উদ্ধৃতি ত্রুটি: <ref> ট্যাগ বৈধ নয়; Democracy Now নামের সূত্রটির জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  32. "Climate crusading schoolgirl Greta Thunberg pleads next generation's case"The Straits Times। AFP। ৫ ডিসেম্বর ২০১৮। ৬ ডিসেম্বর ২০১৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২২ ডিসেম্বর ২০১৮
  33. Watts, Jonathan (১১ মার্চ ২০১৯)। "Greta Thunberg, schoolgirl climate change warrior: 'Some people can let things go. I can't'"The Guardian। ১১ মার্চ ২০১৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৪ অক্টোবর ২০১৯Her parents were the guinea pigs. She discovered she had remarkable powers of persuasion, and her mother gave up flying, which had a severe impact on her career. Her father became a vegetarian.
  34. Chiorando, Maria (২৯ এপ্রিল ২০১৯)। "Environmentalist Greta Thunberg Made Her Parents Feel Guilty For Eating Meat And Dairy"Vegan News, Plant Based Living, Food, Health & more (ইংরেজি ভাষায়)। ২৭ সেপ্টেম্বর ২০১৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৮ অক্টোবর ২০১৯
  35. উদ্ধৃতি ত্রুটি: <ref> ট্যাগ বৈধ নয়; :0 নামের সূত্রটির জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  36. Lambeck, Petra (৬ মে ২০১৯)। "'Scenes From the Heart': Backstory of 16-Year-Old Climate Activist Greta Thunberg"The Wire। ১ জুলাই ২০১৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৩১ আগস্ট ২০১৯
  37. McGrath, Dominic (৩১ ডিসেম্বর ২০১৯)। "'We thought it was a bad idea': Greta Thunberg's dad says he was worried about her climate activism."Thejournal.ie। ৩১ ডিসেম্বর ২০১৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৪ জানুয়ারি ২০২০
  38. "No One Is Too Small to Make a Difference"। Penguin Books UK। ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২২ জুলাই ২০১৯
  39. "Send us your questions for climate activist Greta Thunberg"The Guardian। ২৪ মে ২০১৯। ২১ জুলাই ২০১৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২২ জুলাই ২০১৯

বহিঃসংযোগ

[সম্পাদনা]