গোলাম ফারুক খান

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
গোলাম ফারুক খান
পূর্ব পাকিস্তানের গভর্নর
দায়িত্বপ্রাপ্ত
অধিকৃত অফিস
১৯৬২
রাষ্ট্রপতিআইয়ুব খান
পূর্বসূরীমুহাম্মদ আজম খান
উত্তরসূরীআবদুল মোনেম খান
ব্যক্তিগত বিবরণ
জন্মঅক্টোবর ৭, ১৮৯৯
মৃত্যু২৯ এপ্রিল ১৯৯২(1992-04-29) (বয়স ৯২)
নাগরিকত্বব্রিটিশ ভারতীয় (১৮৯৯-১৯৪৭)
পাকিস্তানি (১৯৪৭-১৯৯২)
পেশাসরকারি কর্মকর্তা, শিল্পপতি
ধর্মইসলাম
পুরস্কারহিলাল-ই-পাকিস্তান (১৯৫৮)

গোলাম ফারুক খান (৭ অক্টোবর ১৮৯৯ – ২৯ এপ্রিল ১৯৯২) ছিলেন একজন পাকিস্তানি অর্থনীতিবিদ, আমলা, রাজনীতিবিদ ও শিল্পপতি। তিনি গোলাম ফারুক গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান ছিলেন।

কর্মজীবন[সম্পাদনা]

গোলাম ফারুক খান আলিগড় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক সম্পন্ন করেন। এরপর ১৯২১ সালে তিনি বেঙ্গল-নাগপুর রেলওয়েতে সহকারি ট্রাফিক সুপারিন্টেন্ডেন্ট হিসেবে যোগ দেন। কর্মজীবনে তিনি অনেক গুরুত্বপূর্ণ পদে ছিলেন। এর মধ্যে রয়েছে রেলওয়ে বোর্ডের ট্রান্সপোর্ট অ্যাডভাইজরি অফিসার (১৯৪০-১৯৪২), কন্ট্রোলার অব কোল ডিস্ট্রিবিউশন (১৯৪২-১৯৪৬), বেঙ্গল-নাগপুর রেলওয়ের ট্রান্সপোর্ট ম্যানেজার (১৯৪৬), ইস্ট ইন্ডিয়ান রেলওয়েজের চীফ অপারেটিং সুপারিন্টেন্ডেন্ট (১৯৪৬) এবং জেনারেল ম্যানেজার (১৯৪৬-১৯৪৮) পদ।[১]

পরবর্তীতে তিনি পাকিস্তান জুট বোর্ড এবং কটন বোর্ডের চেয়ারম্যান (১৯৪৯-১৯৫২), পাকিস্তান ইন্ডাস্ট্রিয়াল ডেভলপমেন্ট কর্পোরেশনের (পি আই ডি সি) চেয়ারম্যান (১৯৫২-১৯৫৮) এবং পাকিস্তান অর্ডন্যান্স ফ্যাক্টরির চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করেন। তিনি পানি ও বিদ্যুৎ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (ওয়াপদা) গঠনের দায়িত্ব পালন করেছেন। ১৯৫৮ সালে তিনি পূর্ব পাকিস্তান পানি ও বিদ্যুৎ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান নিযুক্ত হন। সিন্ধুনদ পানি চুক্তি বাস্তবায়নে তিনি দায়িত্বপালন করেছেন।[১]

গোলাম ফারুক খান ১৯৬২ সালে পূর্ব পাকিস্তানের গভর্নর হন। এরপর ১৯৬৫-১৯৬৭ সালে কেন্দ্রীয় বাণিজ্যমন্ত্রী ও প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা, পাকিস্তান ইনভেস্টমেন্ট কর্পোরেশনের চেয়ারম্যান, শিল্প মন্ত্রণালয়ের সচিব এবং উত্তর পশ্চিম সীমান্ত প্রদেশের অর্থ, পরিকল্পনা ও উন্নয়ন মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্বপালন করেছেন। তিনি জাতীয় পরিষদ, ফেডারেল কাউন্সিল এবং সিনেটেও গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেছেন।[১]

গভর্নর হওয়ার পর পূর্ব পাকিস্তানের পাট শিল্পের উন্নয়নে তিনি অবদান রেখেছেন। তিনি গভর্নর থাকাকালীন সময়ে "শরিফ কমিশন" নামক শিক্ষা কমিশনের রিপোর্টের বিরুদ্ধে ব্যাপক ছাত্র বিক্ষোভ হয়। বিক্ষোভের ফলে তিনি গভর্নরের পদ থেকে ইস্তফা দেন।[১]

গোলাম ফারুক খান একজন বিশিষ্ট শিল্পপতি ছিলেন। ১৯৪৭ সালে তিনি গোলাম ফারুক গ্রুপ গঠন করেছেন।[১]

মৃত্যু[সম্পাদনা]

গোলাম ফারুক খান ১৯৯২ সালে মৃত্যুবরণ করেন।[১]

সম্মাননা[সম্পাদনা]

  • অফিসার অব দ্য অর্ডার অব দ্য ব্রিটিশ এম্পায়ার (১৯৪৪)
  • কম্পেনিয়ন অব দ্য অর্ডার অব দ্য ইন্ডিয়ান এম্পায়ার (১৯৪৬)
  • কমান্ডার অব দ্য অর্ডার অব মেরিট, স্পেন (১৯৫৬)
  • হিলাল-ই-পাকিস্তান (১৯৫৮)

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

রাজনৈতিক দপ্তর
পূর্বসূরী
আজম খান
পূর্ব পাকিস্তানের গভর্নর
১৯৬২
উত্তরসূরী
আবদুল মোনেম খান