বিষয়বস্তুতে চলুন

গোলাপী এখন বিলাতে

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
গোলাপী এখন বিলাতে
ভিসিডি প্রচ্ছদ
পরিচালকআমজাদ হোসেন
প্রযোজকএম আর হক
সাইদ হোসেন
রচয়িতাআমজাদ হোসেন
শ্রেষ্ঠাংশে
সুরকারগানওয়েট রাজা
রাম সংকর
মুক্তি
  • ২৯ জানুয়ারি ২০১০ (2010-01-29)
স্থিতিকাল১২৫ মিনিট
দেশবাংলাদেশ
ভাষাবাংলা

গোলাপী এখন বিলাতে হলো ২০১০ সালের একটি বাংলাদেশী চলচ্চিত্র যা রচনা ও পরিচালনা করেন আমজাদ হুসন। এতে অভিনয় করেছেন মিঠুন চক্রবর্তী, মৌসুমী, শাবনূর, ফেরদৌস আহমেদ, প্রবীর মিত্র এবং আহমেদ শরীফ।[][] এর আগে আমজাদ হোসাইদ আরও দুটি ছবি পরিচালনা করেছিলেন, গোলাপী এখন ট্রেনে (১৯৭৮), গোলাপী এখন ঢাকায় (১৯৯৫)। গোলাপী এখান বিলাতে চলচ্চিত্রটি চিত্রগ্রহণ ২০০৬ সালের মে মাসে শুরু হয়েছিল[][] এবং এটি ২৯ জানুয়ারী ২০১০ এ বাংলাদেশে মুক্তি পায়।[]

কাহিনি

[সম্পাদনা]

গোলাপী (মৌসুমী) অপেক্ষায় দিন, মাস গোনে। বছর যায়। কিন্তু তাঁর ভালোবাসার মানুষ আর ফিরে আসে না। বিলাতে (যুক্তরাজ্য) গিয়ে ভালোবাসার মানুষ (মিঠুন চক্রবর্তী) কি ভুলে গেছে তাকে? ওদিকে বিলাতে গিয়ে জীবিকার কারণে গোলাপীর ভালোবাসার মানুষটি বিয়ে করে অন্য একটি মেয়েকে। একদিন তিনি মায়ের মৃত্যুর খবর পেলেন। দেশে এসে দেখা পেলেন গোলাপীর। একি হাল হয়েছে গোলাপীর! বুকের ভেতরটা হাহাকার করে ওঠে। গোলাপীকে নিয়ে মিঠুন চলে যায় বিলাতে। মিঠুনের মেয়ে শাবনূর। বিলাতেই বড় হয়েছে। শাবনূরের ছেলেবন্ধু ফেরদৌস। বিলাতের পরিবেশে শুরু হয় গোলাপীর নতুন জীবন।

অভিনয়

[সম্পাদনা]

শুটিং

[সম্পাদনা]

ছবিটির শুটিং নিচে উল্লিখিত স্থানে করা হয়েছিল:

  • ঢাকা, বাংলাদেশ
  • সংসদ ভবন, ওয়েস্টমিনস্টার, লন্ডন, ইংল্যান্ড, যুক্তরাজ্য
  • সাউথ-অন-সি, এসেক্স, ইংল্যান্ড, যুক্তরাজ্য
  • ট্রাফালগার স্কয়ার, সেন্ট জেমস, লন্ডন, ইংল্যান্ড, যুক্তরাজ্য

পুরস্কার

[সম্পাদনা]
১৩তম মেরিল-প্রথম আলো পুরস্কার

তথ্যসূত্র

[সম্পাদনা]
  1. "Bollywood Star Mithun Chakrabarti talked about his Bangladeshi Film"। dhakanews। ৩০ জানুয়ারি ২০১০। ৪ সেপ্টেম্বর ২০১৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৪ সেপ্টেম্বর ২০১৪
  2. 1 2 3 "২৯ জানুয়ারি 'গোলাপী এখন বিলেতে'"। ৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৪ জানুয়ারি ২০১৫
  3. "গোলাপীরা এখন কোথায়?"। ৪ জানুয়ারি ২০১৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৪ জানুয়ারি ২০১৫
  4. "আজীবন সম্মাননা পেলেন ফিরোজা বেগম"www.prothom-alo.com। ২৯ এপ্রিল ২০১১। ১৫ জুলাই ২০১৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৯ জুলাই ২০২০