ক্রিয়াপদ

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন

যে পদের দ্বারা কাজ করা বোঝায়, তাকে ক্রিয়া বলে। অথবা ধাতুর উত্তর বিভক্তি যোগে ধাতু ক্রিয়াপদে পরিনিত হয়।

ক্রিয়াপদের গঠন[সম্পাদনা]

অনুক্ত ক্রিয়াপদ[সম্পাদনা]

ক্রিয়াপদের প্রকারভেদ[সম্পাদনা]

ভাব প্রকাশের দিক দিয়ে ক্রিয়াপদকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়। যথাঃ

  • সমাপিকা ক্রিয়া
  • অসমাপিকা ক্রিয়া

সাধারণ ভাবে ক্রিয়াপদ ৬ প্রকার। যথাঃ

  • কর্মের উপর ভিত্তি করেঃ
    • অকর্মক ক্রিয়া
    • সকর্মক ক্রিয়া
    • দ্বিকর্মক ক্রিয়া
        • সমধাতুজ কর্মপদের ক্রিয়া
  • প্রযোজক ক্রিয়া
  • যৌগিক ক্রিয়া
  • মিশ্র ক্রিয়া

সমাপিকা ক্রিয়া[সম্পাদনা]

যে ক্রিয়াপদ বাক্যকে পরিপূর্ণ করে এবং বাক্যের অর্থকে সুস্পষ্ট করে তাকে সমাপিকা ক্রিয়া বলে। যেমন:

  • আমি বাড়ি যাব
  • আমরা সন্ধ্যায় পড়তে বসব

অসমাপিকা ক্রিয়া[সম্পাদনা]

যে ক্রিয়াপদ দ্বারা বাক্যের পরিসমাপ্তি ঘটে না, বক্তার কথা অসম্পূর্ণ থেকে যায়, তাকে অসমাপিকা ক্রিয়া বলে।

  • আমরা হাত-মুখ ধুয়ে............
  • প্রভাতে সূর্য উঠলে..............

অকর্মক[সম্পাদনা]

যে বাক্যে একটিও কর্ম থাকে না তাকে অকর্মক বলে। যেমন:

  • আমি খাচ্ছি
  • সে পড়ছে

এখানে কী খাচ্ছি আর কী পড়ছে' তা অনুক্ত রয়েছে। কাজেই বাক্য দুটিতে খাচ্ছি এবং পড়ছে অকর্মক ক্রিয়া।

সকর্মক[সম্পাদনা]

যে বাক্যে একটি কর্ম থাকে তাকে সকর্মক বলে।যেমন:

  • আমি ভাত খাচ্ছি
  • সে বই পড়ছে

এখানে কী খাচ্ছি আর কী পড়ছে' তা বলা রয়েছে। কাজেই বাক্য দুটিতে খাচ্ছি এবং পড়ছে সকর্মক ক্রিয়া।

দ্বিকর্মক[সম্পাদনা]

যে বাক্যে দুটি কর্ম থাকে তাকে দ্বিকর্মক বলা হয়।

এক্ষেত্রে, ববস্তুবাচক কর্মপদটি মুখ্যকর্ম, আর ব্যক্তিবাচক কর্মপদটি গৌণ কর্ম।

  • শিক্ষক ছাত্রদের(গৌণ কর্ম) বাংলা(মুখ্যকর্ম) পড়াচ্ছেন।
  • বাবা আমাকে(গৌণ কর্ম) একটি কলম(মুখ্যকর্ম) কিনে দিয়েছেন

আরো দেখুন[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]