বিষয়বস্তুতে চলুন

কিতাব আল-ইরশাদ

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
আল-ইরশাদ
লেখকশাইখ আল-মুফিদ
প্রকাশনার স্থানইরান
ভাষাফার্সি
ধরনআত্মজীবনী
পৃষ্ঠাসংখ্যা৬৫৬
আইএসবিএন ৯৭৮-৯৬৪৪৩৮৬২৩৭

আল-ইরশাদ (ফার্সি: ارشاد), যাকে ১২ ইমামের জীবনীর নির্দেশনা বই বলা হয়।[] এখানে ১২ শিয়া ইমামের জীবনী তুলে ধরে, তাদের ঐতিহাসিক পরিস্থিতি, অলৌকিক ঘটনা ও গুণাবলী বর্ণনা করা হয়েছে।[] বইটিতে শিয়াদের মধ্যে ইমামতির পক্ষে প্রমাণও রয়েছে।

শায়খ মুফিদ ছিলেন ইসনা আশারিয়ার বিশিষ্ট শিয়া ধর্মতত্ত্ববিদ।[] তিনি মুয়াল্লিমের পুত্র এবং তাকে ইবনে মুয়ালিম বলা হত। মুফিদকে আল-শায়খ আল সাদুক, ইবনে কুলাওয়াহ, আবু আবদুল্লাহ আল-বাসরী ও আল-রুম্মানী শিক্ষাদান করেছেন। তিনি তার শিক্ষাগুলো শরীফ আল-মুর্তজা এবং আল-শায়খ আল-তুসি সহ তার নিজের ছাত্রদের কাছে পৌঁছে দিয়েছিলেন। তার ২০০ টি কাজের মধ্যে মাত্র ১০ টি কাজ বেঁচে আছে, যার মধ্যে রয়েছে আমালি, আল-ইরশাদ, আল-মুকনিয়াহ এবং তাশিহ আল-ইতিকাদাত[]

বিষয়বস্তু

[সম্পাদনা]

তিনি প্রত্যেক ইমামের পরিস্থিতি ও জীবন এবং তাদের প্রত্যেকের মৃত্যুর পরিস্থিতি বর্ণনা করছেন। তিনি সর্বশেষে মুহাম্মদ আল-মাহদির অন্তর্ধানের কথা উল্লেখ করেন।[] এই কাজটি ধর্মতত্ত্ব বা দর্শনের পরিবর্তে ইতিহাস ও হাদিস সম্পর্কে মুফিদের দৃষ্টিভঙ্গিকে প্রতিফলিত করে।[]

এই বইটি শুরু হয় আল্লাহ, নবী মুহাম্মদ এবং শিয়ার বারো ইমামের প্রশংসা করে। বইটির প্রায় অর্ধেক ইমাম আলী, তার বৈশিষ্ট্য এবং গুণাবলীর প্রতি উৎসর্গ করা হয়েছে।

অনুবাদ

[সম্পাদনা]

এই বইটি ইংরেজিতে অনুবাদ করেছিলেন আই. কে.এ. হাওয়ার্ড।[]

বইটি আরবি, ফার্সি, উর্দু, হিন্দি, আজারি এবং জার্মান এর মতো আরও অনেক ভাষায় উপলভ্য।

আরও দেখুন

[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র

[সম্পাদনা]
  1. David Waines (২০০৩)। An Introduction to Islam Introduction to Religion। পৃ. ৩৩০
  2. Matti Moosa (১৯৮৭)। Extremist Shiites: The Ghulat Sects Contemporary issues in the Middle East। পৃ. ৬৮।
  3. 1 2 "Al-Amali, The Dictations of Shaykh al-Mufid"Al-Islam.org
  4. Oliver Leaman (২০০৬)। The Qur'an: An Encyclopedia। পৃ. ৫৮৬।
  5. Jafari (২০০৪)। Introduction to Kitab al-Irshad। পৃ. ৪।
  6. Jafari 2004

বহিঃসংযোগ

[সম্পাদনা]