কাসুনিয়াতান মসজিদ

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
কাসুনিয়াতান মসজিদ
Masjid Kasunyatan
COLLECTIE TROPENMUSEUM Moskee Kasunyatan TMnr 60016490.jpg
১৯২০ এ কাসুনিয়াতান মসজিদের পানির কুপ
ধর্ম
অন্তর্ভুক্তিইসলাম
প্রদেশবানতেন
অবস্থাসক্রিয়
অবস্থান
অবস্থানকাসুনিয়াতান, সেরাং রীজেন্সি, বানতেন, ইন্দোনেশিয়া
স্থাপত্য
ধরনমসজিদ
স্থাপত্য শৈলীইকেলেটিক যাভানেসে, পতুগীজ, হিন্দুধম Eclectic
প্রতিষ্ঠাতাকিয়াই দুকুখ (পানগেরান কাসুনায়াতান) [১]
সম্পূর্ণ হয়১৫৭০ এবং ১৫৯৬ এর মধ্যে [২]
নির্দিষ্টকরণ
সংমুখভাগের দিকপূব
দৈর্ঘ্য১১.৫০ মিটার (৩৭.৭ ফু)[৩]
প্রস্থ১১.৩০ মিটার (৩৭.১ ফু)[৩]
মিনারসমূহ1
মিনারের উচ্চতা১০.৮২ মিটার (৩৫.৫ ফু)[৩]
উপাদানসমূহইট, মাটির টাইলস

কাসুনিয়াতান মসজিদ (Indonesia Masjid Kasunyatan) ইন্দোনেশিয়ার বানতেনের কাসুনিয়াতান গ্রামে অবস্থিত একটি ছোট মসজিদ। ১৫৭০ এবং ১৫৯৬ [২] সালের মধ্যে স্থাপিত মসজিদটি ইন্দোনেশিয়ার সবচেয়ে পুরানো মসজিদগুলোর একটি। মসজিদটি পুরাতন বানতেনের খুব নিকটেই অবস্থিত এবং ১৬তম শতাব্দিতে বানতেনে ইসলামী শিক্ষা পাঠদানের অন্যতম কেন্দ্র হিসেবে বিবেচিত হয়। মসজিদটি ১৯৩২ সাল ডাচ ঔপনেবেশিক আমলে পুরাতন ঐতিহ্যের মযাদা লাভ করে। বতমানে এই মযাদা এখনো কাছে কিনা তা অজানা রয়ে গেছে।

ইতিহাস[সম্পাদনা]

পুরাতন বানতেনে অবস্থিত মসজিদগুলোর মধ্যে কাসুনিয়াতান মসজিদটি অন্যতম; অন্য মসজিদগুলো হল বানতেন শাহী মসজিদ এবং কানারি মসজিদ। পুরান বানতেনে অবশিষ্ট অন্য মসজিদগুলোও রয়েছে, যেমন পেকিনান তিনগি মসজিদ, যার গম্ভুজ নষ্ট হয়ে গেছে, ইতিমেধ্যেই ধ্বংসে হয়ে যাওয়া ক্রাতন কাইবন মসজিদ এবং কোজা মসজিদের অবশিষ্টাংশ।[৪]

কাসুনিয়াতান মসজিদটি কিয়াই দুকুহ, সুলতান মৌলানা মুহাম্মদের শিক্ষক এবং বানতেনের ইসলামি চিন্তা বিষয়ক দলের নেতা, কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত হয়।[১] কিয়াই দুকুহ, যিনি পানগেরান কাসুনিয়াতান উপাধি লাভ করেন, নিজের নামে গ্রামের এবং মসজিদের নামকরণ করেন।[১] মসজিদটি কাসুনিয়াতানের ইসলামি সাধকদের ইবাদত আদায়ের জন্য নিমিত হয়েছিল। [৫] মসজিদটির প্রতিষ্ঠা তারিখ বিভিন্ন ধরনের মতভেদ রয়েছে, তবে মসজিদটি মৌলানা ইউছুফ এর রাজত্বকালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল, যা ১৫৭০ এবং ১৫৯৬ এর মাঝামাঝি সময়ের মধ্যে।[২]

মসজিদ কমপ্লেক্স[সম্পাদনা]

কাসুনিয়াতান মসজিদটি কাসুনিয়াতন গ্রামে অবস্থিত, যা পুরানো বানতেনের ক্রাতন কাইবোন থেকে ৫০০ মিটার দক্ষিণে। মসজিদ কমপ্লেক্সটি পশ্চিম, দক্ষিণ এবং পূর্বদিকের তিনটি ফটকসহ বড় প্রাচীর দ্বারা বেষ্টিত। পশ্চিম ফটকটি মসজিদ কমপ্লেক্সের উত্তরে অবস্থিত সমাধির মূল ফটক হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে থাকে। এই ফটকটি উত্তরের সমাধিস্থল এবং পূর্বের সমাধিস্থলের মাঝে সীমানা প্রাচীর হিসেবে কাজ করে। দক্ষিণের ফটকটি মসজিদের পূর্বপাশে অবস্থিত সমাধি এলাকার প্রবেশ পথ হিসেবেও ব্যবহার করা হয়।[৩]

আরা দেখুন[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. Djajadiningrat ও 1983 39
  2. Nasution 1994, পৃ. 11।
  3. Daniel Iriyani 2013
  4. Nasution 1994, পৃ. 3।
  5. Nasution 1994, পৃ. 10।

কার্যকরী লিংক[সম্পাদনা]

  • Daniel Iriyani (জুলাই ২৩, ২০১৩)। "Masjid Kasunyatan - Serang, Banten"Kebudayaan Indonesia। Kebudayaan Indonesia। ১২ নভেম্বর ২০১৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ নভেম্বর ১৩, ২০১৫ 
  • Djajadiningrat, Hoesein (১৯৮৩)। Tinjauan Kritis Tentang Sadjarah Banten [Critical Review on the History of Banten] (Indonesian ভাষায়)। Jakarta: Djambatan। আইএসবিএন 9789790758476 
  • Nasution, Isman Pratama (১৯৯৪)। "Mesjid Kasunyatan" [Kasunyatan Mosque] (PDF) (Indonesian ভাষায়)। Depok: FIB UI। নভেম্বর ১৪, ২০১৫ তারিখে মূল (PDF) থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ নভেম্বর ১৪, ২০১৫ 
  • Tawalinuddin Haris, সম্পাদক (২০১১)। Mesjid-mesjid Bersejarah di Jakarta [Historic Mosques of Jakarta] (Indonesian ভাষায়)। Jakarta: DIVARO। আইএসবিএন 9789790758476