কালির বাজার ইউ. পি. উচ্চ বিদ্যালয়

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
কালির বাজার ইউ. পি. উচ্চ বিদ্যালয়
কালির বাজার ইউ. পি. উচ্চ বিদ্যালয়ের লগো
অবস্থান
কুমিল্লা,
বাংলাদেশ
তথ্য
ধরনসরকারি স্কুল
প্রতিষ্ঠাকাল১৯৪৩
বিদ্যালয় জেলাকুমিল্লা
বিদ্যালয়ের প্রধানমোঃ মিজানুর রহমান আখন্দ
কর্মকর্তা০২
শ্রেণী৬ষ্ঠ - ১০ম
শিক্ষার্থী সংখ্যা১,০২৪
ক্যাম্পাসের আকার১৩৮ শতক

কালির বাজার ইউ. পি. উচ্চ বিদ্যালয় বাংলাদেশের কুমিল্লা অঞ্চলের একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান।

ইতিহাস[সম্পাদনা]

১৯৪৩ সালে এই স্কুলটি প্রতিষ্ঠিত হয়। স্বাধীন বাংলা হওয়ার পরবর্তী সময়ে, স্কুলের ভবন ও অবকাঠামোগত উন্নয়ন শুরু হয় এবং শিক্ষা প্রদান পদ্ধতির উন্নয়ন ঘটানো হয়। ১৯৩৭ সালে কুমিল্লা জিলা স্কুল এর প্রতিষ্ঠার শতবর্ষ উদযাপন করে।

বর্তমান অবস্থা[সম্পাদনা]

শিক্ষার্থীদের মধ্যে উৎসাহ উদ্দীপনা ও প্রতিযোগিতা মূলক মনোভাব সৃষ্টির লক্ষ্যে সকল শিক্ষার্থীকে তিনটি হাউজে বিন্যস্ত করে নিয়মিতভাবে বিভিন্ন আন্তঃ হাউজ প্রতিযোগিতা যেমন – বির্তক, আবৃত্তি, সংগীত, খেলাধুলা, চিত্রাংকন, দেয়াল পত্রিকা প্রকাশ প্রভৃতি প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। এছাড়াও বি এন সি সি, স্কাউটস, গার্ল গাইডস, রেড ক্রিসেন্ট প্রভৃতি সংগঠনের সদস্য হয়ে ছাত্র- ছাত্রীরা নিজেদের ব্যক্তিত্ব ও চরিত্র গঠনের পাশাপাশি দেশ সেবামূলক কর্মকান্ডে অংশগ্রহণের সুযোগ পায়। এছাড়াও বিভিন্ন আন্তঃ স্কুল, আঞ্চলিক ও জাতীয় পর্যায়ে আয়োজিত বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় ছাত্র-ছাত্রীদের অংশগ্রহণের সুযোগ করে দেয়া হয়। এ প্রতিষ্ঠানে রয়েছে অত্যন্ত উন্নত ও আধুনিক অবকাঠামোগত সুবিধাদি। প্রতিষ্ঠানের তিনটি সুবিশাল ভবন রয়েছে। স্কুলে রয়েছে লাইব্রেরি এবং পদার্থ, রসায়ন, জীববিদ্যা, সাচিবিকবিদ্যা, কম্পিউটার বিজ্ঞান প্রভৃতি বিষয়ভিত্তিক গবেষণাগার। স্কুলের ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য আছে একটি ক্যান্টিন। ছাত্রদের জন্য আছে ছাত্র মিলনায়তন এবং ছাত্রীদের জন্য ছাত্রী মিলনায়তন।

বর্তমানে স্কুলটিতে প্রায় ১১০০ শিক্ষার্থী এবং ১৩ জন শিক্ষক-শিক্ষিকা রয়েছেন।

পোশাক[সম্পাদনা]

স্কুলের নির্দিষ্ট পোশাক হল ছেলেদের সাদা শার্ট, নীল প্যান্ট ও সাদা জুতো এবং মেয়েদের নীল স্কাট ও সাদা পায়জামা। ফুল হাতা বা হাফ হাতা দুটোই গ্রহণযোগ্য। এছাড়া শীতকালে নীল রঙের সোয়েটারও ইউনিফরমের অন্তর্ভুক্ত। শার্টের পকেটে স্কুলের মনোগ্রামযুক্ত ব্যাজ থাকা আবশ্যক।

ভর্তি[সম্পাদনা]

সাধারণত শিক্ষার্থীরা ষষ্ঠ শ্রেণীতে ভর্তি হওয়ার সুযোগ লাভ করে। এজন্য শিক্ষার্থীদের তুমুল প্রতিদ্বন্দ্বীতামূলক অবস্থায় ভর্তি হতে হয়। কোন শিক্ষার্থী অন্য কোন সরকারি স্কুল থেকে ট্রান্সফার সার্টিফিকেটের মাধ্যমে উপরের ক্লাসগুলোতে ভর্তি হওয়ার সুযোগ পেতে পারে।

সহশিক্ষা কর্মসূচী[সম্পাদনা]

  • বি এন সি সি (বাংলাদেশ ন্যাশনাল ক্যাডেট কোর)
  • স্কাউটিং
  • খেলাধুলা (অ্যাথলেটিক্স, ক্রিকেট ও ফুটবল)
  • বিতর্ক
  • সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান
  • বার্ষিক সাময়িকী
  • গণিত ও ভাষা প্রতিযোগ
  • বিজ্ঞান মেলা
  • শিক্ষা সফর ইত্যাদি

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]