এডিএম শহিদুল ইসলাম
এডিএম শহিদুল ইসলাম | |
|---|---|
| শেরপুর-৩ আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য | |
| পূর্বসূরী | এ কে এম ফজলুর হক |
| কাজের মেয়াদ ১১ জানুয়ারি ২০২৪ – ৬ আগস্ট ২০২৪[১] | |
| ব্যক্তিগত বিবরণ | |
| জন্ম | শ্রীবরদী,শেরপুর |
| জাতীয়তা | বাংলাদেশ |
| রাজনৈতিক দল | বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ |
| পেশা | রাজনীতিবিদ |
এডিএম শহিদুল ইসলাম একজন বাংলাদেশি রাজনীতিবিদ ও সাবেক সংসদ সদস্য। ২০২৪ সালে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের মাধ্যমে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন জাতীয় সংসদ বিলুপ্ত করলে তিনি সংসদ সদস্য পদ হারান।[১]
জম্ম ও প্রথমিক জীবন
[সম্পাদনা]বাংলাদেশের শেরপুর জেলার শ্রীবরদী উপজেলার মাদারপুর গ্রামে জম্ম গ্রহন করেন।
রাজনৈতিক জীবন
[সম্পাদনা]তিনি ছাত্রজীবনে ছাত্রলীগের রাজনীতি করেছেন। পরে তিনি শেরপুরের শ্রীবরদী উপজেলা আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত হয়ে শ্রীবরদী উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। সংসদ সদস্য হওয়ার আগে, ২০০৩ থেকে ২০১১ পর্যন্ত এবং ২০১৬ থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত শ্রীবরদী উপজেলার খড়য়া কাজিরচর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ছিলেন। তিনি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের পদ থেকে পদত্যাগ করেন।পরে শ্রীবরদী উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে অংশ নিয়ে। ২০১৯ সালে প্রথমবারের মতো শ্রীবরদী উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন।
২০২৪ সালের দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে শেরপুর-৩ আসনের প্রার্থী হিসেবে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন চেয়ে নৌকা প্রতীকের মনোনয়ন পাওয়ার পর শ্রীবরদী উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যানের পদ থেকে পদত্যাগ করেন। এডিএম শহিদুল ইসলাম শেরপুর-৩ আসন থেকে আওয়ামী লীগের নৌকা প্রতীকের মনোনয়ন পেয়ে ১ লাখ ২ হাজার ৪৪৬ ভোট পেয়ে সংসদ সদস্য পদে বিজয়ী হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন আওয়ামী লীগের ঝিনাইগাতী উপজেলা শাখার সভাপতি ট্রাক প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী এসএম আব্দুল্লাহেল ওয়ারেজ নাইম। নাইম পেয়েছেন ৪৬ হাজার ২২৮ ভোট।[২] তিনি ২০২৪ সালে অসহযোগ আন্দোলনের মাধ্যমে জাতীয় সংসদ বিলুপ্তের মাধ্যমে সংসদ সদস্য পদ হারান।[১]
তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- 1 2 3 "জাতীয় সংসদ বিলুপ্ত ঘোষণা"। ডেইলি সান (বাংলা)। ৬ আগস্ট ২০২৪। সংগ্রহের তারিখ ২৬ আগস্ট ২০২৪।
- ↑ "ইউপি চেয়ারম্যান থেকে এমপি শহিদুল ইসলাম"। দৈনিক যুগান্তর। ৮ জানুয়ারি ২০২৪। সংগ্রহের তারিখ ১ এপ্রিল ২০২৪।