ইশা তালওয়ার

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
ইশা তালওয়ার
Isha Talwar grace GQ Style Awards (09) (cropped).jpg
২০১৮ সালে ইশা তালওয়ার
জন্ম (1987-12-22) ২২ ডিসেম্বর ১৯৮৭ (বয়স ৩২)[১]
জাতীয়তাভারতীয়
পেশাঅভিনেত্রী, মডেল
কর্মজীবন২০১০–বর্তমান

ইশা তালওয়ার (জন্ম: ২২শে ডিসেম্বর ১৯৮৭) হলেন একজন ভারতীয় চলচ্চিত্র অভিনেত্রী, যিনি মূলত মালয়ালম এবং হিন্দি চলচ্চিত্রে কাজ করে থাকেন। এছাড়াও তিনি কয়েকটি তামিলতেলুগু চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন। তিনি একজন মডেল হিসাবে তাঁর কর্মজীবন শুরু করেছিলেন এবং বেশ কয়েকটি টেলিভিশন বিজ্ঞাপনে একজন মডেল হিসেবে হাজির হয়েছিলেন। পরবর্তীতে ২০১২ সালে মালয়ালম চলচ্চিত্র থাথাথিন মারায়াঠু-এ অভিনয়ের মাধ্যমে তিনি চলচ্চিত্র জগতে পা রাখেন।

প্রারম্ভিক জীবন[সম্পাদনা]

ইশা তালওয়ার ১৯৮৭ সালের ২২শে ডিসেম্বর তারিখে ভারতের মহারাষ্ট্রের মুম্বইয়ের একটি পাঞ্জাবি পরিবারে জন্মগ্রহণ করেছেন।[২] তিনি বিনোদ তালওয়ারের কন্যা, যিনি বলিউডে বনি কাপুরের সাথে পরিচালক ও নির্বাহী নির্মাতা হিসেবে কাজ করেছেন।[৩][৪] ইশা মুম্বইয়েই তাঁর শৈশব অতিবাহিত করেছেন। তিনি মুম্বইয়ের সেন্ট জেভিয়ার্স কলেজ থেকে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেছেন।[৫] তিনি ২০০৪ সালে নৃত্য পরিচালক টেরেন্স লুইসের নৃত্য বিদ্যালয়ে যোগদান করেছিলেন, যেখানে তিনি নৃত্যের বিভিন্ন ধরন যেমন ব্যালে, জ্যাজ, হিপ হপ এবং সালসা শিখেছিলেন এবং উক্ত নাচের স্কুলের শিক্ষক হয়েছিলেন।[৬] তিনি উল্লেখ করেছিলেন যে তাঁর নৃত্য পরিচালক টেরেন্স লুইস ছিলেন "এমন একজন ব্যক্তি, যিনি আমাকে পুরোপুরি পরিবর্তন করে দিয়েছিলেন"।

পেশা[সম্পাদনা]

ইশা তালওয়ার তাঁর কর্মজীবনের শুরুতে একজন মডেল হিসেবে কাজ করেছেন এবং ৪০টিরও বেশি প্রতিষ্ঠানের পণ্যের টেলিভিশন বিজ্ঞাপনে উপস্থিত হয়েছেন; যেগুলোর মধ্যে পিৎজা হাট, ভিভেল ফেয়ারনেস ক্রিম, কায়া স্কিন ক্লিনিক, ডিউলাক্স পেইন্টস এবং ধরতি ফেয়ারনেস ক্রিম অন্যতম।[৭] এছাড়াও তিনি হৃতিক রোশনের নৃত্য বিষয়ক প্রতিযোগিতা জাস্ট ডান্স-এর প্রচারণামূলক ভিডিও-তে একজন নৃত্যশিল্পী হিসেবে উপস্থিত হয়েছেন।[৩] তিনি বলেছেন যে তিনি তার চলচ্চিত্রের অভিষেক করার প্রস্তুতিতে দুই বছর অতিবাহিত করেছেন।[৮] যদিও তিনি ২০০২-এর বলিউড চলচ্চিত্র হামারা দিল আপকে পাস হ্যায়-এ একজন শিশু অভিনেত্রী হিসাবে কাজ করেছিলেন,[৯] তবে পূর্ণ দৈর্ঘ্যের চলচ্চিত্রে তাঁর অভিষেক হয়েছে মালয়ালম চলচ্চিত্র থাথাথিন মারায়াঠু-এর মাধ্যমে।[১০] এই চলচ্চিত্রের জন্য তিনি চার মাসের কণ্ঠ প্রশিক্ষণ ক্লাস নিয়েছিলেন, যেখানে তিনি ভাষা শেখার জন্য একটি কোর্স করার পাশাপাশি গিটার বাজাতে শিখেছিলেন। এই চলচ্চিত্রে তিনি হিন্দু ছেলের প্রেমে পড়া এক মুসলিম মেয়ে আয়েশা-এর চরিত্রে অভিনয় করেছেন। এই চলচ্চিত্রটি ব্যবসায়িকভাবে দারুণ ফলাফল অর্জন করার মাধ্যমে ২০১২ সালের মুক্তিপ্রাপ্ত শীর্ষ পাঁচটি মালয়ালম চলচ্চিত্রের মধ্যে অন্যতম ছিল।[১১] সমালোচকরা তাঁর প্রশংসা করে বলেছিলেন যে, তিনি এই চলচ্চিত্রে "সুন্দরী" লাগছিলেন,[১২] তবে এই চলচ্চিত্রে তাঁর "বেশি কিছু করার" ছিল না।

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "Meet Tubelight Actress Isha Talwar: Age, biography, best HD, hot and HQ photos, Instagram, ads and more"The Indian Express। ২৮ জুন ২০১৭। সংগ্রহের তারিখ ১২ ডিসেম্বর ২০১৭ 
  2. Thakurata, Indrani। "Isha Talwar: "Being a Punjabi-Bombay girl, I got a film in Kerala. When it's meant for you,it will come anyhow""dailyhunt। dailyhunt। সংগ্রহের তারিখ ১৮ ডিসেম্বর ২০১৮ 
  3. Sebastian, Shevlin। "Isha Talwar, about her dream debut in Malayalam"The New Indian Express। সংগ্রহের তারিখ ২২ এপ্রিল ২০১৩ 
  4. Zachariah, Ammu। "My dad is a proud man: Isha Talwar"Times of India। সংগ্রহের তারিখ ২২ এপ্রিল ২০১৩ 
  5. "St. Xavier's College, Mumbai alumni"The Times of India 
  6. Ammu Zachariah, TNN (৬ সেপ্টেম্বর ২০১২)। "Terrance changed me completely: Isha Talwar – Times of India"। Articles.timesofindia.indiatimes.com। সংগ্রহের তারিখ ২২ এপ্রিল ২০১৩ 
  7. parshathy. j. nath (২৬ আগস্ট ২০১২)। "Face forward"The Hindu। Chennai, India। সংগ্রহের তারিখ ১০ মার্চ ২০১৩ 
  8. Ammu Zachariah (১২ মার্চ ২০১২)। "Isha Talwar: 2 years to prepare for a debut?"Indiatimes। সংগ্রহের তারিখ ১০ মার্চ ২০১৩ 
  9. "I go with my gut feelings: Isha Talwar"The New Indian Express। সংগ্রহের তারিখ ১৯ ডিসেম্বর ২০১৭ 
  10. "When Isha met her voice!"The Times of India। ১১ জুন ২০১২। 
  11. "The Top five Malayalam films of 2012 – Rediff.com Movies"। Rediff.com। ২ জানুয়ারি ২০১৩। সংগ্রহের তারিখ ২২ এপ্রিল ২০১৩ 
  12. "Movie Review : Thattathin Marayathu"। Sify.com। সংগ্রহের তারিখ ২২ এপ্রিল ২০১৩ 

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]