ইয়ুথ অপরচুনিটিস

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
Jump to navigation Jump to search
ইয়ুথ অপরচুনিটিস
ইয়ুথ অপরচুনিটিস লোগো.png
গঠিত ২০১২; ৫ বছর আগে (২০১২)
প্রতিষ্ঠাতা ওসামা বিন নুর ও মাকসুদুল মানিক
অবস্থান
পরিষেবা
দাপ্তরিক ভাষাসমূহ
বাংলা, ইংরেজি, আরবি
ওয়েবসাইট youthop.com

ইয়ুথ অপরচুনিটিস হচ্ছে একটি অনলাইন সংস্থা বা ওয়েবসাইট, যার মাধ্যমে দেশি-বিদেশি বিভিন্ন ধরনের সুযোগ-সুবিধা, বৃত্তি, সম্মেলন, ইন্টার্নশিপ, প্রতিযোগিতা, ফেলোশিপ ইত্যাদির তথ্য জানা যায়। এটি ওসামা বিন নুর ও মাকসুদুল মানিক ২০১২ সালে প্রতিষ্ঠা করেন। [১] [২]

ইতিহাস[সম্পাদনা]

ওসামা বিন নুর ও মাকসুদুল মানিক ২০১২ সালে ফেসবুক পেজের মাধ্যমে ইয়ুথ অপরচুনিটিসের কার্যক্রম শুরু করেন। এরপর ২০১৪ সালে ইয়ুথ অপরচুনিটিসের নিজস্ব ওয়েবসাইট তৈরি করা হয়। [১] ২০১৭ সালে বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে ঢাকার কারওয়ান বাজারের টেকনোলোজি পার্কে ৩০০ বর্গ ফুটের অফিস বরাদ্দ দেওয়া হয়।[৩] একই বছর বাংলাদেশ সরকারের আইসিটি ডিভিশনের সহযোগিতায় ইয়ুথ অপরচুনিটিসের মোবাইল অ্যাপ তৈরি করা হয়।[৪] ২০১৮ সালে বাংলা ভাষায় ইয়ুথ অপরচুনিটিসের ওয়েবসাইট তৈরি করা হয়।[৫] বর্তমানে প্রায় দুই শতাধিক দেশের ইন্টারনেট ব্যবহারকারীরা এই ওয়েবসাইট ব্যবহার করছেন।[৪] ফেসবুকের ফ্রি ব্যাসিক সেবার আওতায় বাংলাদেশ, জাম্বিয়া, কেনিয়া, ঘানা, মালাউই, তানজানিয়া, কলম্বিয়া, সেনেগালের, ফিলিপাইনেস, ইন্দোনেশিয়া, পাকিস্তান, আফ্রিকা প্রভৃতি দেশের ব্যবহারকারীরা কোন ধরনের ডাটা চার্জ ছাড়াই ব্যবহার করতে পারছেন। [৬]

কার্যক্রম[সম্পাদনা]

ইয়ুথ অপরচুনিটিস গ্লোবালে ‍মূলত বিভিন্ন ধরনের আন্তর্জাতিক বৃত্তি, সম্মেলন, প্রশিক্ষণ, ইন্টার্নশিপ ও তরুণদের অন্যান্য সুযোগ সুবিধার তথ্য উপস্থাপন করা হয়। ইয়ুথ অপরচুনিটিস বাংলাদেশে বাংলাদেশের স্থানীয় সুযোগ সুবিধাসমূহ সম্পর্কে তথ্য দেওয়া হয়। পাশাপাশি ইন্দোনেশিয়ার তরুণদের জন্য ইয়ুথ অপরচুনিটিসের আলাদা ইন্দোনেশীয় সংস্করণ রয়েছে। [৭] আর ইয়ুথ অপরচুনিটিস বাংলা ওয়েব সাইটে বাংলা ভাষায় সব ধরনের সুযোগ সুবিধার বিস্তারিত তথ্য-উপাত্ত দেওয়া হয় [৫] এবং ইয়ুথ অপরচুনিটিস আরবি সংস্করণে আরবিভাষীদের জন্য প্রয়োজনীয় একই ধরনের তথ্য-উপাত্ত প্রকাশ করা হয়ে থাকে।[৮] এছাড়া ইংরেজি দৈনিক দ্য ডেইলি স্টার পত্রিকার নিয়মিত প্রকাশনা স্টার ইয়ুথে ইয়ুথ অপরচুনিটিসের গুরুত্বপূর্ণ লিংক সমূহ নিয়মিত প্রকাশ করা হয়। [৯]


পুরস্কার[সম্পাদনা]

ইয়ুথ অপরচুনিটিসের প্রতিষ্ঠাতারা তাদের কার্যক্রমের জন্য বিভিন্ন ধরনের জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পুরস্কার অর্জন করেছেন। ইয়ুথ অপরচুনিটিসের সহ-প্রতিষ্ঠাতা ওসামা বিন নুর ২০১৬ সালের ‘দ্য কুইন্স ইয়াং লিডারস’ অ্যাওয়ার্ড পেয়েছেন। [১০] এছাড়া তিনি যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সাময়িকী ফোর্বস এশিয়ার সেরা অনূর্ধ্ব-৩০ বছরের তরুণ সামাজিক উদ্যোক্তাদের তালিকায়ও স্থান লাভ করেন। [১১] এছাড়াও ইয়ুথ অপরচুনিটিস ২০১৬ সালে ব্র্যাক ম্যানথান অ্যাওয়ার্ড [১২] ও ২০১৭ সালে বাংলাদেশ সরকারের আইসিটি ডিভিশনের ন্যাশনাল মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন অ্যাওয়ার্ড অর্জন করে। [১৩]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. বাংলা ট্রিবিউন। "বিশ্বের তরুণদের জন্য বাংলাদেশি ‍দুই তরুণের 'ইয়ুথ অপুরচুনিটিস" 
  2. ইত্তেফাক। "ইয়ুথ অপরচুনিটিস দিয়ে বিশ্ব দরবারে ওসামা" 
  3. সমকাল। "পজিটিভ বাংলাদেশের জন্য" 
  4. The Daily Star। "Mobile app of Youth Opportunities launched" 
  5. rtv। "ইয়ুথ অপরচুনিটিজের বাংলা ওয়েবসাইটের উদ্বোধন" 
  6. ডয়েচে ভেলে। "যাঁদের জন্য গর্ব করতে পারে বাংলাদেশ"। সংগ্রহের তারিখ ৪ এপ্রিল ২০১৮ 
  7. "ইউথ অপরচুনিটিস ইন্দোনেশিয়া"ইউথ অপরচুনিটিস 
  8. "ইয়ুথ অপরচুনিটিস আরবি"يوث أبرتشونيتيس 
  9. The Daily Star। "Youth Opportunities"। সংগ্রহের তারিখ ৪ এপ্রিল ২০১৮ 
  10. "রয়্যাল ওয়েবসাইট" 
  11. "ফোর্বস" 
  12. "ব্র্যাক ম্যানথান অ্যাওয়ার্ড"ব্র্যাক 
  13. The Daily Star 2। "Youth Opportunities wins best National Mobile Application Award" 

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]