ইন্দোনেশিয়ার রেল পরিবহন

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে

ইন্দোনেশিয়া এর রেল পরিবহন ব্যবস্থা তিনটি পৃথক রেল নেটওয়ার এর মাধযমে হয়ে থাকে।এই গুলি হল সুমাত্র , কালিমন্ত ও সুলেয়েসি।ওই দেশে প্রথম রেল চালু হয় জাভা দ্বীপে।দেশটিতে ১০৬৭ এমএম , ১৪৩৫ এমএম ও ৭৫০ এমএম এই তিন ধরনের গেজের রেল ব্যবস্থি রয়েছে।এই দেশের রেল ব্যবস্থা জাভা দ্বীপে ভাল ভাবে গড়ে উঠেছে।দেশ টিতে মোট ৪,০৬৯ কিলোমিটার বা ২৫২৮ মাইল রেলপথ রয়েছে।এর মধ্যে মাত্র ২৩৫ কিলোমিটার বা ১৪৬ মাইল রেলপথ বিদ্যুতীক রেল পরিসেবা রয়েছে।এচছার এই দেশের জাকার্তা, বানদুংসারাবায়া শহরের শহরতলী রেল পরিসেবা রয়েছে।জাকার্তাতে একটি লাইট রেল এর নির্মাণ চলছে।[১]

ইতিহাস[সম্পাদনা]

১৮৬৭ সালে প্রথম রেল পরিসেবা চালু হয় ইন্দোনেশিয়ায়।এটি চালু হয় জাভা দ্বীপে।প্রথম রেলপথটি নির্মাণ করে রাজ্যের সংস্থা গুলি।জাপান আক্যমন ও ইন্দোনেশিয়ার স্বাধীনতা যুদ্ধে এই দেশেরর রেল ব্যবস্থা বিরিট ক্ষতির সমুখীন হয়।এই সময় দেশের রেল ব্যবস্থা সম্পর্ন ভেঙ্গে পড়ে।দেশ স্বাধীনতার পর ১৯৫০ সালে ববিদেশ থেকে ১০০ টি বাষ্ট ইঞ্জিন আনা হয়।এর পর ১৯৫৩ সালে দেশে প্রথম ডিজেল ইঞ্জিল আনা হয়।১৯৮০ সালের সময় থেকে দেশের গুরুত্ব পূর্ন রেলপথে ডিজেল ইঞ্জিনের দ্বারা রেল পরিসেবা প্রদান শুরু হয়।১৯৭০ সালে জাপান থেকে ৬০ বছরের পুরনো বিদ্যুৎ চালিত রেল ইঞ্জিন আনা হয় ও নতুন ভাবে নির্মাণ করে চলাচল এর উপযুক্ত করে দেশে বিদ্যুৎ চালিত রেল পরিসেবা দেওয়া হয়।

উচ্চগতির রেল[সম্পাদনা]

ইন্দোনেশিয়ার উচ্চগতির রেলওয়ের মানচিত্র

ইন্দোনেশিয়ার উচ্চগতির রেল [২] বা ইন্দোনেশিয়ার হাইস্পিড রেলপথ হল ইন্দোনেশিয়া এর জাভা দ্বীপ এর পশ্চিম থেকে পূর্ব দিকে পরিকল্পনাধিন একটি উচ্চ গতির রেলপথ।এটি ইন্দোনেশিয়ার রেল পরিবহন এর সবচেয়ে বড় প্রকল্প।এই রেলপথটি জাভা দ্বীপ এর পশ্চিমে অবস্থিত দেশের রাজধানী জাকার্তা থেকে জাভা দ্বীপের পূর্বের শহর বানদুং পর্যন্ত নির্মাণ করা হবে।ইন্দোনেশিয়া সরকার ২০১০ সালে প্রথম এই প্রকল্পের কথা ঘোষণা করে।কিন্তু পরিকল্পনাটি সফল হয়নি।এর পর ২০১৫ সালে এই প্রকল্প নতুন ভাবে শুরু হয়।এই রেলপথ নির্মাণ প্রকল্পে চিনজাপান উভয় দেশই আগ্রহ দেখিয়েছে।দেশ দুটি জাকার্তা থেকে বানদুং পর্যন্ত ১৫০ কিলোমিটার পথে পর্যবেক্ষন করেছে।এর পর জাপান বানদুং থেকে জাভা দ্বীপের পূর্ব অংশের শহর সরাবায়া পর্যন্ত ৭৩০ কিলোমিটার পথ পর্যবেক্ষন করেছে।কিন্তু এই রেলপথ নির্মাণের দায়ীত্ব পায় চিন এর চীনা রেলওয়ে ইন্টারন্যাশনাল ।২০১৬ সালে এই ঘোষণা করে ইন্দোনেশিয়া সরকার।

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

ইন্দোনেশিয়ার উচ্চগতির রেল

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]