ইন্ডিয়ান সায়েন্স নিউজ অ্যাসোসিয়েশন

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
ইন্ডিয়ান সায়েন্স নিউজ অ্যাসোসিয়েশন
সংক্ষেপেআইএসএনএ(ISNA)
গঠিত১৯৩৫; ৮৭ বছর আগে (1935)
উদ্দেশ্যবিজ্ঞান-সাংবাদিকতা
সদরদপ্তররাজাবাজার, কলকাতা
অবস্থান
ওয়েবসাইটwww.scienceandculture-isna.org/aboutus.htm

ইন্ডিয়ান সায়েন্স নিউজ অ্যাসোসিয়েশন হলো ভারতীয় বিজ্ঞানের সমস্ত শাখার বিজ্ঞানীদের একটি অলাভজনক প্রতিষ্ঠান। প্রথিতযশা পদার্থবিদ মেঘনাদ সাহা এবং প্রখ্যাত রসায়নবিদ আচার্য প্রফুল্লচন্দ্র রায় ১৯৩৫ খ্রিস্টাব্দে প্রতিষ্ঠা করেন। [১] প্রতিষ্ঠানটির উদ্দেশ্য হল - বিজ্ঞানের খবরাখবর প্রচার করা এবং সেই সাথে সাধারণের বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি সম্পর্কে ধারণার উপর ভারতীয় বিজ্ঞানীদের ও চিন্তাবিদদের প্রতিক্রিয়া লক্ষ্য করে বিজ্ঞানকে জনপ্রিয় করা। সেকারণে সংস্থাটি প্রতিষ্ঠার সময় থেকেই "সায়েন্স অ্যান্ড কালচার" নামক জার্নাল প্রকাশ করে আসছে। এছাড়াও সংস্থাটি সেমিনার, সিম্পোজিয়াম, স্মারক বক্তৃতা ইত্যাদির আয়োজন করে থাকে। বিজ্ঞান সম্পর্কিত বিষয়গুলি সম্পর্কে সাধারণের অবহিত করা, শিক্ষিত করা, সচেতনতা বৃদ্ধি এবং বৈজ্ঞানিক আবিষ্কার এবং যুক্তি সম্পর্কে বিস্ময়বোধ সৃষ্টি ও বৃদ্ধির করার জন্য - সায়েন্স কমিউনিকেশন তথা বিজ্ঞান যোগাযোগ তথা যুবা গবেষক, অধ্যাপক ও সাংবাদিকদের সমাজমাধ্যমে যুক্ত করতে ১৯৮৩ খ্রিস্টাব্দ হতে ইন্ডিয়ান সায়েন্স নিউজ অ্যাসোসিয়েশন ১০-১২ সপ্তাহের কোর্সের আয়োজন করে আসছে।

প্রতিষ্ঠানটি একটি স্বশাসিত সংস্থা। তবে ব্যক্তিগত, সরকারি, বিভিন্ন প্রাতিষ্ঠানসহ সমাজের সমস্তস্তরের আর্থিক সাহায্যে এবং অনুদানের উপর পরিচালিত হয়। এর আর্থিক সহায়তার পরিমাণ ১৯৬১ খ্রিস্টাব্দের ভারতীয় আয়কর আইনে দাতার আয় হতে মুক্ত।

সায়েন্স অ্যান্ড কালচার[সম্পাদনা]

সায়েন্স অ্যান্ড কালচার হল বিজ্ঞানের বিভিন্ন শাখার জার্নাল যেটি বৈজ্ঞানিক গবেষণা ও উন্নয়ন, সমাজ ও সংস্কৃতি, জাতীয় সমস্যা ও ঘটনাবলির উপর গুরুত্বপূর্ণ ও মৌলিক প্রবন্ধ, বৈজ্ঞানিক পর্যালোচনা, টীকা বা মন্তব্য প্রকাশ করে থাকে।

ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরু মন্তব্য করেছিলেন-

বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি আজ জীবনের সারমর্ম। যুদ্ধ, শান্তি ও যেকোনো পরিস্থিতিতে বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি ভারতের তথা মানবতার সেবায় নিয়োজিত।

সংস্থাটির সদর দপ্তর ভারতের কলকাতার ৯২, আচার্য প্রফুল্ল চন্দ্র রোডে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজাবাজার সায়েন্স কলেজ ক্যাম্পাসে অবস্থিত।

বাংলাভাষায় বিজ্ঞানকে আরো জনপ্রিয় করতে সম্প্রতি প্রতিষ্ঠানটি স্বাধীনতার ৭৫তম বর্ষে সোশ্যাল মিডিয়ায় আরো দুটি পত্রিকা -সায়েন্টিফিকা কমিউনিকা এবং বিজ্ঞান কহন প্রকাশের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ইতিমধ্যে ১৫ ই আগস্ট প্রকাশিত হয়েছে সায়েন্টিফিকা কমিউনিকা[২]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]