ইনস্টিটিউট অব হেলথ টেকনোলজি, ঝিনাইদহ

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
ইনস্টিটিউট অব হেলথ টেকনোলজি, ঝিনাইদহ
IHT, Jhenaidah
অন্যান্য নাম
আই.এইচ.টি, ঝিনাইদহ
ধরনসরকারি
স্থাপিত২০১২; ১২ বছর আগে (2012)
প্রতিষ্ঠাতাগণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
অধ্যক্ষডা.তানভীর আহমেদ চৌধুরী
শিক্ষায়তনিক ব্যক্তিবর্গ
৭+
প্রশাসনিক ব্যক্তিবর্গ
১২+
শিক্ষার্থী৭০০+
স্নাতকডিপ্লোমা ইন ফার্মেসী, ল্যাবরেটরি মেডিসিন, ফিজিওথেরাপি, রেডিওথেরাপি, রেডিওলোজী এন্ড ইমেজিং, ডেন্টিস্ট্রি, স্যানেটারি ইন্সপেক্টর শিপ ট্রেইনিং
স্নাতকোত্তরবিএসসি ইন মেডিক্যাল টেকনোলজি (ল্যাবরেটরি), বিএসসি ইন ফিজিওথেরাপি
ঠিকানা
হরিনাকুণ্ডু, মহিশাকুণ্ডু
, ,
অধিভুক্তিফার্মেসী কাউন্সিল অব বাংলাদেশ, স্টেট মেডিক্যাল ফ্যাকাল্টি অব বাংলাদেশ
ওয়েবসাইটihtjhenaidah@ac.dghs.gov.bd

ইনস্টিটিউট অব হেলথ টেকনোলজি, ঝিনাইদহ বা সংক্ষেপে আই.এইচ.টি, ঝিনাইদহ বাংলাদেশের সরকারি মেডিক্যাল ইন্সটিটিউটগুলোর মধ্যে অন্যতম। এটি ২০১২ সালে মাত্র ২৫ জন ছাত্র-ছাত্রী নিয়ে যাত্রা শুরু করে।[১]

ইতিহাস[সম্পাদনা]

২০১২ সালে ঝিনাইদহবাসীর জন্য ঝিনাইদহ জেলার মহিশাকুণ্ডুতে একটি মেডিক্যাল ইন্সটিটিউট স্থাপিত হয়। প্রতিষ্ঠালগ্নে এটির ১টি অনুষদে (ল্যাবঃমেডিসিন অনুষদ) মাত্র ২৫+ জন শিক্ষার্থী নিয়ে যাত্রা শুরু করে। পর্যায়ক্রমে অনুষদের সংখ্যা বৃদ্ধি হয়ে বর্তমানে ৭টি অনুষদে প্রায় ৭০০+ জন শিক্ষার্থী পড়াশুনা করছে।

গ্রন্থাগার[সম্পাদনা]

আই,এইচ,টি তে একটি সমৃদ্ধ গ্রন্থাগার রয়েছে, যেখানে পুরাতন মূল্যবান ও সাম্প্রতিক সংস্করণের বই, জার্নাল এবং সাময়িকীর প্রাচুর্য রয়েছে।

গবেষণাগার[সম্পাদনা]

আই,এইচ,টি তে সব বিভাগের আলাদা আলাদা গবেষণাগার আছে। এখানে বিভাগ অনুযায়ী বিভিন্ন গবেষণার কাজ সম্পাদনা করা হয়। শিক্ষকমণ্ডলী ও টেকনোলজিস্ট দ্বারা গবেষণাগারগুলো পরিচালনা করা হয়।

প্রকাশনা[সম্পাদনা]

আই,এইচ,টি তে নিয়মিতভাবে জনপ্রিয় বার্ষিকী ও সাময়িকী প্রকাশ করা হয়। ইন্সটিটিউটের সকল ছাত্র-ছাত্রী ও শিক্ষক-শিক্ষিকাও এতে লিখতে পারেন।

বর্তমান অনুষদ ও বিভাগসমূহ[সম্পাদনা]

ডিপ্লোমা[সম্পাদনা]

  1. ডিপ্লোমা ইন ফার্মেসী
  2. ডিপ্লোমা ইন ল্যাবরেটরি মেডিসিন
  3. ডিপ্লোমা ইন ফিজিওথেরাপি
  4. ডিপ্লোমা ইন রেডিওথেরাপি
  5. ডিপ্লোমা ইন রেডিওলোজি এন্ড ইমেজিং
  6. ডিপ্লোমা ইন ডেন্টিস্ট্রি

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "Jhenaidah / শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান"। jhenaidah.gov.bd। ১৫ এপ্রিল ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১৫ জুলাই ২০২২